আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামা যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন।
সোমবার দুপুরে রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশনের (র্যাক) নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, যেসব প্রার্থীর সম্পদে অসঙ্গতি পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, কোনো প্রার্থীর সম্পদে অসঙ্গতি ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে দুদককে জানাতে। দুদকের নতুন গেজেটে দুর্নীতিবাজরা ছাড় পাবে, এমন কোনো শঙ্কা থাকলে তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য আইনে নির্ধারিত সময়সীমা রয়েছে। ফলে এখন কাজ শুরু করলেও নির্বাচনের আগেই সব তদন্ত শেষ করা সম্ভব হবে, এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। তবে যদি কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রাথমিক প্রমাণ নিয়ে আসে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই দায়িত্ব আমি বরং র্যাকের সদস্যদের দিচ্ছি। আপনারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। সন্দেহ হলে এবং নির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে আমাদের কাছে দিন। আমরা আমাদের আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকেই প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবো।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস নেই, আমাদের অবস্থান এখানেই স্পষ্ট। দুর্নীতি কোনো আপসযোগ্য বিষয় নয়। যদি নতুন আইনে আপসের সুযোগ রাখার কথা বলা হয়ে থাকে, তবুও দুদক তার মৌলিক অবস্থান থেকে সরে আসবে না। প্রয়োজনে এই আইনগত বিষয়গুলো নিয়ে সরকারের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে। তবে দুর্নীতির বিষয়ে কোনো ছাড় বা সমঝোতার প্রশ্ন নেই।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

