গত ১৭ বছরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে ঢাকা-৮ আসন ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি নির্বাচিত হলে এই এলাকাকে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও চাঁদাবাজিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগ ও শাহজাহানপুর এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় মির্জা আব্বাস বলেন, “গত ১৭ বছর আমার এলাকাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি শেষ করে দিয়েছে। আমি কথা দিচ্ছি, আমার এলাকাকে এসব অপশক্তি থেকে মুক্ত করবো।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অন্য দল ও সরকারের কিছু মহলের বক্তব্যে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কিছু কথা শুনে মনে হচ্ছে—ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেছেন, ঢাকা শহরে তারা আমাদের একটি সিটও দেবে না। প্রশ্ন হলো, সিট দেওয়ার মালিক তারা কে? আল্লাহ এবং জনগণই এই দেশের সিটের মালিক। জনগণের ভোটই ক্ষমতার একমাত্র উৎস। কোনো দল বা গোষ্ঠী কাউকে আসন দেওয়ার মালিক নয়; আল্লাহ এবং জনগণই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী।”
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, এলাকার জনগণ যেভাবে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছিলেন, আজও তারা আমার ও আমার দলের কার্যক্রম বিবেচনা করে আবারও আমাকে নির্বাচিত করবেন ইনশাআল্লাহ।
জামায়াতের আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কর্মসংস্থান নিয়ে জামায়াতের আমিরের বক্তব্য নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তারা বলছেন, বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন— বিষয়টি জনগণই মূল্যায়ন করবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, “একজন প্রার্থী বলেছেন ঢাকা শহরে তারা আমাদের কোনো আসন দেবেন না। আমার প্রশ্ন— আসন দেওয়ার মালিক কে? আসন দেওয়ার মালিক আল্লাহ ও জনগণ। জনগণের ঊর্ধ্বে গিয়ে কথা বলা স্বেচ্ছাচারিতা ও অগণতান্ত্রিক আচরণ। তারা এসব বলার শক্তি কোথায় পায়? এখন মনে হচ্ছে, কোনো একটি বিশেষ শক্তি নির্বাচনী কারচুপির মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা করছে, যা জনগণ ইনশাআল্লাহ প্রতিহত করবে।”
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি চাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। কিন্তু কিছু দলের কথাবার্তা ও সরকারের একটি মহলের আচরণে মনে হচ্ছে ‘সামথিং ইজ রং, ডাল মে কুছ কালা হ্যায়’। তবে বাংলাদেশের জনগণ সবসময় সচেতন ও প্রতিবাদী।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

