মাদকবিরোধী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক মাদক পাচারে ভেনেজুয়েলার ভূমিকা তুলনামূলকভাবে ছোট। দেশটি মূলত একটি ট্রানজিট পয়েন্ট, যার মাধ্যমে অন্যত্র উৎপাদিত মাদক চোরাচালান হয়।
এর প্রতিবেশী কলম্বিয়া বিশ্বের বৃহত্তম কোকেন উৎপাদক, তবে এর বেশির ভাগই অন্য পথে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছায়, ভেনেজুয়েলার মাধ্যমে নয়।
মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ডিইএ) ২০২০ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানো কোকেনের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ প্রশান্ত মহাসাগরীয় পথে আসে আর ক্যারিবিয়ান দিয়ে আসে খুব সামান্য অংশ।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক হামলাগুলো ক্যারিবিয়ানে চালানো হয়েছিল, সাম্প্রতিক হামলাগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে কেন্দ্রীভূত হয়েছে।
সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প মার্কিন সামরিক নেতাদের বলেছেন, লক্ষ্যবস্তু করা নৌকাগুলোতে ‘সাদা গুঁড়োর ব্যাগ স্তূপ করে রাখা হয়েছে, যা মূলত ফেন্টানিল এবং অন্যান্য মাদক’।
ফেন্টানিল একটি সিনথেটিক মাদক, যা হেরোইনের চেয়ে ৫০ গুণ বেশি শক্তিশালী এবং যুক্তরাষ্ট্রে ওপিওয়েড অতিরিক্ত সেবনে মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে।
১৫ ডিসেম্বর ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে ফেন্টানিলকে ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং যুক্তি দিয়ে বলেছেন, এটি ‘একটি নারকোটিকের চেয়ে রাসায়নিক অস্ত্রের কাছাকাছি’।
তবে ফেন্টানিল মূলত মেক্সিকোতে উৎপাদিত হয় এবং প্রায় একচেটিয়াভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছায় স্থলপথে দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে।
ডিইএর ২০২৫ সালের ন্যাশনাল ড্রাগ থ্রেট অ্যাসেসমেন্টে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হওয়া ফেন্টানিলের উৎস হিসেবে ভেনেজুয়েলার নাম উল্লেখ করা হয়নি।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
আরএ/এসআই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৪০
নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের বন্দিশিবিরে মাদুরো