সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্পের ‘র্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট’ প্রতিবেদনের সঠিকতা নিরূপণে একটি কর্মশালা সোমবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি)অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব।
কর্মশালায় প্যানেল আলোচক ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক মো. মাহমুদুর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।
অনু্ষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটউট অব হেলথ ইকোনমিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শাফিউন নাহিন শিমুল র্যাপিড নিডস অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট উপস্থাপন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, জুলাই আন্দোলনের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এই প্রকল্পে শিক্ষার্থীরা কি ধরনের মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং শিক্ষা ও সামাজিক জীবনে কি প্রভাব ফেলছে তা গবেষণার মাধ্যমে নিরূপণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদানের কাজ চলমান আছে।
অধ্যাপক মাছুমা হাবিব তাঁর বক্তব্যে দেশের প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কেন্দ্র গঠন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এটি শিক্ষার্থীদের আচরণ পরিবর্তন এবং পারিপার্শ্বিক চাপ কমাতে সহায়তা করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রকৃত অবস্থা জানতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আরও বেশি গবেষণা হওয়া দরকার বলে তিনি জানান।
ইউজিসি’র ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোছা. জেসমিন পারভীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল এন্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের আধ্যাপক ড. মেহেজাবিন হক, অ্যাসোসিয়েট অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমানসহ ২২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, ইউজিসি ও ইউনেস্কো’র কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশ নেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

