আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার
সাক্ষাৎকার

জামায়াতে যোগ দেয়া নিয়ে আমার দেশকে যা বললেন মুফতি আলী হাসান উসামা

জামায়াতে যোগ দেয়া নিয়ে আমার দেশকে যা বললেন মুফতি আলী হাসান উসামা

গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামিতে যোগ দিয়েছেন শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি আলী হাসান উসামা। এর আগে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় উলামা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। জামায়াতে যোগ দেয়া নিয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশের জনপ্রিয় তরুণ এই বক্তার সঙ্গে কথা হয় আমার দেশ অনলাইনের।

মুফতি আলী হাসান উসামা এ সময় বলেন, সমস্ত ইসলামি রাজনৈতিক দলের লক্ষ্যই হলো- আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা। জামায়াতে ইসলামীও এর ব্যতিক্রম নয়। তাদের স্লোগানই হলো- আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই। হ্যাঁ, বিদ্যমান কাঠামোর ভেতরে থেকে একদিনেই আমূল পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু সংস্কারের বীজ বপন করলে একদিন তা বৃহৎ মহীরুহে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

বিজ্ঞাপন

জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের পর দলটির নেতাদের সঙ্গে কোলাকুলি করছেন শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি আলী হাসান উসামা

এদিন বিকেলে ফোনে আমার দেশ অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেন তরুণ এই ইসলামী চিন্তাবিদ। মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, অন্যান্য ইসলামি দলের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর পার্থক্য হলো- কূপের সঙ্গে সমুদ্রের পার্থক্যের মতো। এখানে সব শ্রেণি-পেশার লোক আছে। নেই ব্যক্তিতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র বা অভিজাততন্ত্র। আছে অত্যন্ত সুদৃঢ় সাংগঠনিক কাঠামো। এখানের প্রতিটি মানুষ পারস্পারিক হৃদ্যতা ও ভালোবাসার ক্ষেত্রে যেন সীসাঢালা প্রাচীর। নেই পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ, কামড়াকামড়ি বা গালাগালি। প্রত্যেকেই শাহাদাতের স্বপ্নে উজ্জীবিত, দ্বীন বিজয়ের আদর্শে প্রশিক্ষিত ও নিবেদিত।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন অন্য সংগঠন ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে আমার এই অনুভূতিই হয়েছে- বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতির অঙ্গনে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নাম জামায়াতে ইসলামী। আল্লাহ আমাকে যে জ্ঞান, যোগ্যতা ও প্রতিভা দিয়েছেন, তা এ সংগঠনে কাজে লাগালে ইকামতে দ্বীনের কাজ আরো গতিশীল হবে ইনশাআল্লাহ। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি থাকলে তাও সংস্কার হবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি এখানে এত বৃহৎ পরিসর রয়েছে যে, নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করলেও এক জীবনে কাজ শেষ হনে না।

শাইখুল হাদিস বলেন, যারাই ইকামাতে দ্বীনের জন্য কাজ করে, তাদের সবার জন্যই নিরন্তর শুভকামনা। কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। নিজের খেদমতের পরিসর বিস্তৃত করার জন্য এবং নিষ্ফলা মাঠের কৃষক না হয়ে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সংগঠনের হাত শক্তিশালী করে ইকামাতে দ্বীনের কাজকে গতিশীল করার জন্যই জামায়াতে ইসলামীকে বেছে নেওয়া। হ্যাঁ, দ্বীনের পথ কখনোই মসৃণ ছিল না। তাই এ পথের সব বুলি ও গালি, প্রশংসা ও নিন্দাকেই আমরা উপভোগ করি এবং শোকর ও সবর উভয় পন্থায় রবকে খুশি করার আপ্রাণ চেষ্টা করি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...