স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্য এই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। শুধু একটু ধৈর্য ধরেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগের আওতায় সকলেই আসবেন। জেলা প্রশাসকও এই কার্ড পাবেন, আমার স্ত্রীও এই কার্ড পাবেন, সকল নারী এই কার্ডের আওতায় আসবে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ঈদগা মাদ্রাসা মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বিশ্বাস করি জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। ১৫ বছর দেশে কোনো আইনি কানুন ছিল না, ১৫ বছর যারা যেটা খুশি করে গেছে। টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয়নি। এবার ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাউকে কোনো টাকা পয়সা দিতে হয়নি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের কথা রেখেছি। সরকার গঠনের ২২ দিনের মধ্যে আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ ফ্যামিলি কার্ড আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি। এ কার্ড নারীদের শক্তি হবে। আপনারা কেউ হতাশ হবেন না। এই পরিকল্পনাটা এমন যে, প্রতিটি পরিবারের প্রধান নারী সদস্য এই কার্ড পাবেন। শুধু একটু ধৈর্য ধরেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগের আওতায় সকলেই আসবেন। জেলা প্রশাসকও এই কার্ড পাবেন, আমার স্ত্রীও এই কার্ড পাবেন, সকল নারী এই কার্ডের আওতায় আসবে।
তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। কৃষকদের সুবিধার জন্য খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যাতে তারা সহজে সেচ সুবিধা পেতে পারেন। এছাড়া জেলার উন্নয়নে মেডিকেল কলেজ ও বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বেকার যুবকরা যাতে বাড়িতে বসে দুই থেকে তিন লাখ টাকা আয় করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

