দিনাজপুরের বীরগঞ্জে শিবির কর্মী সালাউদ্দীন ও আসাদুল ইসলাম হত্যা মামলায় আ.লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম নূর (৫৪), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমএ খালেক (৫৬) ও রেজাউল করিম শেখ (৫২)সহ ৬ নেতাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।
রোববার বেলা ২.৩০ টায় দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইব্রাহিম আলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদেরকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন শতগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অব. প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা (৬২), মো. আমিনুল ইসলাম (৫৫) ও যুবলীগ মরিচা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম (৪৫)। বিকেলে তাদেরকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আমিনুল ইসলাম।
সূত্র মতে জানা যায়, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর বীরগঞ্জ উপজেলার ভগিরপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী জহুরা বেগম বাদী হয়ে বীরগঞ্জ থানায় তার দুইপুত্রের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মনোরঞ্জনশীল গোপালসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বীরগঞ্জের ভেলাপুকুর এলাকায় আসামিদের হামলায় শিবির কর্মী সালাউদ্দিন (১৬) ও আসাদুল হক (১৫) গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনই মারা যায়। তৎকালীন সময়ে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায় কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর মামলাটি দায়ের করা হয়।
বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল গফুর জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

