নেপালে মসজিদ ভাংচুরকে কেন্দ্র করে হিন্দু-মুসলিম সহিংসতার জেরে ভারত সীমান্তবর্তী পারসা জেলার বীরগঞ্জ এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার পারসা জেলা প্রশাসন কারফিউ জারি করে। এক বিবৃতিতে বলা হয়, কারফিউ চলাকালে কেউ রাস্তায় বের হতে পারবে না এবং সকল জমায়েত ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকবে। খবর বার্তা সংস্থা এপির।
বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়, কারফিউ লঙ্ঘনকারীদের নিরাপত্তা বাহিনী গুলি করতে পারবে।
রাজধানী কাঠমাণ্ডু থেকে ১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বীরগঞ্জের রাস্তায় সশস্ত্র সেনা ও পুলিশ টহল দিচ্ছেন। বীরগঞ্জে প্রতিবেশী ভারত থেকে তেল এবং পণ্য আমদানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্ট।
রোববার নিকটবর্তী একটি শহরে মসজিদ ভাঙচুরের বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায় বীরগঞ্জে বিক্ষোভ শুরু করে। একই দিনে বিক্ষোভে নামে হিন্দুরাও।
পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ব্যবহার করে। পাশাপাশি বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বীরগঞ্জে চলমান উত্তেজনার কারণে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং নেপাল সীমান্ত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে।
দেশটির ধানুশা জেলার কামালা পৌরসভায় হায়দার আনসারি ও আমানত আনসারি নামে দুই মুসলিম ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
স্থানীয়রা পরে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তাদের দাবি, ভিডিওটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি তৈরি করেছে। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই কামালার সাখুয়া মারান এলাকায় একটি মসজিদে ভাঙচুর করা হয়; যা উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে তোলে এবং হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।
বিক্ষোভকারীরা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর নিক্ষেপ ও স্থানীয় থানায় ভাঙচুর চালান। পুলিশ বলেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।
নেপালে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষ বিরল। হিন্দু অধ্যুষিত নেপালে বেশিরভাগ মুসলিম দক্ষিণ সীমান্ত অঞ্চলে বাস করে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ভেনেজুয়েলায় ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ফিলিপাইন
গ্রিনল্যান্ডে সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিত ট্রাম্পের