জসীমউদ্দিন, সুনামগঞ্জ

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গাজীপুরের রাজপথও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। গত বছরের ৪ আগস্ট ছিল আরো বিভীষিকাময়। ছাত্র-জনতার মিছিল দমাতে নির্বিচার গুলি চালায় পুলিশ। রাস্তাজুড়ে ছিল লাশের সারি।

সোহাগ তখন ছোট ভাই আয়াতুল্লাহকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তিনি হারিয়ে ফেলেন তাকে। পরে ১৬ আগস্ট, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় শহীদ আয়াতুল্লাহর নিথর দেহ।

২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদ পতনের গণআন্দোলনে রাস্তায় নেমেছিলেন দেশের ছাত্র-জনতা। বিক্ষোভ মিছিলে রাজপথ যখন উত্তাল তখন স্লোগানে বারুদ হয়ে ফুটেছিলেন মো. সামিরুল।