মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ শুক্রবার দেশের প্রধান তেল কোম্পানিগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কোম্পানিগুলোর সমর্থন আদায় করা। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
ট্রাম্প আশা করছেন, আগামী কয়েক বছরে ভেনেজুয়েলার জ্বালানিসম্পদ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন। ৩ জানুয়ারি এক ঝটিকা সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে। ট্রাম্প এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য স্পষ্ট করেছেন—ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট জানান, “এই মুহূর্তে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষের ওপর ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ মাত্রার প্রভাব রয়েছে।” ট্রাম্প প্রশাসন বারবার দাবি করেছে যে তারা দেশটির তেলশিল্পকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে। বুধবার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, “ওয়াশিংটন দেশটির তেলশিল্পকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিয়ন্ত্রণ করবে।”
তবে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, তার সরকার এখনো ক্ষমতায় রয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি কেবল তেল বিক্রির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছে।
এনবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বৈঠকে এক্সন মবিল, শেভরন ও কনোকোফিলিপসের প্রধানেরা উপস্থিত থাকবেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লিভিট জানান, “এটি মূলত আলোচনামূলক বৈঠক, যেখানে তেল কোম্পানিগুলোর জন্য বর্তমানে যে বিশাল সুযোগ রয়েছে, তা নিয়ে কথা হবে।”
বর্তমানে শেভরনই একমাত্র মার্কিন কোম্পানি, যা ভেনেজুয়েলায় কার্যক্রম চালানোর লাইসেন্সপ্রাপ্ত। এক্সন মবিল ও কনোকোফিলিপস ২০০৭ সালে দেশটি ত্যাগ করে, কারণ তারা তখনকার প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজের দাবি মেনে স্থানীয় কার্যক্রমের বেশির ভাগ মালিকানা সরকারের কাছে হস্তান্তরের শর্ত মানতে অস্বীকার করেছিল।
এসআর/এসআই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

