হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় গত ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ইপিআইএর তত্ত্বাবধানে গণটিকাদান কর্মসূচি পালন করছে সরকার। গত ১২ এপ্রিল থেকে ১১মে পর্যন্ত মোট ১৪ দিনের চলমান টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় এই হাম নির্মূল টিকাদান কর্মসূচি চলছে।
এতে ৫৪টি স্থায়ী, ৫০২টি অস্থায়ী, ৩৫টি বৈকালিক, ফ্রাইডে ৮টি কেন্দ্রসহ মোট ৫৯৯টি টিকাদান কেন্দ্র পরিচালনা করছে। ১২ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত ডিএনসিসি'র কাভারেজ ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯০ জন শিশু। যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৭৮%।
হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন এ কোন শিশু যাতে টিকা প্রাপ্তি থেকে বাদ না পরে, সে লক্ষ্যে ডিএনসিসি ঝূঁকিপূর্ণ ৩০টি ওয়ার্ডে ( ওয়ার্ড-২, ৯, ১১, ১২, ১৫, ১৯, ২০, ২৪, ২৬, ৩২, ৩৪, ৩৬,৩৭ থেকে ৫৪) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) ১০৪ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবককে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএনসিসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এই কার্যক্রমের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। আগামী শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই কর্মসূচি ১১ দিনব্যাপী চলবে।
গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিএনসিসি’র ৩১ টি ওয়ার্ডে ৫০টি নির্বাচিত টিকাদান কেন্দ্রে ১২৪ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন টিকাদান কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ১০ টিতে শিশুদের জন্য বিশেষ 'শিশু-বান্ধব কর্নার' স্থাপন করা হবে
ডিএনসিসির বিলবোর্ডে গুলোতে হাম রোগের তথ্যচিএ প্রদর্শনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতমধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিএনসিসি’র ৫৪টি ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক মাইকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচেছ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

