‘মাননীয় স্পিকার’ এই সম্বোধনের সঙ্গে পরিচিত নয়, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া ভার। ব্রিটিশ উত্তরাধিকার সূত্রে সংসদীয় রাজনীতির কারণে পাকিস্তান আমলে শব্দটি বহাল থেকেছে। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ব্রিটিশ ও পাকিস্তানের ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের ধারা বিবরণী শোনা যায় সংসদ চলাকালে। ‘মাননীয় স্পিকার’ শব্দটি অসংখ্যবার উচ্চারিত হয়। সভা-সমিতিতে আমরা ‘মাননীয় সভাপতি’ বলি এবং সমবেত সকল পর্যায়ের লোকদের সম্বোধন করি। সংসদীয় রীতিনীতিতে শুধু স্পিকারকে লক্ষ করে কথা বলতে হয়। গুরুত্বের দিক থেকে যদি সম্বোধন করতেই হয়, তাহলে সম্বোধন করতেই বেশ কয়েক মিনিট খরচ হয়ে যায়। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অবশ্য এখন ‘উপস্থিত আছেন’ বলে অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তির নাম উল্লেখ করতে হয়। এ রকম রেওয়াজ থাকলে জাতীয় সংসদের ৩০০ জনের নামই উল্লেখ করতে হবে। যাহোক, আমরা ‘মাননীয় স্পিকার’-এর উৎসমূল, রীতি-রেওয়াজ ও কার্যতত্ত্ব বোঝার চেষ্টা করব এই কলামে।
সংসদীয় শাসনব্যবস্থা আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম পরিণত রূপ, যার মূল ভিত্তি জনগণের প্রতিনিধিত্ব, জবাবদিহিতা ও সাংবিধানিক ক্ষমতার ভারসাম্য। এই ব্যবস্থার উৎপত্তি ও বিকাশ দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে, বিশেষত ব্রিটিশ রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায়। মধ্যযুগে রাজতান্ত্রিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আরোপের দাবিই প্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থার বীজ রোপণ করে। ১২১৫ সালের ম্যাগনা কার্টা রাজাকে আইনের অধীনস্থ করার যে নীতিগত ভিত্তি স্থাপন করে, তা পরবর্তীকালে সংসদীয় গণতন্ত্রের দার্শনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে গভীর প্রভাব ফেলে। ধীরে ধীরে রাজা, অভিজাত শ্রেণি এবং সাধারণ জনগণের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যে পরামর্শমূলক সভার প্রচলন শুরু হয়, তা-ই ক্রমান্বয়ে আধুনিক সংসদে রূপান্তরিত হয়।
সংসদীয় ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর রূপ গড়ে ওঠে যুক্তরাজ্যে। Parliament of the United Kingdom বিশ্বে প্রাচীনতম কার্যকর আইনসভাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত। এই সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট; House of Commons-এ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আইন প্রণয়ন ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন, আর House of Lords ঐতিহ্য, অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় পর্যালোচনামূলক ভূমিকা পালন করে। সময়ের সঙ্গে এই কাঠামো একটি কার্যকর শাসন মডেলে পরিণত হয়, যা পরবর্তী সময়ে উপনিবেশ-উত্তর বহু রাষ্ট্র গ্রহণ করে।
সংসদীয় শাসনব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্য হলো কার্যনির্বাহী বিভাগের সংসদের প্রতি দায়বদ্ধতা। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা সংসদের আস্থা নিয়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন এবং সংসদের আস্থা হারালে সরকারকে পদত্যাগ করতে হয়। রাষ্ট্রপ্রধান সাধারণত সাংবিধানিক বা আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করেন, আর সরকার পরিচালনার বাস্তব ক্ষমতা থাকে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার হাতে। আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ এবং জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিতর্কে সংসদ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। সরকার ও বিরোধী দলের সুস্পষ্ট কাঠামো গণতান্ত্রিক ভারসাম্য রক্ষা করে এবং নীতিগত সমালোচনার মাধ্যমে শাসনব্যবস্থাকে কার্যকর রাখে।
সংসদীয় ব্যবস্থার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো স্পিকার পদ। স্পিকারের উৎপত্তিও ব্রিটিশ সংসদীয় ঐতিহ্যের অংশ। চতুর্দশ শতকে স্পিকার ছিলেন রাজা ও সংসদের মধ্যকার বার্তাবাহক—সংসদের সিদ্ধান্ত রাজাকে অবহিত করাই ছিল তার প্রধান দায়িত্ব। সে সময় এই পদ ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ রাজদরবারে অপ্রীতিকর সংবাদ পৌঁছে দিলে শাস্তির আশঙ্কা থাকত। কিন্তু সাংবিধানিক শাসনের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্পিকারের ভূমিকা পরিবর্তিত হয়ে সংসদের নিরপেক্ষ সভাপতিতে রূপ নেয়।
আধুনিক যুগে ‘Speaker of the House of Commons’ স্পিকার পদের আদর্শ রূপ হিসেবে বিবেচিত। তিনি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর দলীয় পরিচয় থেকে নিজেকে নিরপেক্ষ রাখেন। তার প্রধান দায়িত্ব হলো সংসদের অধিবেশন পরিচালনা, সদস্যদের বক্তব্য প্রদানের সুযোগ নির্ধারণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সংসদীয় বিধি-বিধান প্রয়োগ এবং ভোটাভুটিতে সমতা দেখা দিলে সিদ্ধান্তমূলক ভোট প্রদান। স্পিকার সংসদের মর্যাদা, স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা রক্ষার সাংবিধানিক অভিভাবক হিসেবে কাজ করেন। ব্রিটিশ সংসদের অধিবেশন ঐতিহাসিক Palace of Westminster ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। এটি সংসদীয় ঐতিহ্যের প্রতীক।
স্পিকারের নিরপেক্ষতা সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি মৌলিক নীতি। তিনি সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করেন, বিতর্কে অংশ নেন না এবং সকল সদস্যের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করেন। তার অবস্থান দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে, যা সংসদীয় কার্যক্রমকে বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
ব্রিটিশ মডেলের অনুসরণে বহু দেশে স্পিকার পদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে স্পিকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করেন। ভারতের লোকসভাতেও স্পিকার একই ধরনের দায়িত্ব পালন করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থায় কিছু পার্থক্য রয়েছে; United States House of Representatives-এর স্পিকার তুলনামূলকভাবে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। প্রেসিডেন্সিয়াল শাসনব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ। সার্বিকভাবে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের একটি পরিপক্ব কাঠামো, যেখানে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আইন প্রণয়ন করেন এবং সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখেন। আর স্পিকার এই ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্যের কেন্দ্রবিন্দু—সংসদের শৃঙ্খলা, কার্যকারিতা ও গণতান্ত্রিক মর্যাদা রক্ষায় তার ভূমিকা অপরিহার্য।
বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাস অর্ধশতাব্দী অতিক্রম করেছে। Trial and Error, অর্থাৎ ভুল-ত্রুটির মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ ত্রয়োদশ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। সংসদের কার্যকারিতা যাই থাকুক না কেন, স্পিকার পদটি বহাল থেকেছে। তাবৎ পৃথিবীর সংসদীয় রাজনীতি অনুযায়ী, স্পিকার পদটি সম্মানীয়, স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ। স্বৈরাচারের আমলে এই মর্যাদাপূর্ণ পদটিও হয়েছে বিতর্কিত। ফলে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার পদত্যাগপূর্বক পালিয়ে আছেন। আর ডেপুটি স্পিকার জেলে। ফলে ত্রয়োদশ সংসদের এমপিদের শপথ গ্রহণ নিয়ে বেশ হিমশিম খেতে হয়। অবশেষে বিএনপির সর্বজ্যেষ্ঠ নেতা, প্রবীণ রাজনীতিবিদ খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রথম পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন। তার অভিভাবকত্বেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়। সরকার গঠনের পর কে হবেন ‘স্পিকার’, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা পরিলক্ষিত হয়। বিএনপির শীর্ষ দুজন নেতার নাম শোনা গেলেও অবশেষে চমক দেওয়ার মতো নাম উচ্চারিত হয় আরেকজন প্রবীণ ও প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদের। একসময় তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবল তারকা। সেনাবাহিনীতে থাকাকালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরবর্তী সময়ে তিনি মেজর পদে উন্নীত হন। জিয়াউর রহমানের সহযোদ্ধা হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। বর্তমান সরকার গঠনের পর তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। স্পিকারের দায়িত্ব লাভের মধ্য দিয়ে তিনি তার অতীতের ত্যাগ-তিতিক্ষা ও অবদানের স্বীকৃতি পেলেন। উল্লেখ্য, তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। দীর্ঘ ১৭ বছরে তিনি স্বৈরাচার কর্তৃক জেল-জুলুম ও মামলা-হামলার শিকার হন। স্পিকার পদে বরিত হওয়ার পর তিনি নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। তার সঙ্গে ডেপুটি স্পিকার পদে আসীন বিখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামালও বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘সংসদে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য দল থেকে পদত্যাগ করেছি। বিরোধী দলও সংসদে যথেষ্ট সুযোগ পাবে। স্বৈরাচার হটানোর আন্দোলনে আমরা একই সঙ্গে ছিলাম। তাদের প্রতি আমাদের যথেষ্ট সহনশীলতা রয়েছে। সংসদ পরিচালনায় আমার ভূমিকা হচ্ছে ক্রিকেট খেলায় আম্পায়ারের মতো নিরপেক্ষ।’ গত শুক্রবার সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত এ সরকার মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যগুলো সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার বাস্তবায়ন এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের মাধ্যমে একটি সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করবে বলে বিশ্বাস করি এবং সংসদ হবে তার কেন্দ্রবিন্দু।’
স্পিকার গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলাম এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অধীনে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করার সৌভাগ্য হয়েছে। যুদ্ধে আমি আহত হয়েছিলাম।’ গত ১৭ বছর বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মী, ছাত্র, অভিভাবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এবং স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন, তাদের অবদানও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। স্পিকারের পর জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে স্পিকারের পদটি যেমন মর্যাদাপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। স্পিকার হিসেবে তিনি ব্রিটিশ উত্তরাধিকারের মতো শাসক দল ও বিরোধী দলের মধ্যে সেতুবন্ধ স্বরূপ। যেকোনো ব্যতিক্রমে বা ব্যত্যয় ঘটলে বিরোধী দল স্পিকারের কাছে প্রতিকার প্রার্থনা করে। উভয়কূল রক্ষা করে চলাটা খুবই কঠিন। অতীত ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে, সরকারি দল সবসময় চায় স্পিকার ‘অনুগত’ থাকুক। একটু-আধটু স্বাধীনতা দিতেও তারা নারাজ। আর বিরোধী দল সবসময় অতিরিক্ত সুবিধা ও সময় চায়। সেক্ষেত্রে স্পিকারের পদটি বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণও বটে। ১৯৫৪-উত্তর যুক্তফ্রন্টের সময়কালে ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী উভয় পক্ষের বিরোধের মাঝে শারীরিকভাবে আক্রান্ত হন এবং অবশেষে মৃত্যুবরণ করেন। গণতন্ত্রের জন্য যে অনিবার্য সহনশীলতা, সংযম ও সৌজন্য প্রয়োজন, আমাদের রাজনীতিতে তার অনেক ঘাটতি। আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব জাতীয় সংসদকে তাদের গুণাবলির দ্বারা রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবেন—এই আশা জনগণের। আর ‘মাননীয় স্পিকার’ যথার্থই ন্যায়ানুগতার মাধ্যমে জাতীয় সংসদকে সার্থক করে তুলবেন—এই আশা সংগতভাবেই করা যায়।
লেখক: রাজনীতি বিশ্লেষক
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

