আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

সচিবালয়ে খাদ্য উপদেষ্টা

নির্বাচনের আগেই বিপুল খাদ্য মজুদ করতে চায় সরকার

স্টাফ রিপোর্টার

নির্বাচনের আগেই বিপুল খাদ্য মজুদ করতে চায় সরকার

বর্তমান সময়ে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতায় রয়েছে। সরকারের হাতেও সর্বোচ্চ পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। বর্তমান সরকার এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে যেতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে আসন্ন নির্বাচনের আগেই সারাদেশে ধান চাল সংগ্রহ অভিযান শেষ করতে চায় সরকার। পরবর্তী সরকার যখন দায়িত্ব নেবে তখন খাদ্য মজুদ অনেক বেশি পরিমাণে থাকবে বলে আশা করি।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চলতি বছরের ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পর্যাপ্ত মজুদ গড়ে তুলেছিল, এজন্যই ধান চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আছে।

উপদেষ্টা বলেন, আগে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হতো এখন থেকে সেটা বাড়িয়া ৫৫ লাখ এ করা হয়েছে। আগে যেখানে ৫ মাস পেতো এখন সেটা ৬ মাস করা হয়েছে। এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কমিটেড।

আলী ইমাম মজুমদার, আমন সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ থেকে। চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত। এবার সারা দেশে ধান চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৭ লাখ টন। এর মধ্যে ৫০ হাজার টন ধান, ৫০ হাজার টন আতপ চাল ও ৬ লাখ টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হবে। অর্থাৎ সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হবে।

তিনি বলেন, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে প্রতি কেজি ধান ৩৯ টাকা, প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল ৫০ টাকা, প্রতি কেজি আতপ চাল ৪৯ টাকা দরে কেনা হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত আমন মৌসুমে সরকার ৫ দশমিক ৫ লাখ টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও সংগ্রহ হয় ৪ দশমিক ৩৫ লাখ টন। আতপ চাল সংগ্রহ হয় ৮৪ হাজার ৬১ টন, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ টন।

ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৫০ লাখ টন, কিন্তু সংগ্রহ হয় মাত্র ২৬ হাজার ৭১৪ টন। এতে বিপুল পরিমাণ ঘাটতি দেখা দিলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮ লাখ টন চাল বিদেশ থেকে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খুচরা বাজারে চায়না ইরি ও স্বর্ণা জাতের মোটা চাল প্রতি কেজি ৫৪ থেকে ৬০ টাকায় এবং মাঝারি মানের পাইজাম-আটাশ জাতের চাল ৫৮ থেকে ৭০ টাকায় এবং সরুজাতের মিনিকেট ও নাজিরশাইল চাল ৭২ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...