সন্দ্বীপে বহুদিন ধরে বেপরোয়া মাটি খননে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে খাস জমি ও কৃষিজমি। সেই অপতৎপরতা রুখতে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় হঠাৎই নামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মগধরা ইউনিয়নের কাটা খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সরাসরি হাতেনাতে ধরা পড়ে মাটি খননের মহোৎসব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মংচিংনু মারমার নেতৃত্বে অভিযানে দেখা যায়—একটি ভেকু মেশিন দিয়ে খাস জমির টপসয়েল তুলে নেওয়া হচ্ছে এবং সেই মাটি স্থানীয় ইটভাটাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ভেকু মেশিন জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ধারার অপরাধে ১৫(১) ধারায় ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ও অবৈধ মাটি ব্যবসার মূল হোতা এহসানুল বারী হাসানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি নিজেই জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মগধরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইলিয়াস হোসেন ও উপজেলা ভূমি সার্ভেয়ার সেলিম।
অভিযানে যৌথভাবে মাঠে নামেন নৌবাহিনীর সন্দ্বীপ কন্টিনজেন্ট, থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা। পুরো এলাকায় কয়েক ঘণ্টা টানটান উত্তেজনা বিরাজ করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা আমার দেশকে বলেন, টপসয়েল কৃষিজমির প্রাণ। অবৈধভাবে এই মাটি কেটে নেওয়া কৃষির ওপর সরাসরি আঘাত। তাই ভেকু জব্দসহ অভিযুক্তকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

