আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা জোরদারে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের ৪৫৯টি উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই হাজার ৭৫৪ জন আনসার সদস্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের সময়ে নির্বাচনি মালামাল সুরক্ষা এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত সেবা ক্রয়ে সম্মতি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছে।
তিন মাসের জন্য নিয়োগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট তিন মাসের জন্য এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে। প্রস্তাবিত ৪৫৯টি উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসের প্রতিটিতে ছয়জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
সম্প্রতি দেশের কয়েকটি স্থানে ইসির মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতামূলক ঘটনার প্রেক্ষিতে এই নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংবেদনশীল নির্বাচনি সরঞ্জাম ও নথিপত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।
নির্বাচনি সূচি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির কার্যক্রম চলছে, যা আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে ইসি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

