ঘরে এসেছে নতুন অতিথি, বিশ্বমঞ্চে মন ভালো নেই বাবার

স্পোর্টস ডেস্ক

ঘরে এসেছে নতুন অতিথি, বিশ্বমঞ্চে মন ভালো নেই বাবার

ক্রীড়াবিশ্বে পেশাদারিত্ব শব্দটার গুরুত্ব সবাই জানে। কিন্তু এই ‘পেশাদারিত্ব’ বজায় রাখতে গিয়ে একজন খেলোয়াড়কে ঠিক কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, তা হয়তো সব সময় আমাদের নজরে আসে না। দক্ষিণ কোরিয়ার অভিজ্ঞ গোলরক্ষক কিম সেউং-গিউর জীবন এখন এমনই এক চরম বাস্তবতার মুখোমুখি। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ও জীবনের শেষ বিশ্বকাপ রাঙানোর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে তিনি এখন ব্যস্ত মেক্সিকোর বেস ক্যাম্পে। কিন্তু এই স্বপ্নের পেছনে তাকে দিতে হয়েছে এক চড়া মূল্য—নিজের প্রথম সন্তান জন্মের অসামান্য মুহূর্তে স্ত্রীর পাশে থাকতে পারেননি তিনি।

বিজ্ঞাপন

ফুটবলারদের জীবনটা বোধ হয় এমনই—এক চরম টানাপোড়েনের গল্প। একদিকে দেশের জার্সিতে বিশ্বমঞ্চের ডাক, অন্যদিকে জীবনের সবচেয়ে মধুর মুহূর্তের হাতছানি। দক্ষিণ কোরিয়ার গোলপোস্টের এই বিশ্বস্ত প্রহরী বেছে নিয়েছেন প্রথমটিই। তার অনুপস্থিতিতেই জন্ম নিয়েছে একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান। অথচ বাবা তখন হাজার মাইল দূরে মেক্সিকোতে, ঘাম ঝরাচ্ছেন অনুশীলনে। পেশাদারত্বের খাতিরে প্রথম সন্তানের কান্নার প্রথম শব্দটাও কিমকে শুনতে হয়েছে মুঠোফোনের ওপার থেকে।

মেক্সিকোতে দলের বেজক্যাম্পে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কিম তার মনের এই গভীর ক্ষত ও অনুশোচনা প্রকাশ করে বলেন, ‘সন্তানের জন্মের সময় আমি স্ত্রীর পাশে থাকতে পারিনি, এর জন্য আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি এখান থেকে (বিশ্বকাপ) দেশের জন্য দারুণ কিছু অর্জন উপহার হিসেবে নিয়ে বাড়ি ফিরতে চাই।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...