আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

নির্বাচন বিতর্ক ও জাতীয় ঐক্য

ড. মো. খালেদ হোসেন

নির্বাচন বিতর্ক ও জাতীয় ঐক্য

সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেছেন, ‘নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।’ জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) বিষয়ক তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণের পর তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে প্রশাসনের কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, মূলধারার মিডিয়ার একটি বড় রাজনৈতিক পক্ষের প্রতি অতিমাত্রায় ঝুঁকে পড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা এবং কিছু রাজনীতিবিদের দায়িত্বহীন ও হঠকারী আচরণ দেখে অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন—খোলামেলা নির্বাচন ডাকাতি হয়তো নাও ঘটতে পারে, কিন্তু আসন্ন নির্বাচনে সূক্ষ্ম ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না; ঠিক যেমনটি ২০০৮ সালের নির্বাচনে দেখা গিয়েছিল। এর প্রধান কারণ হলো ফ্যাসিবাদী প্রশাসনিক কাঠামো ও একপক্ষীয় মিডিয়া ব্যবস্থাপনা প্রায় আগের মতোই বহাল রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে যে অস্থিরতা ও বিতর্ক ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে, তা কোনো আকস্মিক প্রশাসনিক ভুল কিংবা সাময়িক রাজনৈতিক উত্তেজনার ফল নয়। বরং এটি দীর্ঘদিন ধরে চর্চিত নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র ও নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন মডেলের স্বাভাবিক পরিণতি, যেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো ঠিকই, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাকে কাঠামোগতভাবে সীমাবদ্ধ করে রাখা হয়। বর্তমানে যে লক্ষণগুলো দেখা যাচ্ছে, সেগুলোর প্রতি এখনই সতর্ক দৃষ্টি দেওয়া জরুরি। অতি-উৎসাহী কিছু প্রশাসনিক গোষ্ঠী, প্রভাবশালী মিডিয়া হাউস এবং তথাকথিত সুশীল সমাজের কিছু সদস্য, যারা একসময় হাসিনাকে স্বৈরাচারে রূপান্তরিত করতে ভূমিকা রেখেছিল, তারা এখনো সেই পুরোনো অভ্যাস ত্যাগ করতে পারেনি। তারা ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও সরকার ব্যবস্থাকেও একই পথে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষ যদি এ বিষয়ে সচেতন না হন, তবে আগামীর বাংলাদেশেও রক্তপাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বিজ্ঞাপন

এই প্রেক্ষাপটে কিছু আলামত বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। বিশেষ করে কয়েকজন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা বিএনপি, জামায়াত, অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন মানদণ্ড ব্যবহার করছেন। এর ফলে শুরুতেই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং এ নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। যদি প্রশাসন একপক্ষীয় ভূমিকা পালন করে, তবে নির্বাচন আর রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র থাকে না; তা পরিণত হয় নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাপনায়। এই সংকটের কেন্দ্রে রয়েছে এক অদৃশ্য ও শক্তিশালী আমলাতান্ত্রিক বলয়। সে কারণেই সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেছেন, ‘প্রশাসনের আচরণ যদি একপক্ষীয় হয়, তাহলে নির্বাচনের প্রয়োজনই পড়ে না।’ টিআইবির ইফতেখারুজ্জামানের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ‘রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে না হয়ে বরং আমলাতন্ত্রের ভেতরে থাকা কিছু ক্ষমতাবান গোষ্ঠীর হাতেই নির্ধারিত হচ্ছে।’ এই কাঠামোয় নির্বাচন আর গণতন্ত্রের চর্চার বদলে ক্ষমতা পুনর্বিন্যাসের একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় রূপ নিচ্ছে।

এই প্রক্রিয়াকে আরো বৈধতা দিচ্ছে মূলধারার মিডিয়ার একটি বড় অংশ। প্রশ্নহীন প্রশংসা, ব্যক্তিকেন্দ্রিক অতিমাত্রিক রাজনৈতিক ইমেজ নির্মাণ এবং আগাম ক্ষমতার বয়ান স্পষ্ট করে দেয় যে, মিডিয়া এখন নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকের বদলে ক্ষমতা-উত্তর রাজনীতির সক্রিয় অংশীদার হওয়ার লড়াইয়ে নেমে পড়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিগত প্রশ্নের পরিবর্তে ব্যক্তির জনপ্রিয়তা ও ব্যক্তিত্বের গল্পই প্রধান আলোচ্য হয়ে উঠছে। ৫ আগস্টের পর জামায়াতকে নিয়ে এমন হাইপ থাকলেও বর্তমানে একটি স্পষ্ট উদাহরণ দেখা যায় তারেক রহমানকে ঘিরে মিডিয়ার আচরণে। মূলধারার মিডিয়ার অনেকে তাকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফলাও করে উপস্থাপন করেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তাকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করার পরদিনই তিনি প্রথম কর্মসূচি হিসেবে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে অনেক সম্পাদক ও সাংবাদিক তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে বলেন, তিনি নাকি নিজেই জানেন না কতটা জনপ্রিয় তিনি; ‘আমরা গণতন্ত্র চাই, স্বাধীন সাংবাদিকতা চাই’, ‘তারেক রহমান আমূল বদলে গেছেন’, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চাই’—এ ধরনের বক্তব্যই আলোচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে। কেবল মাহমুদুর রহমান তাকে সতর্ক করে বলেন, ‘আপনি জানেন না, এখানে কী হয়েছে।’ কিন্তু ওই বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্র হওয়া উচিত ছিল ভিন্ন জায়গায়; যেমন—আগামী বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো কী, সেসব মোকাবিলায় মিডিয়ার ভূমিকা কী হওয়া উচিত এবং তারেক রহমানের রাজনৈতিক দায়িত্ব ও করণীয় কী। এই সুযোগ নষ্ট হওয়ার মধ্য দিয়েই জনগণ স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছে মিডিয়ার একটি বড় অংশ অতি-বিএনপি অবস্থানে চলে গেছে, যদিও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে ছিলেন অতিসতর্ক ও বিনয়ী; তিনি প্রকাশ্য স্তুতিবাক্য গ্রহণ করতে অনাগ্রহী ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এই সংকটকে আরো তীব্র করছে। এখানে প্রকৃত অর্থে জনমত গঠিত না হয়ে বরং নিয়ন্ত্রিত বিশৃঙ্খলা উৎপাদিত হচ্ছে। ট্রল, ভুয়া কনটেন্ট এবং ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী ‘ট্যাগ’ রাজনীতিকে আগের মতোই শত্রুতায় রূপান্তরিত করছে। কেউ ‘রাজাকার’, কেউ ‘পাকিস্তানি’, কেউ ‘ভারতীয় দালাল’, কেউ ‘জান্নাতি’, কেউ ‘জাহানামি’—এ ধরনের ট্যাগ রাজনীতির ফলে রাজনৈতিক সহাবস্থান ভেঙে পড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জরিপ ও সংখ্যার রাজনীতি। কিছু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জরিপ জনমত মাপার চেয়ে বেশি কাজ করছে একটি মনস্তাত্ত্বিক অপারেশন হিসেবে; ভোটারকে আগাম বিজয় বা পরাজয়ের মানসিকতায় বন্দি করে ফেলছে, যাকে অনেকে ২০০৮ সালের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করছেন। এর ফলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা সংকুচিত হয়; গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। সব মিলিয়ে একটি নীরব প্রকল্প কাজ করছে, যা নির্বাচনকে রাজনীতিবিদদের জন্য অনিরাপদ ও অনিশ্চিত করে তোলা, পারস্পরিক অবিশ্বাস উসকে দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকেই বিতর্কিত করে তোলা। এই পথ শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরকে ঝুঁকির মুখে ফেলে এবং চরম পরিস্থিতিতে সামাজিক সংঘাতের সম্ভাবনাও তৈরি করে।

কেন এবারের নির্বাচন অনন্য

এবারের নির্বাচন আর পাঁচটি ক্ষমতা হস্তান্তরের নির্বাচন নয়; এটি ‘বাংলাদেশ ২’ বা নয়া রাষ্ট্র গঠনের নির্বাচন। এখানে প্রশ্ন কেবল কে ক্ষমতায় যাবে তা নয়; প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ কোন ধরনের রাষ্ট্র হতে চায়? একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র, নাকি কেবল ক্ষমতার পালাবদলের মধ্যেই আটকে থাকা একটি ভঙ্গুর ব্যবস্থা। গত দেড় দশকের অভিজ্ঞতা স্পষ্ট করে দেখিয়েছে—নির্বাচন দুর্বল হলে রাষ্ট্রও দুর্বল হয়। নির্বাচন যদি আস্থাহীন হয়, তবে শাসনব্যবস্থা বৈধতা হারায়। আর বৈধতাহীন রাষ্ট্র ধীরে ধীরে ব্যর্থ রাষ্ট্রের দিকে অগ্রসর হয়। এই বাস্তবতা থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হলে কেবল রাজনৈতিক সমঝোতা ও রাষ্ট্রীয় ঐকমত্য প্রয়োজন। বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতারও প্রশ্ন। এই সত্য রাজনীতিবিদদের বুঝতে হবে, সচেতন সমাজকে বুঝতে হবে এবং সর্বাগ্রে বুঝতে হবে মিডিয়াকে; নচেৎ নির্বাচন থাকবে, কিন্তু গণতন্ত্র থাকবে না।

কেন রাজনীতিবিদদের আগাম জাতীয় ঐক্য জরুরি

নির্বাচনের আগে যদি ন্যূনতম ও স্পষ্ট জাতীয় ঐক্য না থাকে, তবে নির্বাচন নিজেই গণতান্ত্রিক সমাধানের মাধ্যম না হয়ে সংঘাতের উৎসে পরিণত হয়। দেশের ইতিহাসে দেখা যায়—অবিশ্বাস, অনিশ্চয়তা ও শূন্য-সমঝোতার রাজনীতির মধ্যে অনুষ্ঠিত নির্বাচন রাজনৈতিক মেরূকরণ ও সহিংসতার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। তাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু তার পাশাপাশি সংলাপ ও বোঝাপড়ার দরজা সর্বদা খোলা রাখতে হবে। আলোচনা কোনো দুর্বলতা প্রকাশের চেয়ে বরং একটি রাষ্ট্র গঠনের একটি অপরিহার্য পূর্বশর্ত। যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে আগ্রহী, তাদের এই মুহূর্তে প্রমাণ করতে হবে তারা ক্ষমতার চেয়ে রাষ্ট্রকে এবং দলীয় স্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে সক্ষম। গণতন্ত্র কেবল ভোটের প্রতিযোগিতা নয়; এটি দায়িত্বশীল আচরণ, পারস্পরিক সংযম এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো নিয়ে সম্মিলিত দৃষ্টিভঙ্গির নাম।

রাজনীতিবিদদের ন্যূনতম অঙ্গীকার

এই প্রেক্ষাপটে কিংবা নির্বাচনের পরপরই দেশের রাজনৈতিক নেতাদের উচিত কিছু বিষয়ে ঐকমত্যের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার থাকা। যেমন—প্রথমত, জুলাই সনদ ও কাঠামোগত সংস্কার প্রশ্নে একটি ন্যূনতম ঐকমত্য গড়ে তোলা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দাবি। যেকোনোভাবেই এটি কোনো একক দল বা জোটের এজেন্ডা নয়; এটি রাষ্ট্রের পুনর্গঠন ও আত্মরক্ষার প্রশ্ন। দ্বিতীয়ত, সবাই মিলে একটি সুস্থ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার। তৃতীয়ত, রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সহযোগিতা ও সহাবস্থানের অঙ্গীকার। চতুর্থত, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার ও আইনের সুরক্ষার নিশ্চয়তা। পঞ্চমত, মতপ্রকাশ, সমালোচনা ও ভিন্নমতের অধিকারকে গণতন্ত্র ও ক্ষমতাচর্চার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি। অবশেষে, জনগণের রায়ে নির্বাচিত যে দল বা জোট ক্ষমতায় আসুক, শান্তিপূর্ণভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস। দেশের প্রেক্ষাপটে এ বিষয়গুলোয় আশ্বাস ছাড়া টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করা সম্ভব নয়।

সেক্ষেত্রে একটি রোডম্যাপ করা যেতে পারে; যেমন—কোন সংস্কার আগে কোনটি পরে, কোন বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য আর কোন বিষয়ে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, নির্বাচনের আগে কী কী বাস্তবায়নযোগ্য আর নির্বাচনের পর কোন প্রক্রিয়া চলবে। এই সমগ্র প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে জনগণ। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ যথার্থই বলেছেন, ‘মানুষ পরিবর্তন না চাইলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হতো না। মানুষ না চাইলে এই প্রক্রিয়ায় দেশ চলত না।’ এই বক্তব্য বলে দেয়—গণতন্ত্র কোনো দয়া নয়, বরং এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও অংশগ্রহণের ফল। রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব হলো সেই আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করা ও তা বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেওয়া। যদি রাজনীতিবিদরা এই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হন, তবে নির্বাচন হবে, কিন্তু রাষ্ট্র সামনে এগোবে না। আর রাষ্ট্র না এগোলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশ, দেশের জনগণ এবং দেশের সব প্রতিষ্ঠান—একই সঙ্গে ক্ষমতায় থাকা ও ক্ষমতার বাইরে থাকা সব রাজনৈতিক পক্ষ।

লেখক: রাজনীতি বিশ্লেষক ও একাডেমিক ডিরেক্টর, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স অ্যান্ড সিভিলাইজেশনাল স্টাডিজ (সিজিসিএস)

khaled.du502@gmail.com

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন