
মাসুম বিল্লাহ Daily Amar Desh-এর Senior Sub Editor। তিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সামাজিক আন্দোলন, সমসাময়িক বৈশ্বিক সংকট এবং মানবিক বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা প্রকাশ করেন। তার লেখায় রাজনৈতিক বাস্তবতা, সমাজের পরিবর্তন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন দেখা যায়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি কার্গো জাহাজ আটক করলে নতুন এ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। নিজেদের জাহাজ আটকের পর মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় বহুল প্রত্যাশিত এ বৈঠক সেরেনা হোটেলে শুরু হয়। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর দুদেশের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা এবং ইরানের পাল্টা হামলার ৩৯ দিন পর বাংলাদেশ সময় গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় তেহরান ও ওয়াশিংটন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই যুদ্ধবিরতির অন্যতম লক্ষ্য ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে

দানবীয় সামরিক শক্তির অধিকারী ইসরাইল ও তার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আমেরিকা ৪১ দিন আগে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর অসম ও অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল। শক্তিমত্তায় ইরান বেশ পিছিয়ে থাকলেও ভড়কে যায়নি। সাহসের সঙ্গে লড়াই করেছে দুই আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে।

ইরানে মার্কিন ও ইসরাইলি আগ্রাসনের এক মাস পার হয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ইরানে হামলা চালায়। একই দিন ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রায় সব স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। পাশাপাশি ইসরাইলেও নিয়মিত হামলা চালানো হচ্ছে। সর্বোচ্চ নেতাকে হারানোর পর থেকে দেশটির হামলা বন্ধ করার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরান দীর্ঘ

ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনন্তকাল ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাতে সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনন্তকাল যুদ্ধ করার মতো অস্ত্রের মজুত রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে

যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে তরুণ সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা জীবন বাজি রেখে সব সময়ই সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে কাজ করেন। অনেকে মৃত্যুবরণ করেন, অনেকে হন আহত। বেশিরভাগ আন্দোলন সফল হয় তরুণদের প্রাণের বিনিময়ে। বতর্মান বিশ্বে ‘জেনারেশন-জেড’ বা জেন-জি বিক্ষোভ অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।