জালাল উদ্দিন মনির, (নবীনগর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গড়া ১১ দলের জোটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৫ (নবীনগর) আসনে কে হচ্ছেন চূড়ান্ত প্রার্থী?। এ নিয়ে সামাজিকমাধ্যমসহ নবীনগরের হাট বাজারে, মাঠে-ঘাটে ছড়িয়ে পড়েছে কৌতূহল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৫ (নবীনগর) আসনে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত গণ অধিকার পরিষদের জনসভা এখনো আলোচনার রেশ কাটেনি। এ আসনে ট্রাক প্রতীকে ভিপি নুরের দলীয় প্রার্থী হলেন নজরুল ইসলাম নজু।

প্রাথমিকভাবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন নবীনগর উপজেলার বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান। তার মনোনয়ন গ্রহণ করে নিতে পারেনি বঞ্চিত ১১ প্রার্থী। এরপর থেকেই শুরু হয় নিজেদের অস্তিত্ব, দাপুটে অবস্থান জানিয়ে দেয়ার প্রতিযোগিতা। আর এ প্রতিযোগিতা ঘিরে প্রকাশ্যে আসে পাল্টাপাল্টি শোডাউন ও মহড়া। এর ফলে চরম বিপাক

বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। আজ থেকে প্রায় ১২৯ বছর আগে নবীনগর আদালতের তৎকালীন আইনজীবী আব্দুস সোবান মিয়া বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে শতাব্দীকাল ধরে স্থানীয় জনগণের মধ্যে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দপ্তরির দায়িত্বও পালন করতে হয় একজন প্রধান শিক্ষককে। তিনি উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের ১৫৫ নং কালিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিন্টু মিয়া। একইসাথে ক্লাস করছেন পাশাপাশি দপ্তরির এ দায়িত্বও পালন করছেন।

সকাল সাড়ে দশটার দিকে ডাক্তারের চেম্বারের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন নবীনগর ও পার্শ্ববর্তী রায়পুরা উপজেলা থেকে আসা শতশত রোগী। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে চিকিৎসা শেষে হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে সরকারি ওষুধ না পেয়ে হতাশ হয়ে চলে যাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ডাক্তারের চিকিৎসাপত্র নিয়ে বাজারের বিভিন্ন ফার্মেসিতে ছুটছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্ববৃহৎ নবীনগর উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসন। আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করা না হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামী ও খেলাফত মজলিস তাদের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে

সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত লোকমান হোসেন। সড়কের বক্সকাটিং করে ১১ মাস ধরে ফেলে রেখেছেন। তার স্বেচ্ছাচারিতা ও গাফিলতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।

তার প্রথম নির্বাচন ছিলো ১৯৮৬ সালের ৭ মে। এর দুই বছর আবার অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন। আসে ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ। এরপর আসে ১৯৯১ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি। এ তিন নির্বাচনেই তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী। তিনবারেই লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরাজিত করেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল কুদ্দুস মাখন

২০১৭ সালে তার মৃত্যুর পর ছেলে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস দলের হাল ধরেন। ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়নে এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

একমাত্র ছেলে সন্তানের এমন মৃত্যুতে পাগলপ্রায় সুজনের মা। তিনি বলেন, কত স্বপ্ন ছিল, আমার সুজয় পরিবারের হাল ধরবে, বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমন হৃদয়বিদারক হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করেন তার স্বজনরা।