বিশেষ বৃত্তির প্রথম কিস্তিতে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০তম ব্যাচের (২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে টানা ২৬ ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমীন প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। অবশেষে দীর্ঘ ২৬ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হন তারা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের দেওয়া প্রতিশ্রুতির পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই সভায় ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির প্রথম কিস্তিতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আলোচনায় আনা হবে—এ মর্মে শিক্ষক সমিতির সভাপতি তাদের আশ্বস্ত করেছেন।
প্রসঙ্গত, বিশেষ বৃত্তির প্রথম কিস্তিতে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। কর্মসূচির একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এর আগে একই দিন সকালে আবাসন ভাতার দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি কলাভবন, শহীদ সাজিদ ভবন ও বিজ্ঞান অনুষদের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানেই প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই অযৌক্তিকভাবে প্রশাসনিক ভবন অবরুদ্ধ করে রাখায় সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সাময়িক বিড়ম্বনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

