আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

জেলা প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। গতকাল বুধবার তাপমাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা গত ১৮ বছরের রেকর্ড স্পর্শ করেছে। ২০০৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার রেকর্ড ছিল।

চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক তহমিনা নাসরিন জানান, আজ সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে শৈত্যপ্রবাহ চলমান আছে। এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে চুয়াডাঙ্গায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

বিজ্ঞাপন

ভুলটিয়া গ্রামের পুরোনো কাপড় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন ও সবুজ আলী জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে এসব শীতের কাপড় নিয়ে আসেন তারা। গত বছরের তুলনায় এবার মাল কিনতে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। ফলে একটু দামও বেশি নিতে হচ্ছে।

রাকিবুল ইসলাম নামে এক বিক্রেতা জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে গরম কাপড়ের দোকানগুলো ক্রেতাদের ভিড়ে সরগরম হয়ে উঠেছে। সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে কিনছেন পছন্দের শীতের কাপড়। স্বল্পমূল্যে সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, কোট, প্যান্ট, কানটুপিসহ বিভিন্ন ধরনের শীতবস্ত্র পাওয়ায় ক্রেতারাও খুশি।

আব্দুল মজিদ নামে এক ক্রেতা জানান, গার্মেন্টসের দোকানগুলোতে গরম কাপড়ের দাম বেশি। তাই নিম্নবিত্ত পরিবারের লোকেরা কম মূল্যের কাপড় কিনতে ফুটপাতের দোকানগুলোতে বেশি ভিড় জমান।

জেসমিন বেগম নামে এক ক্রেতা জানান, ফুটপাত থেকেও ভালো ভালো শীতের পোশাক পাওয়া যায়। তাই এখান থেকে কিনতে এসেছি। পছন্দ করে তিনটা শীতের পোশাক কিনেছি।

এসআই

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন