দীর্ঘদিন ধরে বেতন প্রাপ্তির পদ্ধতিগত জটিলতায় ভোগান্তিতে পড়তে হতো সারাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিকে কাজ করা প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের (সিএইচসিপি)। এতে বেতন তুলতে গিয়ে অনেক সময় বাড়তি খরচ দিতে হতো। তবে সেই দুর্ভোগ কাটিয়ে এখন থেকে ইএফটির (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) মাধ্যমে বেতন পাবেন তারা। এতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বেতন জমা হবে।
২২ আগস্ট থেকে এই পদ্ধতিতে সিএইচসিপিদের বেতন-ভাতা চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট।
জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান আমার দেশকে বলেন, ‘আগে তারা একটি প্রকল্পের অধীনে ছিলেন। ফলে ট্রাস্ট থেকে বেতন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে যেত। সেখান থেকে সিএইচসিপিদের মাঝে বিতরণ করা হত। এতে করে মাঝেমধ্যে অনিয়মের ঘটনা ঘটতো। খরচ কমবেশি হতো, অনেক সুযোগ-সুবিধা তারা পেতনা। নতুন এই পদ্ধতির কারণে এখন থেকে বেতন সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।’
জানা গেছে, বেতন ছাড়াও সিএইচসিপিদেরকে সরকার প্রদত্ত যে কোনো পারিতোষিক (অর্থ) চলতি মাস থেকে বিকাশের মাধ্যমে দেওয়া শুরু হয়েছে। এই পদ্ধতিতে সিস্টেম লস শূন্যে নামানো সম্ভব হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন-ভাতা প্রদানে স্বচ্ছতা আনতে এই উদ্যোগকে কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্টের যুগান্তকারী সাফল্য মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রথমে সিএইচসিপিদের চাকরি প্রকল্পের অধীনে থাকায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চতুর্থ সেক্টর প্রোগ্রামের অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) মাধ্যমে বেতন দেওয়া হত। অন্তর্বর্তী সরকার সিএইচসিপিদের চাকরি ট্রাস্টে ন্যস্ত করেছে। সবশেষ গত জানুয়ারিতে ১৬তম গ্রেডের এই স্বাস্থ্যকর্মীদের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

