ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশী তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হবে।
মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘকালের। সেই প্রেক্ষাপট স্মরণ করে চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিপাক্ষিক সংলাপে আমি “Dhaka–Beijing Youth Fellowship” চালুর প্রস্তাব দিয়েছি।
চীনের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ সিংহুয়া ইউনিভার্সিটিতে আজ ডাকসু, সিংহুয়া প্রশাসন ও ছাত্র সংসদ এবং চীন সরকারের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় ইয়ুথ পার্টিসিপেশন ও ক্যাম্পাস গভর্ন্যান্স, ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ইয়ুথ মিশন অ্যান্ড অপরচুনিটিস-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে।
দীর্ঘ এই আলোচনায় আমরা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক বিনিময়, প্রযুক্তিগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক আদান-প্রদান, পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটি এবং যুব নেতৃত্বের বিকাশের ওপর জোর দিয়েছি।
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে কেবল সরকার-টু-সরকার পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থী, গবেষক, উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা ও তরুণ নেতৃত্বের পরিসরে বিস্তৃত করতে আমরা চীনের শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছি। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, বৈশ্বিক বৈষম্য ও সামাজিক অস্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছি।
সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের প্রেসিডেন্ট মিয়াও শুও ডাকসুর মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘গ্লোবাল ইয়ুথ ডায়লগ’-এ অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। আমরাও সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্টুডেন্টস ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের আসন্ন ‘২য় আন্তর্জাতিক জুলাই কনফারেন্সে’ অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।
উভয় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য চীনের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টিতে আমরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছি।
আশা করছি, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশী তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


