ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার কমানোর পরিকল্পনা

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার কমানোর পরিকল্পনা

প্রস্তাবিত বাজেটে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন কর্ডলাইন নির্মাণ হলে এই রুটের মধ্যবর্তী দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে এবং ট্রেন যাত্রার সময় ৫ ঘণ্টা থেকে কমে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টায় নেমে আসবে। বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ, রাজধানীকে দেশের সব জেলা ও প্রধান শহরের সঙ্গে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা, বন্দরগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্দেশীয় রেল যোগাযোগ উন্নয়ন করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম কর্ডলাইন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি অ্যালাইনমেন্টের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত একটি অ্যালাইনমেন্ট প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন এই লাইন চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মোট দূরত্ব ৩২০ কিলোমিটার থেকে কমে ২৪০ কিলোমিটারে নেমে আসবে।

মন্ত্রীর বক্তব্য থেকে আরো জানা যায়, নতুন কর্ডলাইনটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দর, বে-টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রেনগুলো সরাসরি ধীরাশ্রম আইসিডির সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে। এতে দেশের লজিস্টিকস ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে বড় ধরনের গতি আসবে।

রেল খাত নিয়ে মন্ত্রী আরো জানান, ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ, গেজ ইউনিফিকেশন, আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালুর কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া সৈয়দপুর ও পাহাড়তলীর রেলওয়ে ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বাড়িয়ে স্থানীয়ভাবে কোচ ও লোকোমোটিভ সংযোজনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ রেলওয়েকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পণ্য পরিবহন খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হচ্ছে।

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...