ঢাকা-৮ আসনে ১১দলীয় ঐক্যবদ্ধ নির্বাচনি জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, সকালে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে পরিবেশ সুষ্ঠু মনে হলেও মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্রে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করা হয়েছে।
তিনি জানান, তার এজেন্টকে প্রথমে প্রায় এক ঘণ্টা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হলেও পরে সেই সময়সীমা তিন ঘণ্টা পর্যন্ত গড়ায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ওই তিন ঘণ্টা কেন্দ্রের ভেতরে কী ঘটেছে এবং এ বিষয়ে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি জানান।
নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা নয় বরং মির্জা আব্বাসের দলীয় লোকজন তার এজেন্টকে চেকিং করেছে, যা ২০২৬ সালের বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অগ্রহণযোগ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে লাঙ্গল (জাতীয় পার্টি) ও ধান (বিএনপি) প্রতীকধারীরা এক হয়ে গেছে এবং তাদের পেছনে আওয়ামী লীগ ও ভারতের সমর্থন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এই পরিস্থিতিকে জনগণের কাছে একটি ‘খেলা’ হিসেবে অভিহিত করেন।
প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জেনজি ও নারী ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক ভোটার প্রাণের ভয়ে অন্য প্রতীকের স্লিপ নিয়ে এলেও কেন্দ্রে গিয়ে ‘শাপলাকলি’ প্রতীকে ভোট দিচ্ছেন। সম্ভাব্য বিজয়কে তিনি নিজের নয়, বরং শহীদ উসমান হাদি ভাইয়ের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ভোটাররা উসমান হাদি হত্যার বিচারের আশায় তাকে সমর্থন করছেন।
জয়ী হলে প্রশাসনের মাধ্যমে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের নির্মূলের অঙ্গীকার করেন নাসিরউদ্দিন।
তিনি বলেন, কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা স্থায়ী কমিটির সদস্যের ভয়ে তিনি ভীত নন এবং জনগণের রায়কেই মুখ্য মনে করেন। যারা তাকে আগে আঘাত করেছে তাদের ক্ষমা করলেও জালেমদের বাংলার মাটি থেকে উচ্ছেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
নির্বাচনি সহিংসতার প্রসঙ্গে তিনি জানান, গতকাল তাদের ১৩ জন কর্মী আহত হয়েছেন। প্রশাসনকে সতর্ক করে তিনি বলেন, প্রশাসন বা সেনাবাহিনীর সামনে কাউকে আঘাত করা হলে তারা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাবেন। একই সঙ্গে তিনি তার সমর্থকদের ভয় না পেয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে থাকার আহ্বান জানান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে যুবদল নেতা আটক