বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করার প্রত্যয় জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ওয়াশিংটনে শপথগ্রহণের পর তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ নেন তিনি। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে ঢাকায় অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।
তিনি আরো বলেন, ‘ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করতে চাই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরো নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আগামী ১২ জানুয়ারি ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
মার্কিন সিনেট গত ডিসেম্বরে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন চূড়ান্ত করে। গত ১৯ ডিসেম্বর লিংকডইনে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজেই সিনেটের অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পোস্টে তিনি জানান, বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের অনুমোদন পেয়ে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। এ মনোনয়নের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এর আগে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে মনোনীত করেন। পরে ৪ অক্টোবর মার্কিন সিনেটের শুনানিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ার সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি বাংলাদেশের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


জামায়াতের রূপকল্পে অগ্রাধিকার তরুণ ও নারীদের প্রত্যাশা
জুলাই শহীদদের নাম-নিশানা মুছে ফেলছে উইকিপিডিয়া