শিক্ষা খাতের তিনটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে প্রথম প্রাধান্য থাকবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করা। এছাড়া কারিকুলাম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন এবং কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করা হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব কথা জানান। এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন এজেন্ডা তুলে ধরেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে কীভাবে আইনের আওতায় আনা যায়, তা দেখা হবে। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আইনের মধ্যে থাকতেই হবে। স্কুল খোলার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ যথাযথভাবে অনুমতি নিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সামনে এসএসসি পরীক্ষা। এই পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য আমরা ব্যাপকভাবে কাজ করব। আশা করি, নকলবিরোধী অভিযানের আর প্রয়োজন হবে না।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকেরা ক্লাস ছেড়ে আন্দোলন করবেন, তা হতে পারে না। তাদের রাজপথে আন্দোলনের প্রয়োজন যেন না হয়, সে জন্য আমরা উদ্যোগ নেব।‘
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্য ১০টি মন্ত্রণালয়ের মতো নয়; এটি একটি মৌলিক মন্ত্রণালয়। এখানে আগে কী হয়েছে, তার ডকুমেন্ট তৈরি করা হবে। এখানে শাস্তি ও পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
তিনি বলেন, বই নিয়ে বাণিজ্য আর হবে না বলে আশা করি।
বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা নিয়ে নানা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষকদের এমপিওর বিষয়টিও পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এসআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

