প্রথম তিন ওভারে ১১-এর বেশি রান রেটে ব্যাট করেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তিন ওভারে ৩৪ রান তোলায় মনে হচ্ছিল রান পাহাড়ে চড়বে দলটি। তাতে বাধা হয়ে আসেন বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। একা হাতে এক রকম ধসিয়ে দেন নোয়াখালীকে। তাতে মাত্র ১২৮ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। জবাবে ১৮ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রয়্যালস। আজ বন্দরনগরীর দলটির কাছে ৫ উইকেটের হারে নিশ্চিত হয়েছে নোয়াখালীর বিদায়।
১২৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে চট্টগ্রাম রয়্যালস। তাতে মনে হচ্ছিল থামবে চট্টগ্রাম রয়্যালসের জয়রথ। তবে ৫ উইকেট জুটিতে ৪০ রান যোগ করে সেই ধাক্কা খানিকটা সামাল দেন হাসান নাওয়াজ ও অধিনায়ক শেখ মাহেদি। হাসান নাওয়াজ ১৪ বলে ১১ রান করে ফিরলে ভাঙে এ জুটি। তার বিদায়ের পরও মনে হচ্ছিল চট্টগ্রাম হয়তো হেরে বসতে পারে এ ম্যাচ।
কিন্তু তখনই দলের ত্রাণকর্তা অধিনায়ক শেখ মাহেদি ও সাতে নামা আসিফ আলী। খানিকটা দেখেশুনে শুরু করেন খেলা। শেখ মাহেদি ৩৬ বলে খেলেন ৪৯ রানের অপরাজিত ইনিংস। আর আসিফ আলী অপরাজিত ছিলেন ৩০ বলে ৩৬ রান করে। তাতে ১৮ বল আগে নিশ্চিত করে জয়।
এর আগে হাসান ঈসাখিল ও সৌম্য সরকারের ব্যাটে বড় সংগ্রহের আশা দেখায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। হাসান ২০ বলে করেন ২৫ রান। এছাড়া জাকের আলীর ব্যাটে আসে ২২ বলে ২৩ রান। শেষ দিকে সাব্বির হোসেন ১৯ বলে করেন ২২ রান। তাতেই মূলত ১২৬ রানের সংগ্রহ পায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। চট্টগ্রামের হয়ে ৯ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন শরিফুল ইসলাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ১২৬/১০, ১৯.৫ ওভার (ঈসাখিল ২৫, সাব্বির ২২, শরিফুল ৫/৯)
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১২৮/৫, ১৭ ওভার (মাহেদি ৪৯, আসিফ ৩৬, ইহসানউল্লাহ ২/২৩)
ফল: চট্টগ্রাম রয়্যালস ৫ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: শরিফুল ইসলাম।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

