ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্র দলের দুই নেতাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে জাওয়াদ রুতাপকে সাংগঠনিক পদ এবং নাফিউল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান কররেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
সংঘর্ষের ঘটনায় ৩২জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী আমান উল্লাহ মুয়াজের বড় ভাই ডা. আহমদ শফি।
এঘটনায় সাত দিনের জন্য মেডিকেল কলেজের সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থী আমান উল্লাহ মুয়াজের বড় ভাই শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. আহমদ শফি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটককৃত মেডিকেল শিক্ষার্থী নাফিউল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- ৬১ ব্যাচের তিহান (২১), মীর হামিদুর রহমান (২১), নয়ন (২১), অমিত (২১), ১৪ ব্যাচের ফুয়াদ হাসান বনি (২০), আহনাফ আবিদ (২০), সাব্বির (২১), ১৩ ব্যাচের কাউসার আহমেদ সৌরভ (২১), ৬০ ব্যাচের মাইনুল হাসান (২২) ও মমেক ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে জাওয়াদ রুতাপ (২২) এবং ৫৭ ব্যাচের রাহীসহ (২৫) অজ্ঞাত আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
এদিকে ঘটনা তদন্তে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান সোহানের নেতৃত্বে এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত করে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহ কোতেয়ালী মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম জানান, মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গুরুতর আহত মীর হামিদুর এবং আমান উল্লাহ মুয়াজ বর্তমানে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

