আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

সারা দেশে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আমার দেশ অনলাইন

সারা দেশে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

দেশের বিভিন্ন স্থানে শত শত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) উপজেলা প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের ১২৪ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৮ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব কেন্দ্রের মধ্যে কয়েকটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ভোটকেন্দ্রকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে সীতাকুণ্ড উপজেলার সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ যৌথবাহিনী সদস্যরা।

বিজ্ঞাপন

নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনে ৫৬২টি ভোটকেন্দ্রে এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ২৬৪টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে সব কেন্দ্রেই সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, নীলফামারীর চারটি আসনের ৫৬২টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র রয়েছে ২৬৪টি। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৭১টি ও গুরুত্বপূর্ণ ১৯৩টি কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি জানান, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে উপজেলার ৫১টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণের মধ্যে এবং ৩৮টি কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেটু কুমার বড়ুয়া জানান, নির্বাচনে ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন এবং ভোটের আগে ও পরে সকল প্রকার নির্বাচনি সহিংসতা প্রতিরোধে পুরো উপজেলায় নিরাপত্তার কাজে থাকবে তিন প্লাটুন সেনাবাহিনী, দুই প্লাটুন বিজিবি, এক প্লাটুন র‍্যাব এবং ২৯৮ জন পুলিশ ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। এছাড়া পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তিনজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকবেন। ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে কাজ করবেন ১২৪ জন, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ৭৩৭ জন ও পোলিং এজেন্ট থাকবেন ১৪৭৪ জন।

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি জানান, বরগুনা-২ আসনের বেতাগী উপজেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বেতাগী উপজেলার ৪২টি কেন্দ্রের ১২টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববর্তী নির্বাচনি অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রভিত্তিক পরিবেশ বিশ্লেষণ করে এসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে। বেতাগী থানার ওসি মো. জুয়েল ইসলাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোবাইল টিম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তৎপরতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহ. সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নৌবাহিনী ও বিজিবি টহল জোরদার করা হয়েছে।’

তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৩ আসনের তজুমদ্দিন উপজেলার মোট ৩৬ কেন্দ্রের সবগুলোই দেখানো হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে। এর মধ্যে ৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে অধিক ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায়। জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্র থেকে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার তজুমদ্দিন এবং লালমোহন মিলে ভোলা-৩ আসন গঠিত। এ আসনের তজুমদ্দিন উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৮০৪ জন এবং মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৩৬টি। তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এই উপজেলাটির তিন সীমান্তে অন্য দুটি উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ এবং সহিংস পরিস্থিতি ঘটার আশঙ্কার কারণ এবং দুটি ইউনিয়ন বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে থাকায় দুর্গম দেখিয়ে এ উপজেলার সব ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আবু বকর ছিদ্দিক ‘আমার দেশ’-কে জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে মনিটরিংয়ে রাখা হয়েছে।

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, ত্রয়োদশ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনে ৯২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ। এ আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ৯২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪২টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এর মধ্যে ৯টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। উপজেলার সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কেন্দ্র নং-১০ মইলাকান্দা ইউনিয়নের নওপাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেন্দ্র নং-৩০ সিধলা ইউনিয়নের মনাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেন্দ্র নং-৩২ অচিন্তপুর ইউনিয়নের শাহগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কেন্দ্র নং-৪৫ বোকাইনগর ইউনিয়নের বেতান্দর উচ্চ বিদ্যালয়, কেন্দ্র নং-৫৪ রামগোপালপুর ইউনিয়নের ধূরুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেন্দ্র নং-৬৫ মাওহা ইউনিয়নের চল্লিশা কড়েহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেন্দ্র নং-৬৮ সহনাটি ইউনিয়নের ভালুকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কেন্দ্র নং-৭৯ ডৌহাখলা ইউনিয়নের কলতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কেন্দ্র নং-৯১ ভাংনামারি ইউনিয়নের কাশিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া আমিন পাপ্পা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় প্রশাসনের নিযুক্ত একজন বডিওর্ন ক্যামেরাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। এছাড়া ৯২টি কেন্দ্রের বিপরীতে একজন পুলিশের এসআই সমমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নিরাপত্তা বাহিনীর ৯টি মোবাইল টিম ও সাতজন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সক্রিয় দায়িত্ব পালন করবেন।

মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি জানান, জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ৬২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪২টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। ঝুঁকিপূর্ণ এসব কেন্দ্রসহ সব ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। জামালপুর-৩ (মাদারগঞ্জ-মেলান্দহ) আসনে মোট ১৫৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে মাদারগঞ্জে ৬২টি এবং মেলান্দহে ৯২টি। প্রশাসনের তথ্যমতে, মাদারগঞ্জের ৪২টি ও মেলান্দহের ২০টিসহ মোট ৬২টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। মাদারগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে দূরবর্তী অবস্থান ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে সিধুলী ও জোড়খালী ইউনিয়নের সব ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মাদারগঞ্জ মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের পোশাক বা ইউনিফর্মে লাইভ বডি ওর্ন ক্যামেরা সংযুক্ত থাকবে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের ইউনিফর্মেও বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি জানান, নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মোট ৮২টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৫৫টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। দায়িত্ব পালন করবে সেনাবাহিনীর ১২০ জন সদস্য, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩০ জন, ব্যাটালিয়ন আনসারের ২০ জন সদস্য এবং র‍্যাবের দুটি টিম। এছাড়া মাঠপর্যায়ে পুলিশের ১১টি মোবাইল টিম ও একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে। নির্বাচনকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য দায়িত্ব পালন করবেন চারজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি জানান, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে নিরাপত্তার চাদরে বেষ্টিত রাখবে ১১৮টি ভোটকেন্দ্র। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা দ্বারা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত। সার্বিক নিরাপত্তায় থাকবে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। ৩ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ জন ভোটার ১১৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৭৩টি বুথে তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন। এরই মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ৬৫১ জন নারীসহ মোট ৯ হাজার ৩৬৭ জন প্রবাসী ও সরকারি চাকরিজীবী ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তথ্যসূত্র অনুযায়ী, উপজেলার ৫১টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩৮টি কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি জানান, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ৭৮ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৫টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি ও সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ ২৬টি ভোটকেন্দ্র। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার ৫৫২ জন। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ৭৮টি ভোটকেন্দ্রে ৪১৯টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণ হবে। কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন