সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত যৌন নিপীড়নের কিছু অভিযোগ কেন্দ্র করে কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে কাঠামোগত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত যৌন নিপীড়নের কিছু অভিযোগকে কেন্দ্র করে কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে কাঠামোগত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ব্রাহ্মণ্যবাদ, আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ ভূমিকার কারণে এবং বাংলাদেশে ইসলামকে ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে ধরে রাখায় কওমি মাদরাসা আবারও ঘৃণাজীবী সেক্যুলার প্রগতিশীলদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। এদেশে ইসলামী মূল্যবোধ ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব যখনই আক্রান্ত হয়েছে, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সিলসিলা বহনকারী কওমি মাদরাসা রুখে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশবিরোধী শাহবাগী শক্তিকে প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিয়েছিল কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম।
তারা আরো বলেন, সম্প্রতি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদরাসার জায়গা-জমি দখলের চক্রান্তস্বরূপ মিথ্যা যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলেও আমরা জেনেছি। সুষ্ঠু তদন্তের আগেই মিডিয়া ট্রায়ালের সুযোগ নিচ্ছে ভূমিদস্যুরা। বিষয়টি উদ্বেগজনক।
হেফাজত নেতৃদ্বয় বলেন, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসাসহ যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়নের ঘটনা খুবই স্পর্শকাতর। কারো বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রমাণিত হলে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই এবং সমস্যাটির প্রতিবিধানে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা প্রয়োগের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে ওলামায়ে কেরাম সবসময় উদ্যোগ নিয়েছেন এবং তাদের বক্তব্য পরিষ্কার। এছাড়া আমরা সারা দেশে ছোট-বড় সব মাদরাসায় শিক্ষার মান, পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরো কঠোর ব্যবস্থা নিতে মাদরাসা পরিচালকদের আহ্বান জানাচ্ছি। সব শিক্ষাঙ্গন হোক শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ— এটিই আমাদের প্রত্যাশা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


