অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

০৪: ৪৯

বিদায়...আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের সাথে তাদের ফাইনালে ওঠার সুখস্মৃতি সঙ্গে নিয়ে শেষ হলো দৈনিক আমার দেশ-এর লাইভ আপডেট। ফের দেখা হবে বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণে। পোস্ট ম্যাচের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমার দেশ-এর অনলাইন ভার্সনে।

০৪: ৪৯

আরেকটা পরিসংখ্যান▪️ফুটবল ইতিহাসে তিনটা বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা একমাত্র ফুটবলার এতোদিন ছিলেন ব্রাজিলের কাফু (১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২)। এবার তার পাশে ভাগ বসালেন লিওনেল মেসি (২০১৪, ২০২২, ২০২৬)।সংযুক্তি: পেলে ১৯৫৮ আর ১৯৭০ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও ১৯৬২ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে পারেননি ইনজুরির জন্য। তাই এই তালিকায় পেলে নেই।

০৪: ৪৯

ছবিতে আর্জেন্টিনার ‘সুখ-আনন্দ’

6a58018bbf675ddeff3c3db7

6a5801acbf675ddeff3c3dba

6a5801c1bf675ddeff3c3dbd

6a5808805c8198dbc9526c4d

০৩: ৪৭

পরিসংখ্যানের পাতা থেকে...আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ইংল্যান্ড। এই হারের পর ম্যাচটিকে ঘিরে উঠে এসেছে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান—▪️এই ম্যাচে ইংল্যান্ড মোট ৫টি শট নিয়েছে, যা গত ৬০ বছরে বিশ্বকাপে তাদের কোনো ম্যাচে সর্বনিম্ন শটের রেকর্ড।▪️বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এটি ছিল ইংল্যান্ডের চতুর্থ উপস্থিতি। এর মধ্যে তিনবারই হেরে বিদায় নিতে হয়েছে থ্রি লায়ন্সদের। একমাত্র ১৯৬৬ সালে তারা সেমিফাইনাল জিতে শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।▪️লিওনেল মেসি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১০টি অ্যাসিস্ট করে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন। অন্য যেকোনো ফুটবলারের চেয়ে যা ছয়টি বেশি। নকআউটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট ৪টি।▪️আগামী রোববারের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন এবং দক্ষিণ আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম এমন একটি ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

০৩: ৪২

ছবিতে ইংল্যান্ডের ‘দুঃখবিলাস’

6a57f910e212886ae000e9e3

6a57f8f7e212886ae000e9e0

6a57fbf6e212886ae000ea16

6a57fbd0e212886ae000ea10

6a57fbe1e212886ae000ea13

০৩: ৪২

টুখেলের অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক কৌশলই কি কাল হলো?

টুখেলের অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক কৌশলই কি কাল হলো?

ম্যাচ শেষে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে টমাস টুখেলের কৌশলগত সিদ্ধান্ত। ২০২০ ইউরোর ফাইনালে ইতালির বিপক্ষে এগিয়ে থেকেও রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ার জন্য ইংল্যান্ড যে সমালোচনার মুখে পড়েছিল, এই ম্যাচও যেন সেই স্মৃতিই আবার ফিরিয়ে আনল।অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচে তখনও প্রায় ৩০ মিনিট বাকি ছিল। কিন্তু সেই সময়েই টুখেল পাঁচ ডিফেন্ডারের রক্ষণভাগে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ইংল্যান্ড সমর্থকদের অনেকের মতে, এত তাড়াতাড়ি লিড ধরে রাখার মানসিকতা দলকে পিছিয়ে দেয় এবং আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ করে দেয়।শেষ পর্যন্ত এনজো ফার্নান্দেজের সমতাসূচক গোল এবং যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজের জয়সূচক গোলে ইংল্যান্ডকে বিদায় নিতে হয়।গর্ডনের গোলের পর ম্যাচ বাকি থাকতেই রক্ষণাত্মক কৌশলে ঝুঁকে পড়ার সিদ্ধান্তটি এখন টুখেলের ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত হিসেবে মনে রাখবেন ইংল্যান্ডের সমর্থকেরা।

০৩: ১৯

ডান অ্যান্ড ডাস্টেড, ব্যাক টু ব্যাক ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডান অ্যান্ড ডাস্টেড, ব্যাক টু ব্যাক ফাইনালে আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনা ২, ইংল্যান্ড ১নাটকীয় লড়াই শেষে শেষ হাসি হাসল আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজের করা গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়, আর তাতেই ২-১ ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে আসে একের পর এক নাটকীয় মুহূর্ত। ৫২তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। তবে শেষদিকে লিওনেল মেসির পাস থেকে এনজো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা।এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আবারও জাদু দেখান মেসি। তার নিখুঁত ক্রস থেকে লাউতারো মার্তিনেজ জয়সূচক গোল করে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় আর্জেন্টিনার উল্লাস। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করল লিওনেল স্কালোনির দল, আর ১৯৬৬ সালের পর প্রথম শিরোপার স্বপ্ন আবারও অধরাই থেকে গেল ইংল্যান্ডের।

০৩: ০০

যোগ করা সময়ে লাউতারোর গোল!

যোগ করা সময়ে লাউতারোর গোল!

নাটকীয় মোড় নিল সেমিফাইনাল। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিলেন লাউতারো মার্তিনেজ।ডান প্রান্ত থেকে অসাধারণ একটি ক্রস বাড়িয়ে দেন লিওনেল মেসি। নিখুঁত সময়ে বক্সে ঢুকে সেই বল পেয়ে ইন্টার মিলানের এই স্ট্রাইকার এবার আর ভুল করেননি। দুর্দান্ত ফিনিশে বল জড়িয়ে দেন ইংল্যান্ডের জালে।এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গোল হজম করে বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড। নির্ধারিত সময় শেষের পথে, ফলে থ্রি লায়ন্সদের বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন এখন ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে। অন্যদিকে, ফাইনালের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

০২: ৫০

গোল! এনজো ফার্নান্দেজের বজ্রশটে সমতায় আর্জেন্টিনা

গোল! এনজো ফার্নান্দেজের বজ্রশটে সমতায় আর্জেন্টিনা

অবশেষে সমতায় ফিরল আর্জেন্টিনা। আক্রমণের সূচনা করেন লিওনেল মেসি। দুর্দান্তভাবে নজর রেখে তিনি বল বাড়িয়ে দেন এনজো ফার্নান্দেজের কাছে।চেলসির এই মিডফিল্ডার সময় নষ্ট না করে দূর থেকে জোরালো শট নেন। তার শক্তিশালী প্রচেষ্টা ইংল্যান্ডের রক্ষণ ও গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে জালে আশ্রয় নেয়।এনজোর দুর্দান্ত গোলে ম্যাচের স্কোরলাইন এখন ১-১। শেষ মুহূর্তে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে নতুন করে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনল আর্জেন্টিনা।

০২: ৪৫

আবারও মেসির জাদু, কিন্তু অফসাইড!

আবারও মেসির জাদু, কিন্তু অফসাইড!

ডান প্রান্ত থেকে নিখুঁত লম্বা বল ভাসিয়ে দেন লিওনেল মেসি। সেই বল লক্ষ্য করে হেড করেন নিকো গনসালেস। বলটি অল্পের জন্য গোলপোস্টের বাইরে চলে যায়।এরপরই সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তোলেন। ফলে বল জালে জড়ালেও সেটি গোল হিসেবে গণ্য হতো না।গোলের জন্য মরিয়া আর্জেন্টিনা একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও এখনও ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড।

০২: ৪৫

ক্রসবারে আঘাত, ভাগ্য সঙ্গ দিল ইংল্যান্ডকে

ক্রসবারে আঘাত, ভাগ্য সঙ্গ দিল ইংল্যান্ডকে

ইংল্যান্ডের অর্ধে টানা বলের দখল ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায় আর্জেন্টিনা। তবে পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে হিমশিম খাচ্ছিল আলবিসেলেস্তেরা।এমন সময় ডান দিক থেকে দারুণ একটি ক্রস পাঠান রদ্রিগো ডি পল। সেই বলে উঁচুতে উঠে শক্তিশালী হেড করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।কিন্তু আর্জেন্টিনার হতাশা বাড়িয়ে বল সোজা গিয়ে লাগে ক্রসবারে। অল্পের জন্য সমতাসূচক গোল পায়নি লিওনেল স্কালোনির দল।

০২: ৩৩

পিকফোর্ডের অবিশ্বাস্য সেভ!

পিকফোর্ডের অবিশ্বাস্য সেভ!

ডান প্রান্ত থেকে দারুণ একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন লিওনেল মেসি। বলের গতিপথ বুঝে নিখুঁত হেড করেন নিকো গনসালেস।হেডটি সরাসরি গোলমুখে যাচ্ছিল এবং সেটি প্রায় নিশ্চিত গোল বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় দুর্দান্ত এক রিফ্লেক্স সেভ করে দলকে রক্ষা করেন।পিকফোর্ডের অনবদ্য সেভে সমতাসূচক গোল থেকে বঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা, আর ১-০ ব্যবধান ধরে রাখে থ্রি লায়ন্সরা।

০২: ২৯

নিশ্চিত গোল বাঁচালেন জন স্টোনস!

সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ তৈরি করেছিল আর্জেন্টিনা। নিকো গনসালেস চমৎকারভাবে বল বাড়িয়ে দেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর কাছে, যিনি তখন ইংল্যান্ডের গোলের একেবারে কাছাকাছি ছিলেন।তাগলিয়াফিকো শট নেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও ঠিক সময়ে সামনে এসে দুর্দান্ত ইন্টারসেপশন করেন জন স্টোনস। ইংল্যান্ডের এই সেন্টার-ব্যাকের অসাধারণ রক্ষণে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা।স্টোনসের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে ১-০ ব্যবধান অক্ষুণ্ন রাখে থ্রি লায়ন্সরা।

০২: ২৭

গোলের খোঁজে আর্জেন্টিনা, পরিকল্পনায় অটল ইংল্যান্ড

গোলের খোঁজে আর্জেন্টিনা, পরিকল্পনায় অটল ইংল্যান্ড

গোল শোধে মরিয়া আর্জেন্টিনা এখন আক্রমণে খুব একটা কার্যকর পথ খুঁজে পাচ্ছে না। মাঝমাঠে এদিক-ওদিক পাস খেলেই সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে তারা, আর প্রায় প্রতিটি আক্রমণই লিওনেল মেসির পায়ে বল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই গড়ে উঠছে।অন্যদিকে এক গোলে এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের পরিকল্পনা স্পষ্ট। নিজেদের পেনাল্টি বক্স থেকে যত দ্রুত সম্ভব বল দূরে সরিয়ে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে কোনো সুযোগ না দেওয়াই এখন থ্রি লায়ন্সদের মূল কৌশল। রক্ষণে শৃঙ্খলা বজায় রেখে লিড ধরে রাখার চেষ্টায় ব্যস্ত তারা।

০২: ২৫

সমতায় ফেরার সুযোগ হারাল আর্জেন্টিনা

গোল হজমের পর দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। জুলিয়ানো সিমিওনে বল নিয়ে দুরন্ত গতিতে ইংল্যান্ডের পেনাল্টি বক্সের দিকে এগিয়ে যান, সমতাসূচক গোলের সম্ভাবনাও তৈরি হয়।তবে সময়মতো রক্ষণে নেমে আসে ইংল্যান্ড। শেষ মুহূর্তে জেড স্পেন্স দুর্দান্ত এক ট্যাকল করে সিমিওনের পা থেকে বল কেড়ে নেন।স্পেন্সের অসাধারণ রক্ষণে বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় থ্রি লায়ন্সরা এবং আর্জেন্টিনার সম্ভাবনাময় আক্রমণ ভেস্তে যায়।

০২: ২৪

গর্ডনের গোলে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড

গর্ডনের গোলে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড

অবশেষে ভাঙল গোলশূন্যতার জট। আর্জেন্টিনার ছড়িয়ে পড়া রক্ষণভাগের সুযোগ নিয়ে দুর্দান্ত আক্রমণ গড়ে তোলে ইংল্যান্ড।ডান প্রান্ত দিয়ে দারুণ গতিতে এগিয়ে গিয়ে নিচু ক্রস বাড়ান মরগান রজার্স। বক্সে সঠিক সময়ে উপস্থিত ছিলেন অ্যান্থনি গর্ডন। নিখুঁত ফিনিশে বল জড়িয়ে দেন জালে।এই চমৎকার গোলে ৫২তম মিনিটে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্সরা।

০২: ১৬

রোমেরোর হলুদ কার্ড

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে রক্ষণে বড় ভুল করতে বসেছিল আর্জেন্টিনা। রোমেরোর ওপর একসঙ্গে চাপ সৃষ্টি করেন অ্যান্থনি গর্ডন ও জুড বেলিংহাম।চাপের মুখেও কোনোমতে বল ক্লিয়ার করতে সক্ষম হন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার। তবে বল ছাড়ার পর পেছন দিক থেকে বেলিংহামকে ফাউল করেন তিনি। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে খেলা থামিয়ে রোমেরোকে হলুদ কার্ড দেখান।

০২: ১৩

জোড়া সুযোগ আর্জেন্টিনার, বাঁচালেন পিকফোর্ড

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ইংল্যান্ডের রক্ষণে তীব্র চাপ সৃষ্টি করে আর্জেন্টিনা। দুই ডিফেন্ডারের বাধা কাটিয়ে বক্সের ভেতর থেকে শট নেন লিওনেল মেসি। তবে দারুণ ক্ষিপ্রতায় বল ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।ফিরে আসা বল পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই শট নেন জুলিয়ান আলভারেজ। তবে ইংল্যান্ডের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল বাইরে চলে যায় এবং আর্জেন্টিনা কর্নার পায়।মেসির নেওয়া সেই কর্নার জন স্টোনস হেড করে বিপদমুক্ত করেন। এরপর আবারও বল পেয়ে দৌড় শুরু করতে চেয়েছিলেন মেসি, কিন্তু জুড বেলিংহামের নিবিড় মার্কিংয়ে আর এগোতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

০২: ১৩

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু

বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু করেছে ইংল্যান্ড। কিক-অফের মাধ্যমে দুই দলই এখন প্রথম গোলের খোঁজে নতুন উদ্যমে লড়াই শুরু করেছে।এ পর্যন্ত ম্যাচটি ছিল বেশ সতর্ক ও কৌশলনির্ভর। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ হলেও রক্ষণে কোনো দলই বড় ভুল করেনি, ফলে গোলশূন্য অবস্থাতেই শেষ হয়েছে প্রথমার্ধ।এখন দেখার বিষয়, শেষ ৪৫ মিনিটে কোনো দল কি রক্ষণ ভেঙে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়, নাকি সেমিফাইনালের এই উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই আরও নাটকীয় মোড় নেয়।

০১: ৫৩

প্রথমার্ধের বিরতি: ইংল্যান্ড ০-০ আর্জেন্টিনা

প্রথমার্ধের বিরতি: ইংল্যান্ড ০-০ আর্জেন্টিনা

প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিট চোখের পলকেই শেষ হয়ে গেল। আটলান্টায় বিশ্বকাপের এই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমানতালে লড়াই করেছে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা।দুই দলই একের পর এক আক্রমণ গড়লেও রক্ষণভাগ ছিল দুর্ভেদ্য। ফলে স্পষ্ট গোলের সুযোগ খুব বেশি তৈরি হয়নি।প্রথমার্ধের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সুযোগটি আসে ইংল্যান্ডের দিক থেকে। রিস জেমসের বিপজ্জনক ক্রস-শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘এমি’ মার্তিনেজ।সব মিলিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন ০-০। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আরও রোমাঞ্চকর ফুটবলের অপেক্ষায় দুই দল।

০১: ৫০

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমজমাট, তবু গোলের দেখা নেই

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমজমাট, তবু গোলের দেখা নেই

শুরু থেকেই ম্যাচে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলছে। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড—দুই দলই দ্রুতগতির ফুটবল খেলছে এবং সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে।তবে নিজেদের পেনাল্টি বক্সে দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল অসাধারণ দৃঢ়। ডিফেন্ডারদের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপ ও সংগঠিত রক্ষণে প্রতিপক্ষকে পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি কেউই।ফলে ম্যাচের এই পর্যায় পর্যন্ত কোনো দলই গোলমুখে কার্যকর শট নিতে পারেনি। উত্তেজনা থাকলেও স্কোরলাইন এখনও গোলশূন্য।

০১: ৪৮

খেলার চেয়ে বেশি মারামারি। ৩৮ মিনিট পর্যন্ত ১৬ টি ফাউল ও দুটি হলুদ কার্ডের ঘটনা ঘটেছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে

০১: ৪৬

হলুদ কার্ড পেলেন লিসান্দ্রো

মাঝমাঠ থেকে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করেন ইংল্যান্ডের মরগান রজার্স। একই সময় বাম প্রান্ত দিয়ে দৌড় শুরু করেন অ্যান্থনি গর্ডন, ফলে আর্জেন্টিনার রক্ষণে চাপ তৈরি হয়।পরিস্থিতি সামাল দিতে পেছন থেকে রজার্সকে টেনে ধরেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। সঙ্গে সঙ্গে রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজিয়ে আর্জেন্টিনার এই সেন্টার-ব্যাককে হলুদ কার্ড দেখান।ট্যাকটিক্যাল ফাউল করে ইংল্যান্ডের সম্ভাবনাময় পাল্টা আক্রমণ থামালেও এড়াতে পারেননি লিসান্দ্রো।

০১: ৪২

দূরপাল্লার শট এনজোর, কর্নার দিলেন না রেফারি

মাঝমাঠের কিছুটা সামনে থেকে দূরপাল্লার একটি জোরালো শট নেন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। তবে বল গোলের অনেকটাই বাইরে দিয়ে চলে যায়।শট নেওয়ার পরই এনজোর দাবি ছিল, বলটি ইংল্যান্ডের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করেছে। তাই আর্জেন্টিনার কর্নার পাওয়া উচিত ছিল।কিন্তু রেফারি সেই দাবি নাকচ করে ইংল্যান্ডের পক্ষে গোল কিকের সিদ্ধান্ত দেন। সিদ্ধান্তে এনজো অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও খেলা দ্রুতই আবার শুরু হয়।

০১: ৪০

প্রথম হলুদ কার্ড দেখলেন অ্যান্ডারসন

প্রথম হলুদ কার্ড দেখলেন অ্যান্ডারসন

দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উঠতে চেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে মাঝমাঠেই তাকে ঘিরে ধরেন ইংল্যান্ডের তিন খেলোয়াড়।তাদের মধ্যে সবচেয়ে কঠোর ট্যাকলটি করেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। মেসির অগ্রযাত্রা থামাতে করা সেই ফাউলের জন্য রেফারি তাকে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখান।ম্যাচের ৩৬ মিনিটে প্রথমবারের মতো খাতায় নাম ওঠে ইংল্যান্ডের এই মিডফিল্ডারের।

০১: ৩৮

বেলিংহামকে ফাউল, ফ্রি-কিক বিপদমুক্ত করলেন লিসান্দ্রো

বেলিংহামকে ফাউল, ফ্রি-কিক বিপদমুক্ত করলেন লিসান্দ্রো

আর্জেন্টিনার বক্সে বল ঢোকানোর চেষ্টা করছিলেন জুড বেলিংহাম। ঠিক সেই সময় পেছন দিক থেকে নাহুয়েল মোলিনার বুটের আঘাতে মাটিতে পড়ে যান ইংল্যান্ডের এই মিডফিল্ডার।রেফারি সঙ্গে সঙ্গে ইংল্যান্ডের পক্ষে ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজান।ফ্রি-কিক থেকে রিস জেমস বিপজ্জনক বল ভাসিয়ে দিলেও আর্জেন্টিনার সেন্টার-ব্যাক লিসান্দ্রো মার্তিনেজ দুর্দান্তভাবে তা ক্লিয়ার করে সম্ভাব্য বিপদ দূর করেন।

০১: ৩৬

দারুণ সুযোগ নষ্ট ইংল্যান্ডের!

ফ্রি-কিক থেকে নিখুঁত ক্রস তুলে দেন ডেকলান রাইস। সেই বল লক্ষ্য করে দুর্দান্তভাবে হেড করেন জন স্টোনস।তবে ইংল্যান্ডের জন্য হতাশার বিষয়, স্টোনসের হেড অল্পের জন্য গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে ম্যাচের অন্যতম সেরা সুযোগ তৈরি করেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষ মুহূর্তে লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় গোলের দেখা পেল না থ্রি লায়ন্সরা।

০১: ৩৫

মেসির পাসে সুযোগ, নাগাল পেলেন না আলভারেজ

মেসির পাসে সুযোগ, নাগাল পেলেন না আলভারেজ

বক্সের ভেতরে বল কেড়ে নিয়ে মুহূর্তেই আক্রমণের সূচনা করেন লিওনেল মেসি। অসাধারণ দূরদৃষ্টিতে তিনি বাড়িয়ে দেন জুলিয়ান আলভারেজের উদ্দেশে নিখুঁত একটি থ্রু পাস।তবে বলটি আলভারেজের নাগালের ঠিক বাইরে চলে যায়। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড শেষ পর্যন্ত শট নিতে পারেননি।ফলে বিপদমুক্ত হয় ইংল্যান্ড এবং গোল কিক দিয়ে আবার খেলা শুরু করে থ্রি লায়ন্সরা।

০১: ২৮

সিমিওনের ফাউল, পানি পানের বিরতি

কর্নার থেকে বল ভাসিয়ে দেন লিওনেল মেসি। তবে ইংল্যান্ডের জেড স্পেন্স উঁচুতে উঠে হেড করে বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন।স্পেন্স ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন করার আগেই রেফারি খেলা থামিয়ে দেন। কর্নারের সময় আর্জেন্টিনার জুলিয়ানো সিমিওনের ফাউলের কারণে ইংল্যান্ডের পক্ষে বাঁশি বাজান ম্যাচ কর্মকর্তা।এরপর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ম্যাচে দেওয়া হয় প্রথম হাইড্রেশন ব্রেক। তীব্র গরমের মধ্যে দুই দলের খেলোয়াড়রা বিরতিতে পানি পান করে কোচদের কাছ থেকে দ্রুত নির্দেশনাও নেন।

০১: ২৬

ফ্রি-কিক আদায় আর্জেন্টিনার

মাঝমাঠে বলের দখল নিয়ে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও জুড বেলিংহাম। দ্বৈরথে বেলিংহাম ফাউল করলে আর্জেন্টিনা পায় একটি ফ্রি-কিক।সেই ফ্রি-কিক থেকে আক্রমণ গড়ে তোলে আর্জেন্টিনা। তবে বিপদ সামাল দিতে গিয়ে ইংল্যান্ডের জেড স্পেন্স বল ক্লিয়ার করতে বাধ্য হন। তার ক্লিয়ারেন্স মাঠের বাইরে চলে গেলে আর্জেন্টিনা পেয়ে যায় ম্যাচের আরেকটি কর্নারের সুযোগ।

০১: ২৪

ইংল্যান্ডের রক্ষণে শক্ত প্রাচীর, পথ খুঁজছে আর্জেন্টিনা

ইংল্যান্ডের রক্ষণে শক্ত প্রাচীর, পথ খুঁজছে আর্জেন্টিনা

ইংল্যান্ড এই মুহূর্তে অনেকটাই নিচে নেমে রক্ষণাত্মক অবস্থান নিয়েছে। নিজেদের অর্ধে ঘন রক্ষণ সাজিয়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণ ঠেকানোর কৌশল নিয়েছে থ্রি লায়ন্সরা।অন্যদিকে বলের দখল ধরে রেখে সেই ‘সাদা প্রাচীর’ ভাঙার উপায় খুঁজছে আর্জেন্টিনা। একের পর এক পাসে ফাঁক তৈরি করার চেষ্টা করলেও এখন পর্যন্ত সফল হতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।শেষ পর্যন্ত বল মাঠের বাইরে চলে গেলে আর্জেন্টিনা থ্রো-ইন পায় এবং সেখান থেকেই নতুন করে আক্রমণ গড়ার সুযোগ পায়।

০১: ২২

এমি মার্তিনেজের দুর্দান্ত সেভ!

থ্রো-ইন থেকে আক্রমণ গড়ে তোলে ইংল্যান্ড। রিস জেমসের ছোড়া বল থেকে জেড স্পেন্স দখল নিয়ে সেটি বাড়িয়ে দেন জুড বেলিংহামের কাছে।ইংল্যান্ড এই সময় বলের দখলে স্পষ্ট আধিপত্য দেখাচ্ছিল। মরগান রজার্সের মাধ্যমে আক্রমণ সাজানোর পর ওভারল্যাপে উঠে আসেন রিস জেমস। ডান দিক থেকে সুযোগ পেয়ে তিনি জোরালো শট নেন।তবে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘এমি’ মার্তিনেজ দারুণ ক্ষিপ্রতায় সেই শট ঠেকিয়ে দেন। তার গুরুত্বপূর্ণ সেভে বড় বিপদ থেকে রক্ষা পায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

০১: ১৯

বেলিংহামের দারুণ বিল্ড-আপ, স্পেন্সকে থামালেন এনজো

মাঝমাঠ থেকে কিছুটা নিচে নেমে এসে আক্রমণ গড়ে তোলার দায়িত্ব নেন জুড বেলিংহাম। রক্ষণভাগ থেকে ছোট ছোট পাসে বল এগিয়ে নিয়ে সুন্দর একটি আক্রমণের সূচনা করে ইংল্যান্ড।এরপর বল পেয়ে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন জেড স্পেন্স। তবে সময়মতো রক্ষণে নেমে দুর্দান্ত ট্যাকল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। তার হস্তক্ষেপে বল মাঠের বাইরে চলে যায় এবং আর্জেন্টিনা পায় গোল কিক।

০১: ১৭

মেসিকে থামালেন অ্যান্ডারসন, সুযোগ নষ্ট ইংল্যান্ডেরও

এনজো ফার্নান্দেজ ও লিয়ান্দ্রো পারেদেসের দারুণ সমন্বয়ে বল পৌঁছে যায় লিওনেল মেসির পায়ে। তবে ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন সময়মতো সামনে এসে তার পথ রুখে দেন।এরপর বল পেয়ে বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন মার্ক গেহি। তিনি বল বাড়িয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডনের দিকে। কিন্তু গর্ডন বলের দখল ধরে রাখতে ব্যর্থ হন, ফলে আবারও বল ফিরে যায় আর্জেন্টিনার নিয়ন্ত্রণে।

০১: ১৫

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ

আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ থেকে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ বল বাড়ান সার্জিও রোমেরোর কাছে। তবে দ্রুত চাপ সৃষ্টি করে সেই বলের দখল ফিরিয়ে নেয় ইংল্যান্ড।বল পুনরুদ্ধারে সঙ্গে সঙ্গে চাপ বাড়ায় আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের সঙ্গে বলের লড়াইয়ে নামেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এ সময় রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজান।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর ড্রপ বলের মাধ্যমে আবারও ম্যাচ শুরু হয়। শুরু থেকেই মাঝমাঠে দুই দলের তীব্র লড়াই ম্যাচের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

০১: ১৩

শুরু থেকেই জমে উঠেছে লড়াই

শুরু থেকেই জমে উঠেছে লড়াই

কিক-অফের পর থেকেই ম্যাচে দেখা যাচ্ছে দারুণ গতিময়তা। এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে উঠেছে সেমিফাইনালের লড়াই।দুই দলই বলের দখল ধরে রাখার ব্যাপারে ভীষণ সতর্ক। কোনো পক্ষই সহজে প্রতিপক্ষের কাছে বল তুলে দিতে রাজি নয়। শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড নিজেদের ছন্দে খেলতে মরিয়া, ফলে ম্যাচে তৈরি হয়েছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

০১: ১১

দ্রুত পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা আর্জেন্টিনার

দ্রুত পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা আর্জেন্টিনার

বল দখলে নিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করেছিল আর্জেন্টিনা। তবে মাঝমাঠে দুর্দান্ত ট্যাকলে সেই আক্রমণ ভেস্তে দেন ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন।ফাউলের বাঁশি বাজতেই এক মুহূর্তও নষ্ট করেনি ইংল্যান্ড। দ্রুত ফ্রি-কিক নিয়ে আবারও আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করে থ্রি লায়ন্সরা, যাতে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা যায়।

০১: ০৯

সিমিওনের ফাউল, দ্রুত খেলা শুরু করল ইংল্যান্ড

সিমিওনের ফাউল, দ্রুত খেলা শুরু করল ইংল্যান্ড

মাঝমাঠে বলের দখল নিয়ে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন জুলিয়ানো সিমিওনে ও ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন। দ্বৈরথে শেষ পর্যন্ত অ্যান্ডারসনকে ফাউল করেন আর্জেন্টাইন উইঙ্গার সিমিওনে।রেফারি সঙ্গে সঙ্গে ইংল্যান্ডের পক্ষে ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজান। সুযোগটি নষ্ট না করে দ্রুতই খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড, আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরার চেষ্টা করে তারা।

০১: ০৮

বেলিংহামের অভিযোগ, আক্রমণে উঠেও বল হারাল ইংল্যান্ড

বেলিংহামের অভিযোগ, আক্রমণে উঠেও বল হারাল ইংল্যান্ড

ম্যাচের শুরুতেই শারীরিক লড়াই জমে উঠেছে। জুড বেলিংহাম রেফারির দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা কাঁধ দিয়ে ধাক্কা দিয়ে তার সতীর্থদের ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ারই নির্দেশ দেন।এরপর মার্ক গেহির কাছ থেকে বল পেয়ে ডান প্রান্ত দিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠেন জেড স্পেন্স। তিনি আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের শেষ তৃতীয়াংশ পর্যন্ত পৌঁছে গেলেও শেষ পর্যন্ত বলের দখল পুনরুদ্ধার করে আর্জেন্টিনা। দুই দলই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করছে।

০১: ০৬

দুই দলের ভিন্ন ছকে শুরু

ম্যাচের শুরুতেই দুই দলের কৌশলে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। ইংল্যান্ড খেলছে ৪-২-৩-১ ফরমেশনে, আর আর্জেন্টিনা নেমেছে ৪-৪-২ ছকে।এরই মধ্যে মাঝমাঠে এনজো ফার্নান্দেজের সঙ্গে সংঘর্ষে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন। খেলা কিছুক্ষণ থামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন রেফারি।ঘটনার পর এনজো ফার্নান্দেজকে ডেকে সতর্ক করেন ম্যাচ কর্মকর্তা। এ সময় আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও বেশ ক্ষুব্ধ ও অসন্তুষ্ট দেখা যায়।

০১: ০০

বাজল বাঁশি, মহারণ শুরু

দুই কোচের করমর্দনের পর রেফারির বাঁশি বাজতেই আটলান্টা স্টেডিয়ামে ম্যাচের সূচনা করেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি।এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা খেলছে তাদের অ্যাওয়ে জার্সিতে, আর ইংল্যান্ড নেমেছে ঐতিহ্যবাহী সাদা জার্সি পরে।বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনালের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেছে। এখন দেখার পালা, ফাইনালে জায়গা করে নেয় কোন দল।

০০: ৫৯

মঞ্চ প্রস্তুত, শুরু হতে যাচ্ছে মহারণ!

মঞ্চ প্রস্তুত, শুরু হতে যাচ্ছে মহারণ!

দুই দলের জাতীয় সংগীত পরিবেশন শেষ হয়েছে। ম্যাচপূর্ব আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছেন আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা।সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ। খেলোয়াড়রা প্রস্তুত, গ্যালারিতে অপেক্ষমাণ হাজারো সমর্থকও মুখিয়ে আছেন। এখন শুধু রেফারির প্রথম বাঁশির অপেক্ষা—শুরু হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত সেমিফাইনাল।

০০: ৫৭

আর মাত্র কয়েক মুহূর্ত

কিক-অফের আর বেশি দেরি নেই। দুই দলের ফুটবলাররা টানেলে প্রস্তুত, সেখান থেকে বেরিয়ে তারা প্রবেশ করলেন গর্জে ওঠা আটলান্টা স্টেডিয়ামে।গ্যালারি কানায় কানায় পূর্ণ। সমর্থকদের হাতে উড়ছে নানা রঙের পতাকা, চারদিকে উৎসবের আমেজ। উত্তেজনা এখন তুঙ্গে—সবকিছু প্রস্তুত বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের এই বহুল প্রতীক্ষিত মহারণের জন্য।

০০: ৫৪

বিশ্বকাপের ইতিহাসের দুই সেরা গোলদাতার লড়াই

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা দুই গোলদাতা। লিওনেল মেসি কি আরও বাড়াবেন নিজের রেকর্ড, নাকি হ্যারি কেইন এগিয়ে যাবেন ইতিহাসের তালিকায়?বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকা:▪️লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) — ২১ গোল▪️এমবাপ্পে (ফ্রান্স) — ২০ গোল▪️মিরোস্লাভ ক্লোসে (জার্মানি) — ১৬ গোল▪️রোনালদো (ব্রাজিল) — ১৫ গোল▪️হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড) — ১৪ গোল গার্ড মুলার (জার্মানি) — ১৪ গোল▪️জুস্ত ফন্তেইন (ফ্রান্স) — ১৩ গোল▪️পেলে (ব্রাজিল) — ১২ গোল▪️ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল) — ১১ গোল ইউর্গেন ক্লিন্সমান (জার্মানি) — ১১ গোল শান্দর কচিশ (হাঙ্গেরি) — ১১ গোল▪️গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা (আর্জেন্টিনা) — ১০ গোল তেওফিলো কুবিয়াস (পেরু) — ১০ গোল গ্রেজেগোর্জ লাতো (পোল্যান্ড) — ১০ গোল গ্যারি লিনেকার (ইংল্যান্ড) — ১০ গোল টমাস মুলার (জার্মানি) — ১০ গোল হেলমুট রাহন (জার্মানি) — ১০ গোল

০০: ৫০

আবারও কি ইংল্যান্ডের স্বপ্নভঙ্গ করবেন এক সিমিওনে?

আবারও কি ইংল্যান্ডের স্বপ্নভঙ্গ করবেন এক সিমিওনে?

১৯৯৮ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার শেষ দেখায় বড় মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল ডেভিড বেকহামের লাল কার্ড। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার দিয়েগো সিমিওনেকে লাথি মারার ঘটনায় মাঠ ছাড়তে হয়েছিল বেকহামকে, আর সেই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত সুবিধা আদায় করে নেয় আর্জেন্টিনা।২৮ বছর পর ইতিহাস যেন নতুন মোড় নিতে চলেছে। সেই দিয়েগো সিমিওনে এখন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের প্রধান কোচ। আর আজ তার ছেলে জুলিয়ানো সিমিওনে আর্জেন্টিনার হয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর একাদশে রয়েছেন।ফুটবলপ্রেমীদের মনে প্রশ্ন জাগছে—বাবার মতো এবার কি ছেলেও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন?

০০: ৩৯

আকাশী-সাদায় মিলেমিশে একাকার চারদিক

5b12ae9b-10c7-41e2-b396-04037a94451a.jpg

8aa867f2-5a04-4a83-a897-af781574b8e7.png

b0a38b5c-a954-4f53-b392-7bd08c855861.jpg

০০: ৩৫

শেষ মুহূর্তের ওয়ার্ম-আপে মেসিরা

শেষ মুহূর্তের ওয়ার্ম-আপে মেসিরা

ম্যাচ শুরুর আর বেশি দেরি নেই। শেষ মুহূর্তের ওয়ার্ম-আপের জন্য মাঠে নেমেছেন লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টিনা দল।গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকদের করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে আটলান্টা স্টেডিয়াম। সমর্থকদের অভিবাদনের জবাবে হাত নেড়ে সাড়া দেন মেসি ও তার সতীর্থরা।বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এখন প্রস্তুত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মহারণে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার জন্য।

০০: ৩২

‘কোচের সঙ্গে সব সময় একমত হওয়ার দরকার নেই’

নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের পর জুড বেলিংহামকে নিয়ে থমাস টুখেলের মন্তব্য প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক ওয়েন রুনি বলেছেন, খেলোয়াড় ও কোচের মধ্যে এমন মতবিনিময় একেবারেই স্বাভাবিক।রুনির ভাষায়, “আমি এটা দারুণ পছন্দ করি। একজন খেলোয়াড় ও কোচের মধ্যে এমন ঘটনা হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।”তিনি আরও বলেন, “একজন কোচ হিসেবে আপনি অবশ্যই চাইবেন আপনার খেলোয়াড়দের নিজস্ব মতামত থাকুক। আমরা যখন চরিত্র ও ব্যক্তিত্বের কথা বলি, জুড বেলিংহাম সেটাই দেখিয়েছে।”রুনির মতে, “আমি নিশ্চিত টুখেল এতে খুশিই হয়েছেন যে বেলিংহাম নিজের অবস্থান তুলে ধরেছে। আমরা এবং অন্য অনেক গণমাধ্যম বিষয়টিকে বড় করে দেখিয়েছি, কিন্তু বাস্তবে এমন ঘটনা ফুটবলে খুবই স্বাভাবিক।”ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের উদাহরণ টেনে রুনি বলেন, “স্যার অ্যালেক্স তো বরং পছন্দই করতেন যখন খেলোয়াড়রা তাকে চ্যালেঞ্জ করত। সব সময় কোচের সঙ্গে একমত হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। আমিও অনেক সময় তার সঙ্গে একমত হতাম না।”

ওয়েন রুনি, সাবেক ইংল্যান্ড স্ট্রাইকার, বিবিসি ওয়ানে

০০: ২৭

ছবিতে দুদলের প্রস্তুতি ও মাঠে প্রবেশ

88155b9d-dc9b-4348-a351-5f9732462c0f.jpg

3eaca0c9-82e9-4219-a8d2-70d996b8c96e.jpg

9b244a22-151e-45de-8ad7-83d585c2af63.jpg

০০: ২১

কীভাবে বর্ণনা করবেন লিওনেল মেসিকে?

কীভাবে বর্ণনা করবেন লিওনেল মেসিকে?

লিওনেল মেসিকে নিয়ে কথা শুরু করবেনই বা কীভাবে? ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই জাদুকরের গল্প হয়তো আজ থেকে বহু প্রজন্ম পরেও মানুষের মুখে মুখে ফিরবে।৩৯ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা দীর্ঘ ও গৌরবময় ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছেন।ইংল্যান্ডের অনেক ফুটবলারই ক্লাব ফুটবলে মেসির বিপক্ষে খেলেছেন। তবে আর্জেন্টিনার জার্সিতে, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো মঞ্চে মেসির মুখোমুখি হওয়ার অনুভূতি নিশ্চয়ই একেবারেই ভিন্ন।লিওনেল স্কালোনির দলের ভরসার কেন্দ্রবিন্দু মেসি—মাঠে যেমন, মাঠের বাইরেও তেমনি। তাই আজকের ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করবে, তিনি কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারেন তার ওপর।২০২২ সালে সতীর্থরা মেসির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দিতে পেরেছিল। এবারও কি তারা সেই কীর্তির পুনরাবৃত্তি করতে পারবে? আর যদি পারে, তবে কি ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সেরা হিসেবে মেসির অবস্থান নিয়ে আর কোনো বিতর্কই থাকবে না?

০০: ১৬

কুসংস্কারেও ভরসা আর্জেন্টিনা সমর্থকদের!

কুসংস্কারেও ভরসা আর্জেন্টিনা সমর্থকদের!

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে কোনো ঝুঁকিই নিতে চাইছেন না আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা। অনেকেই ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনের নাম কাগজে লিখে ফ্রিজারে রেখে দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ আগের ম্যাচগুলোর মতো একই রকম নানা রীতি পালন করছেন—যেগুলো তাদের বিশ্বাস, জাতীয় দলের জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনে।এই বিশ্বাসগুলো আর্জেন্টিনায় ‘কাবালাস’ নামে পরিচিত, যা দীর্ঘদিনের এক ধরনের ফুটবল-সংস্কৃতি। সমর্থকদের ধারণা, এসব কুসংস্কার বা সৌভাগ্যের রীতি দলের ভাগ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা যখন ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, তখন সমর্থকেরা সেই পুরোনো রীতিনীতিগুলো আরও নিষ্ঠার সঙ্গে মেনে চলছেন। তাদের বিশ্বাস, অতীতের সাফল্যের পেছনেও এসব কুসংস্কারের ভূমিকা ছিল।অনেকেই প্রতিপক্ষ দলের নাম উচ্চারণই করেন না। কেউ একই জার্সি, এমনকি না ধুয়েই প্রতিটি ম্যাচে পরে থাকেন। কেউ একই আসনে বসেন, আবার কেউ প্রতিটি ম্যাচের আগে একই খাবার খান। তাদের বিশ্বাস, এসব অভ্যাসে পরিবর্তন আনলেই দলের ভাগ্য খারাপ হতে পারে এবং বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যেতে পারে।১৩ বছর বয়সী সমর্থক ইনেস মুত্রি বলেন, “আমাদের বন্ধুদের একটা বিশেষ রীতি আছে। আমরা প্রতিপক্ষের সেরা খেলোয়াড় ও গোলরক্ষকের নাম একই কাগজে লিখে ফ্রিজারের ভেতরে রেখে দিই।”

০০: ১২

ফ্ল্যাশব্যাক!

ফ্ল্যাশব্যাক!

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে?বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার লড়াই মানেই নাটক, বিতর্ক আর অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। বিশেষ করে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল আজও ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি।২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে ফিরে দেখা যাক সেই ঐতিহাসিক ম্যাচকে—‘হ্যান্ড অব গড’ থেকে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’—ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনার সেই অবিস্মরণীয় দ্বৈরথ১৯৮৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২-১ ব্যবধানে জয় ফুটবল ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। সেই ম্যাচেই দিয়েগো ম্যারাডোনা প্রথমে হাত দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল করেন, যা রেফারির চোখ এড়িয়ে বৈধ গোল হিসেবে স্বীকৃতি পায়।এর কয়েক মিনিট পরই ম্যারাডোনা নিজের অর্ধ থেকে বল নিয়ে একের পর এক ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে অসাধারণ একক নৈপুণ্যে গোল করেন। ফুটবল ইতিহাসে সেটিই ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ বা ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ নামে অমর হয়ে আছে।বিতর্ক আর অবিশ্বাস্য প্রতিভার মিশেলে গড়ে ওঠা সেই ম্যাচ বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সংজ্ঞায়িত অধ্যায় হয়ে আছে এবং ম্যারাডোনার উত্তরাধিকারের সঙ্গেও চিরদিনের জন্য জড়িয়ে রয়েছে।

০০: ০৯

দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যানআর্জেন্টিনার বিপক্ষে সিনিয়র পুরুষ দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে স্পষ্ট আধিপত্য রয়েছে ইংল্যান্ডের। দুই দল সর্বশেষ একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল ২৪ বছর আগে।▪️মোট ম্যাচ: ৫টি▪️ইংল্যান্ডের জয়: ৩টি▪️আর্জেন্টিনার জয়: ১টি▪️ড্র: ১টি

০০: ০৭

আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে নেই রদ্রিগো ডি পল

আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে নেই রদ্রিগো ডি পল

ইংল্যান্ড একাদশগোলরক্ষক: জর্ডান পিকফোর্ড।রক্ষণভাগ: রিস জেমস, মার্ক গেহি, জন স্টোনস, জেড স্পেন্স।মধ্যমাঠ: ডেকলান রাইস, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, মরগান রজার্স।আক্রমণভাগ: হ্যারি কেইন (অধিনায়ক), অ্যান্থনি গর্ডন।

9b244a22-151e-45de-8ad7-83d585c2af63.jpg

আর্জেন্টিনা একাদশগোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।রক্ষণভাগ: নাহুয়েল মোলিনা, সার্জিও রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো।মধ্যমাঠ: লিয়ান্দ্রো পারেদেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ।আক্রমণভাগ: জুলিয়ানো সিমিওনে, লিওনেল মেসি (অধিনায়ক), হুলিয়ান আলভারেজ।

০০: ০০

স্বাগতম!যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা শহরের আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচের দৈনিক আমার দেশ-এর লাইভ কভারেজে আপনাকে স্বাগতম।লিওনেল মেসির নেতৃত্বে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে মাঠে নামছে। অন্যদিকে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্য নিয়ে লড়বে।