আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

হৃদয়ের সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ

স্পোর্টস রিপোর্টার

হৃদয়ের সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ

টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকানোর সুযোগ ছিল তাওহিদ হৃদয়ের সামনে। বিসিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে সেই ধারাবাহিকতা আর ধরে রাখতে পারেননি। ৯৮ বলে ৯৬ রান করে ফেরেন তিনি। তাতে সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপের দিনে ২৩৮ রানে থামে উত্তরাঞ্চলের ইনিংস। তাওহিদ হৃদয়ের নার্ভাস নাইন্টিজে আউট হওয়ার দিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

বিজ্ঞাপন

বিসিএলের ফাইনালে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উত্তরাঞ্চলের শুরুটা ভালো হয়নি। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও তানজিদ তামিম আউট হন দলীয় ৩৪ রানের মাথায়। সোহান ১৭ বলে ৫ ও তানজিদ ২২ বলে ২৩ রানে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। পরে ধাক্কা সামাল দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়। শান্ত ৫১ বলে করেন ৩৫ রান। আর তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ৯৮ বলে ৯৬ রান।

তাওহিদ হৃদয় এক প্রান্ত আগলে রেখে বড় করেছেন নিজের ইনিংস। ৯৮ বলের ইনিংসে হাঁকান ৮ চার ও এক ছক্কা। তার আগলে রাখা ইনিংস চলাকালে বাকি ব্যাটাররা ছিলেন শুধুই যাওয়া-আসার মিছিলে। মেহেরব হাসান ৩৮ বলে ২৮ ও সাব্বির রহমান ৪৩ বলে করেন ২৪ রান। মিরপুরের উইকেট মানিয়ে নিয়ে খেলার কথা বললেও সেই পথে হাঁটতে পারেনি দুদল। তাতে ৪ বল আগে ২৩৮ রানে থামে উত্তরাঞ্চলের ইনিংস।

বাকি ব্যাটারদের সামনে ইনিংস বড় করার সুযোগ থাকলেও সেই পথে হাঁটতে পারেননি। তাদের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল মিরপুরের উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাই কঠিন কাজ। তাতে ব্যর্থ হয়েই রান তুলতে পারেনি উত্তরাঞ্চলের ব্যাটাররা।

মধ্যাঞ্চলের হয়ে বল হাতে দাপট দেখান পেসার রিপন মণ্ডল ও স্পিনার রাকিবুল হাসান। ৯.৩ ওভার বল করা রিপন ৩৮ রান খরচ করে শিকার করেন ৪ উইকেট। আর রাকিবুল হাসান ৪১ রানে নেন দুই উইকেট। এছাড়া ১২ রান খরচায় এক উইকেট শিকার করেন সাইফ হাসান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

উত্তরাঞ্চল : ২৩৮/১০, ৪৯.৩ ওভার (হৃদয় ৯৬, শান্ত ৩৫, রিপন ৪/৪১)।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন