আল মাহমুদ

পৃথিবীতে কম জাতিই আছে যাদের বছরের শুরু হয় দুর্যোগের ঘনঘটা দিয়ে। প্রবল বাতাস, ঘূর্ণিঝড়, মেঘের কালো বিশাল স্তম্ভ যেন উবুড় হয়ে নেমে আসে বৈশাখের শুরুতেই বাংলাদেশের ওপর। সবকিছু তছনছ করে ঝরা পাতার ঘূর্ণি তুলে গাছের শিকড় মুচড়ে ভেঙে শুরু হয় আমাদের জাতির নববর্ষের উদ্যোগ। অথচ বাংলাদেশকে এমনিতেই একটা

পৃথিবীর সবচেয়ে খুদে পাখি সম্ভবত টুনটুনি। পাখিটি আকারে ক্ষুদ্র, কিন্তু তার বুদ্ধি ও প্রকৃতির দেওয়া সাহস তাকে গৌরবান্বিত করেছে। বৃষ্টির শব্দে ডাকে এবং ফুড়ুৎ করে উড়াল দিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে বসে ডাকতে থাকে। পাখিটির স্বভাব তাকে সুন্দর করেছে। সে দুটি গাছের পাতা জোড়া দিয়ে তার ভেতরে বাসা বানায়।