বিউটি হাসু

হাজার শব্দের চেয়েও একটি ছবি শক্তিশালী। একজন শিল্পীর বড় হাতিয়ায় রঙ আর তুলি। শিল্পী স্বপ্ন আঁকেন রঙ-তুলি দিয়ে। একজন শিল্পী রঙ-তুলি দিয়েই তার মনের অব্যক্ত কথা, দেশপ্রেম, আনন্দ-বেদনা, প্রেম-ভালোবাসা ও ঘৃণা প্রকাশ করেন। তুলির আঁচড়ে জীবন্ত করে তোলেন পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও ঘটনা এবং ফুটিয়ে তোলেন জীবনের

শরৎ মানেই নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। শরৎ মানেই কাশফুলের শুভ্রতা—মাঠজুড়ে কাশফুলের বাতাসে ঢেউ খেলানো নৃত্য। শরৎ এলেই মন হারিয়ে যেতে চায় কাশবনে। বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিতে শরতের আগমন আমাদের মুগ্ধ করে, করে বিমোহিত। এজন্যই শরৎ ‘ঋতুর রানি’।

স্বপ্নই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। স্বপ্নের পূর্ণতা বা সার্থকতা মানুষকে করে অমর, চিরজীবী। তাই তো স্বপ্ন দেখা চাই—আকাশের সমান, আকাশের মতো বিশাল। সমস্ত প্রতিকূলতাকে অগ্রাহ্য করে এবং রক্ষণশীলতার বেড়াজাল ভেঙে আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এক স্বপ্নদ্রষ্টা নারী।

মানুষের জীবন অমূল্য সম্পদ। কারণ মানুষ একবারই এ পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে। আর মৃত্যুতেই জীবনের পরিসমাপ্তি। তাই মানুষ শত কষ্টে শত দুঃখেও অসংখ্যবার নিজের দীর্ঘায়ু কামনা করে। তাই তো কবির কণ্ঠেও ধ্বনিত হয়েছিল—

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। আমাদের দেশে সারা বছরই গাছ বা বৃক্ষরোপণ করা যায়। তবে গাছ লাগানোর সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বর্ষা ও শরৎকাল। আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন—এই চার মাস গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়।

জীবনযুদ্ধে হার না মানা এক নিভৃতচারী যোদ্ধার নাম মাহমুদা বেগম। অপরাজিতা এই নারী আপন দ্যুতিতে উদ্ভাসিত। কর্মজীবনে তিনি মহান পেশা শিক্ষকতা বেছে নিয়েছিলেন। মাহমুদা বেগম ছিলেন মানুষ গড়ার কারিগর।

‘মা’ একটিমাত্র অক্ষর, একটি বর্ণ, একটি শব্দ; কিন্তু ‘মা’ মানে একটি পুরো পৃথিবী, সারা বিশ্ব। কেননা জন্মের আগে একটি শিশুর বসবাস, বেড়ে ওঠা—সে তো মায়ের জঠরেই।

ছবি কথা বলে। হাজার শব্দের চেয়েও একটি ছবি শক্তিশালী। একজন শিল্পী রঙতুলি দিয়েই মনের অব্যক্ত কথা, আনন্দ-বেদনা, দেশপ্রেম, ভালোবাসা-ঘৃণা সব প্রকাশ করেন। তুলির আঁচড়েই শিল্পী তার পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও ঘটনা জীবন্ত করে তোলেন। শিল্পীর বড় হাতিয়ার রঙ-তুলি। শিল্পী স্বপ্ন আঁকেন রঙ-তুলি দিয়ে; জীবনের প্রতিচ্ছবি

কুয়াশার চাদরে মোড়ানো শীতের সকাল। কুয়াশা দূরে ঠেলে পূর্বাকাশে মিষ্টি করে হেসে ওঠে সোনালি সূর্য। সেই হাসির উষ্ণতায় সবুজ পাতার আড়াল সরিয়ে সূর্যমুখী ফুলেরাও হেসে ওঠে। সতেজ দীপ্ত হাসিতে বিলিয়ে দেয় অপার মুগ্ধতা। শীতের হিমেল হাওয়ার পরশে আনন্দে হেলেদুলে প্রকৃতিপ্রেমী দর্শনার্থীদের চারপাশের প্রাকৃতিক

ফুল ভালোবাসে না— এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আবার তাও যদি হয় ফুলের রানি গোলাপ। গোলাপের মিষ্টি সুবাস ও মোহনীয় সৌন্দর্য সবাইকে আকৃষ্ট করে। সৌন্দর্যপিয়াসীদের করে মুগ্ধ।

আমাদের সবারই শিকড় গ্রামে। অনেকেরই শৈশব কেটেছে সবুজের সমারোহে। চারপাশের সবুজময় বিচিত্র গাছপালার ছায়ায়, মায়ায়, সজীবতায় সরস সময় কেটেছে। বুনো ফুলের বর্ণাঢ্য রূপ আর গন্ধের মাদকতায় বাধা পড়ে আছে আমাদের সোনালি অতীত। শহুরে যাপিত জীবনের নানান টানাপড়েনে দীর্ঘদিন সেই সবুজকে নিবিড়ভাবে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ হয় না।

শীতের অলস সকালে সুরেলা পাখির মিষ্টি গানে সবার ঘুম ভাঙে। আমাদের দেশের মানুষ ঘুম থেকে আড়মোড়া ভেঙে জেগে ওঠে পাখির ডাকে। আবার দিনের শেষে সন্ধ্যাও নামে পাখির কলকাকলিতে। বিদায়ি সূর্য যখন রক্তিম আভা ছড়িয়ে পশ্চিমাকাশে মিলিয়ে যায়...।

প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, কিছু অর্জন-বর্জন ও নানা ঘটনার মধ্যে ২০২৪ সাল শেষ হয়েছে। কালের সাক্ষী করে রেখে গেছে তার ত্যাগ, ব্যর্থতা এবং অর্জিত সাফল্যের নানা গল্প ও কর্মফল। অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে নতুন বছর ২০২৫ শুরু হয়েছে। সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও নতুনের রেশ এখনও কাটেনি।

সমুদ্রের শুভ্র সফেন প্রমোদহাস্য রূপ মনকে করে প্রসন্ন। উত্তাল ঢেউয়ের শীতল স্পর্শ তপ্ত মন ভিজিয়ে দেয়। দিনশেষে বিকেলের অস্তমিত সূর্যের রক্তিম আভা মনকে করে বিমোহিত। সবুজ কার্পেটে মোড়ানো পাহাড়ের শান্ত রূপ মনে শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়। এ সুযোগটি শুধু মেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সৈকতে।