বাংলাদেশের প্রথম নারী ফিফা রেফারি হলেন জয়া চাকমা। এবার দ্বিতীয় নারী ফিফা রেফারি হিসেবে নাম লেখাতে যাচ্ছেন সারাবান তহুরা। ২০২৬ সালে ফিফা রেফারি হচ্ছেন সাবেক এই খো খো খেলোয়াড়। আর সহকারী নারী ফিফা রেফারি হিসেবে নাম লেখাচ্ছেন সালমা আক্তার মনি। তারা দুজনেই ফিটনেস পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছেন। বাংলাদেশ ফিফা রেফারি ও সহকারী রেফারি কোটা একটি করে।
বাফুফের পাঠানো রেফারিদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে ফিফা আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেবে। এরপর দেওয়া হবে ফিফা ব্যাজ। ফিফার সব শর্ত পূরণ করেছেন তহুরা। তার ফিফার রেফারির স্বীকৃতি পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। মূলত খো খো খেলোয়াড় ছিলেন তহুরা। বাংলাদেশ নারী খো খো দলের অধিনায়কও তিনি। ২০২১ সালে রেফারিং শুরু করেন এই খেলোয়াড়। ভুটানে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী টুর্নামেন্টে চারটি দায়িত্ব পালন করেন তিনি। রেফারিংয়ের পাশাপাশি স্কুলে শিক্ষকতা করেন তহুরা।
অন্যদিকে, পুরুষ রেফারি ৪ কোটার বিপরীতে ৮ জন এবং সহকারী ৬ কোটার বিপরীতে ১০ জন ফিটনেস পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ায় রেফারিজ কমিটিকে সভায় বসতে হয়েছে। সহকারী রেফারি নুরুজ্জামান, মনির ঢালী এক যুগেরও বেশি সময় ফিফা পরীক্ষায় পাস করে আসছেন। সহকারী রেফারি ৬ জন নির্বাচন করা খানিকটা সহজ হলেও ৪ রেফারি চূড়ান্ত করতে কঠিন হয়েছে রেফারিজ কমিটির জন্য।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

