উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির পরমাণু বাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার লক্ষ্যে একটি ‘অত্যাধুনিক’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ পরীক্ষা সরাসরি তদারকি করেছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।
কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, সাম্প্রতিক এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বর্তমান আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, সপ্তাহান্তে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ঘটনাও এই প্রেক্ষাপটের অংশ।
এর আগে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান রোববার জানায়, তারা পিয়ংইয়ংয়ের কাছাকাছি এলাকা থেকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছে। চলতি বছরে এটিই উত্তর কোরিয়ার প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বলে জানানো হয়। এ ঘটনা ঘটে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের বেইজিং সফরের কয়েক ঘণ্টা আগে।
লি জে মিয়ং বলেন, তার চীন সফরের মাধ্যমে বেইজিংকে উত্তর কোরিয়ার ওপর প্রভাব খাটাতে উৎসাহিত করার আশা করছেন তিনি, যাতে সিউল ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়।
কেসিএনএর প্রতিবেদনে কিম জং উনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা প্রমাণ করেছে যে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু বাহিনী বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য কতটা প্রস্তুত। তার ভাষায়, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এমন প্রস্তুতি এখন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
কিম আরো বলেন, “আমাদের পরমাণু বাহিনীকে বাস্তবভিত্তিক পর্যায়ে উন্নীত করা এবং প্রকৃত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।” তিনি যোগ করেন-- এসব কার্যক্রম ধাপে ধাপে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ সক্ষমতাকে আরো উন্নত পর্যায়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।
এসআর/এসআই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

