জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারীকৃত বিশেষ আদেশে ৪৯টি লটে ১৮০টি কনটেইনার এবং স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ৭৪টি লটে ১৯৮টি কনটেইনার মিলিয়ে মোট ৩৭৮টি কনটেইনারের পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ই-অকশন পদ্ধতিতে এ নিলাম পরিচালিত হবে। নিলাম কার্যক্রমকে অধিকতর প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য পুরো মার্চ মাস আগ্রহী বিডারদের সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ প্রদান করা হয়েছে এবং অনলাইনে বিড করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রোববার এনবিআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বিশেষ আদেশে নিলামে তোলা ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কনটেইনার পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্রাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিকস, হাউসহোল্ড আইটেমস, গাড়ির পার্টসসহ অন্যান্য সামগ্রী। উল্লেখ্য, এসব পণ্য চালানের নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য (রিজার্ভ ভ্যালু) নির্ধারিত নেই।
অপরদিকে স্থায়ী আদেশে নিলামে বিক্রি করা ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কনটেইনার পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, মেটাল স্ক্র্যাপ, ক্রাফট লাইনার পেপারসহ অন্যান্য পণ্য।
http://auction.nbr.gov.bd/auction/301 নিবন্ধন করে আগ্রহী ক্রেতাগণ ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল E-Auction পোর্টালে অনলাইনে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে।
সর্বোচ্চ দরদাতাদেরকে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর প্রযোজ্য শর্তাবলি অনুসরণ করে পণ্যসমূহ খালাস গ্রহণ করতে হবে।
এনবিআরের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যমান কন্টেইনার জট ও এর ফলে উদ্ভূত নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি নিরসন, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তাসহ জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ সর্বোপরি চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য বিভিন্ন পণ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
উল্লেখ্য, ই-অকশন-২/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চ দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স ৮ এপ্রিল দুপুর ২টায় উন্মুক্ত করা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

