









নানা ইস্যুতে কার্যত দ্বিধাবিভক্ত দেশের আলোচিত সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। কওমি মাদরাসাভিত্তিক এই অরাজনৈতিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরেই নিষ্ক্রিয়। পতিত আওয়ামী লীগ আমলে ব্যাপক দমন-পীড়নের শিকার এ আলেম সমাজের নেতারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশেও ঐক্যবদ্ধ ও

চিকিৎসকদের অনেকে বলছেন, লাশ পাহারা দিয়ে এই চুরি ঠেকানো সম্ভব নয়। সমাধান লুকিয়ে আছে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিএমডিসি যদি ঘোষণা করেÑমেডিকেল পরীক্ষায় ‘আসল হাড়’ ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং এর বদলে থ্রিডি স্টিমুলেশন বা প্লাস্টিক মডেল ব্যবহার হবে, তাহলেই লাশ চুরির এই কোটি টাকার মাফিয়া সিন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে পরিবর্তন ও পালাবদলের হাওয়া বইলেও ব্যতিক্রম চিত্র বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে (বাপাউবো)। প্রতিষ্ঠানটি এখনো ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রভাবশালী নেতাদের দখলে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, অর্থনৈতিক সংকট ও শিক্ষা ব্যয়ের বোঝা অনেক পরিবারকে সাধারণ শিক্ষা থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে, কেউ সন্তানদের মাদরাসায় পাঠাচ্ছেন, কেউ আবার কাজ শেখাচ্ছেন জীবিকা নির্বাহের জন্য।





রিনার কান থেকে খুলে নেওয়া এক জোড়া স্বর্ণের দুল স্থানীয় একটি স্বর্ণের দোকানে ১৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন। পরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে মুঠোফোন বন্ধ করে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান। সেখানে বন্ধুদের সঙ্গে অবস্থান করেন এবং বিক্রি করা স্বর্ণের টাকায় ইয়াবা সেবন করেন।



সভায় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান গুলজার আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ কামাল মোস্তফা চৌধুরী, অশোক কুমার সাহা, ফিরোজুর রহমান, এস এ এমডি হোসেন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ শামসুল আলম, মো. জাহেদুল হক, ফেরদৌস আলী খান, এ কে এম আবদুল আলীম, অসিত কুমার সাহা এবং জাহিদুল আলম।


