আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় প্রতিবাদে রাবি শিবিরের বিক্ষোভ

রাবি প্রতিনিধি

শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় প্রতিবাদে রাবি শিবিরের বিক্ষোভ

শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহার মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহতের প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিক্ষোভ করেছে শাখা ছাত্রশিবির।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের ১৭টি হল প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে সমাপ্ত হয়।

বিজ্ঞাপন

এ সময় 'নেতায় করে খাম্বা চুরি, কর্মী ধরে গলায় ছুরি', 'বিএনপির অনেক গুন, নির্বাচনের প্রথম খুন', 'আই হ্যাভ এ প্ল্যান, কিলার তারেক রহমান', 'আমার ভাই মরলো কেন, প্রশাসন জবাব চাই', 'কয় রকমের প্ল্যান আছে, খাম্বা তারেক তোর কাছে' এমনসব স্লোগান দেন তারা।

বিক্ষোভ শেষে রাবি শাখা ইসলামি ছাত্র শিবিরের অফিস সম্পাদক মুজাহিদ ইসলাম বলেন, শেরপুরে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী জামায়াতের একজন নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ৫ই আগস্টের পর আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম এদেশে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় থাকবে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করা শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি অতীত থেকে শিক্ষা না নেন, তাহলে তাকেও এই দেশের সাধারণ জনগণ দেশ থেকে বিতাড়িত করবে। তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনার পরিকল্পনা দেশের মানুষ বুঝে গেছে। আমরা শুধু আজকের এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এখানে দাঁড়াইনি; বরং বিএনপির সারাদেশে চলমান ধারাবাহিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখাতেই আমরা এখানে এসেছি। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে এদেশের জনগণ বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনীকে লাল কার্ড দেখাবে।

সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা বলেন, আমরা দেখেছি শেরপুর-৩ আসনে সকল প্রার্থী তাদের ইশতেহার ঘোষণা করছিলেন। এসময় বিএনপি তাদের উপর নৃশংস হামলা চালায় এবং তাদের হামলায় জামায়াতের এক নেতা নিহত হন। আমরা ৫ আগস্টের পরে ভেবেছিলাম বাংলাদেশে আর খুনের রাজনীতি থাকবে না। আমরা এটাও দেখেছি কিভাবে রাজনৈতিক অন্তরকোন্দলে পাথর দিয়ে মানুষকে হত্যা করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ভেবেছিলাম তারেক রহমান দেশে আসলে একটা সুষ্ঠ রাজনীতির চর্চা হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম নির্বাচনী প্রথম খুন এই তারেক রহমানের বাহিনী করেছে। আমরা এই খুনিদের ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে ব্যালট যুদ্ধের মাধ্যমে বয়কট করবে। কালকে রাজশাহীতে তারেক রহমানের একটি সমাবেশ হয়েছে আমরা এই সমাবেশ বয়কট করলাম।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...