আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

নেত্রকোনার মদনে বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যা করলো সেকুল

উপজেলা প্রতিনিধি, মদন (নেত্রকোনা)

নেত্রকোনার মদনে বন্ধুকে কুপিয়ে হত্যা করলো সেকুল

হাসপাতালে ভর্তির সাত দিন পর নেত্রকোনার মদনে বন্ধুর আক্রমণে আহত মাজহারুল ইসলাম মাজুর (৩৫) মারা গেছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ঢাকা মেডিকেলে মাজু মারা যায়। মাজুর মৃত্যুর বিষয়টি তার চাচাতো ভাই ইকরাম ফকির নিশ্চিত করেছেন। মাজু উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের মাহড়া গ্রামের ফকিরবাড়ির মৃত হাজী হোসেন ফকিরের ছেলে।

কী কারণে মাজুর ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিল সেকুল বা কী কারণে দুজনের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল, তা দুই পরিবারের কেউ বলতে রাজি হয়নি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নায়েকপুর গ্রামের তৌহিদ মিয়ার ছেলে সেকুল মিয়া (২৮) দীর্ঘদিন ধরে উপজেলায় ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন। নিহত মাজহারুল ও হত্যাকারী সেকুল মিয়ার মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। গত শনিবার (২৯ মার্চ) রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টার দিকে মাজহারুলকে খুঁজতে তার বসতবাড়িতে যায় বন্ধু সেকুল মিয়া। তাকে না পেয়ে বাড়ির সামনে ওঁত পেতে থাকে সেকুল। মাজহারুল সিংহের বাজার থেকে বাড়িতে আসার সময় ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। তার চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে সেকুলসহ অন্যরা পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক বাড়ির লোকজন মাজহারুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে প্রেরণ করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়। ঢাকা মেডিকেলে শুক্রবার মারা যায় সে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর রাতে লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। তবে, স্থানীয়রা কেউ ক্যামেরার সামনে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি।

সেকুলের মা বলেন, আমার ছেলে মাজুকে কেন মারলো আমি জানি না। মাজুকে আহত করার পর তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন জানান, নিহত মাজহারুল ও সেকুল ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। তারা দুজনই ইয়াবা সেবন করত। তাদের মধ্যে কী নিয়ে বিরোধ ছিল আমাদের জানা নেই।

মদন থানার ওসি নাইম মোহাম্মদ নাহিদ হাসান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের পক্ষ থেকে এখনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন