রাজধানীর শাহবাগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে পটুয়াখালী ও খুলনা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রেমঘটিত দ্বন্দ্বের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়। হামলায় সাত থেকে আটজন অংশ নেয় এবং তাদের একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে ভাড়া করে ঢাকায় আনা হয়েছিল।
জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ শহীদ মিনারের সিঁড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় কয়েকজন যুবক হঠাৎ এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে হামলাকারীরা। ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজন হামলাকারীদের একজনকে চাপাতিসহ আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন। নিহত রাকিবুল ইসলামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলায়। তার বাবা তারিকুল ইসলাম খোকন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের কর্মচারী। রাকিবুল রাজধানীর বোরহানুদ্দীন পোস্টগ্র্যাজুয়েট কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
রাকিবের লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাকিবের শরীরে অন্তত পাঁচটি গভীর কোপের চিহ্ন এবং পিঠ ও পেটে গুলির ক্ষত রয়েছে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মোটরসাইকেল পার্ক করার পরপরই ওত পেতে থাকা ৫-৬ জন সশস্ত্র হামলাকারী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। রাকিবুল ইসলাম ফেসবুক ও ইউটিউবে ‘রাকিব আহম্মেদ’ নামে কনটেন্ট তৈরি করতেন এবং স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

