চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ছাত্রশিবির কর্মী ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়েছে ২২ জন। সোমবার চকবাজার থানা এলাকায়ি এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম মহানগর শাখা। মঙ্গলবার সংগঠনটির ওই শাখার প্রচার সম্পাদক সিরাজী মানিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সভাপতি তানজীর হোসেন জুয়েল ও সেক্রেটারি মুমিনুল হক বলেন—চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত সদ্য বহিষ্কৃত যুবদল নেতা বাদশাহর অনুসারীরা কিছুদিন পূর্বে ভ্যান থেকে চাঁদাবাজি করতে গেলে ছাত্রশিবিরের জনশক্তি মো. আরিফ স্থানীয় জনতাকে সঙ্গে নিয়ে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এ ঘটনার ক্ষোভে সোমবার রাতে আরিফকে একা পেয়ে চাঁদাবাজ বাদশাহর অনুসারীরা আরিফকে ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে থানায় নিয়ে যায়। অথচ আরিফ স্বৈরাচারীর আমলে ২০১৮ সালে রাজনৈতিক মামলায় ছাত্রশিবির হিসেবে গ্রেফতার হয়। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে গুরুতর আহত হন।
নেতৃবৃন্দ বলেন—ঘটনা জানতে পেরে আরিফকে ছাড়াতে তার ক্লাসমেটসহ শিবিরের কয়েকজন দায়িত্বশীল থানায় যান। এ সময় আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা বহিষ্কৃত যুবদল নেতা বাদশাহর নেতৃত্বে যুবদল ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে ভারী ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আহত গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী জাবেরুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাকে এখন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন—মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় পুরো জাতি যেখানে শোকে স্তব্ধ, সেখানে যুবদল ও ছাত্রদলের এহেন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে আমরা হতবাক। তাদের এ ধরনের চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কোনোভাবেই চলতে পারে না। আমরা ছাত্রশিবিরের জনশক্তি ও শিক্ষার্থীদের ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান করছি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

