ফিফার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্লাতিনির দুই মামলা

স্পোর্টস ডেস্ক

ফিফার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্লাতিনির দুই মামলা

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পর্দা ওঠার বাকি আর মাত্র দুই দিন। বিশ্বজুড়ে যখন ফুটবল উন্মাদনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই বড়সড় এক আইনি ধাক্কা খেলেন ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার বর্তমান সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

বিজ্ঞাপন

২০১৫ সালের একটি পুরোনো দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইনফান্তিনো এবং ফিফার বিরুদ্ধে ফ্রান্সে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করেছেন উয়েফার সাবেক সভাপতি ও ফরাসি ফুটবল কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনি। বিশ্বকাপ শুরুর প্রাক্কালে প্লাতিনির এই জোড়া মামলা ফুটবল বিশ্বে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

৭০ বছর বয়সি মিশেল প্লাতিনি প্যারিসের আদালতে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন। ফৌজদারি মামলায় বর্তমান ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ফিফার সাবেক আইনি পরিচালক মার্কো ভিলিজার এবং সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান দোমেনিকো স্কালার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিদ্বেষমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। আর দেওয়ানি মামলায় সরাসরি ফিফা সংস্থার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। প্লাতিনির দাবি, এক দশকেরও বেশি সময় আগে তার ক্যারিয়ারের যে ক্ষতি করা হয়েছিল, তার জন্য ফিফাকে পূর্ণ আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

ফ্রান্সের হয়ে ১৯৮৪ সালে ইউরোজয়ী কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনির অভিযোগ, এক দশকেরও বেশি সময় আগে ফিফা সভাপতি পদে তার নির্বাচিত হওয়া নিশ্চিত ছিল। কিন্তু সংস্থার ভেতরে একটি প্রভাবশালী মহল অত্যন্ত সুক্ষ্ম কূটকৌশল ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে সেই দৌড় থেকে ছিটকে দেয়। আর এই ষড়যন্ত্রের পথ ধরেই পরবর্তীতে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ফিফার সভাপতি পদে আসীন হন।

এই আইনি লড়াইয়ের সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৫ সালের শেষ দিকে। তৎকালীন ফিফা সভাপতি সেপ ব্ল্যাটার ২০১১ সালে প্লাতিনিকে ২০ লাখ সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ২৫ লাখ ১০ হাজার ডলার) দেওয়ার একটি অনুমোদন দিয়েছিলেন, যা ২০১৫ সালে জনসমক্ষে আসে। এই আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্লাতিনিকে ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়, যার ফলে তার ফিফা সভাপতি হওয়ার স্বপ্ন ভেস্তে যায়।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...