প্রতিনিধি, পবিপ্রবি

অভিযোগ অনুযায়ী, উপ-উপাচার্য হওয়ার প্রাক্কালে তিনি গুগল স্কলারে নিজের প্রোফাইলে অন্য গবেষকদের প্রবন্ধ যুক্ত করেছিলেন। ফলে তার সাইটেশন সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে প্রায় দুই হাজারে পৌঁছায়। পরে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগের পর তার পূর্বের প্রোফাইলটি গুগল স্কলার থেকে মুছে যায় এবং বর্তমানে বিদ্যমান প্রোফাইলে মাত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ‘ক্লাইম্বিং দ্য ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস : স্ট্র্যাটেজিস অ্যান্ড রোডম্যাপ’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তিন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ।

পবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে আলোচনা করলে তিনি বলেন, " অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়ে যায় তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও হবে।" তবে এ বিষয়ে পরবর্তীতে তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ছাত্র পরিচালকের দায়িত্ব না পেয়ে ইস্তফা দিয়েই ক্ষান্ত ছিলেন না সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তবে গতকাল শনিবার বিষয়টি নিয়ে ‘পবিপ্রবি শিক্ষক সাইফুলের ক্যাডারগিরি’ শিরোনামে আমার দেশ-এ সংবাদ প্রকাশ হলে তিনি পিছু হটেন। এতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হলেও সংশ্লি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষকদের এমন দখলদারি মনোভাব আমাদের ভাবাচ্ছে। শিক্ষা ও গবেষণার অগ্রগতির দিকে লক্ষ না রেখে পদ দখলের প্রতিযোগিতা দুঃখজনক। সাবেক শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, জুলাই বিপ্লবপরবর্তী বাংলাদেশে এমন আগ্রাসন চরম হতাশাজনক।

ড. রমন কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী শ্রাবন্তী বিশ্বাস অভিযোগ করেন, ‘২০১১ সালে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে আমাদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পরই তিনি গোপনে আরেক নারীকে বিয়ে করেন। পরবর্তী সময়ে আরও দুটি বিয়ে করেন। ছাত্রীসহ একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন মৎস্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম দ্রুত বাস্তবায়ন এবং নতুন সৃষ্ট পদে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের কনফারেন্স কক্ষে বিকালে এই কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এদিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ সেমিনার কক্ষে এই প্রতিযোগিতায় ইউনিট ছাত্রদলের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন অনুষদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। রচনার শিরোনাম ছিল ‘বাংলাদেশ বিনির্মাণে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’।

ভাইস চ্যান্সেলর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, "বিদেশি শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই সেল চালু করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এই সেল গঠন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।"