
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৯২/৩ (৯০ ওভার), প্রথম দিনশেষে
গলে দিনের শুরুতে তিন উইকেট হারিয়ে বেশ বিপদেই পড়েছিল বাংলাদেশ। ৪৫ রানে তিন উইকেট হারানোর পর ক্রিজে আসা নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের ডাবল সেঞ্চুরি জুটিতে প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। মুশফিক ও শান্ত দুজনই পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। আগামীকাল দ্বিতীয় দিনের শুরুটা বাংলাদেশ কেমন করে এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।
ম্যাচ চলাকালে ধারাভাষ্যকাররা বারবারই বলছিলেন, গলে প্রথম ইনিংসের রানই গুরুত্বপূর্ণ। সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজটা বাংলাদেশ কতটুকু এগিয়ে রাখতে পারে, তা দেখতেই এখন চোখ রাখতে হবে।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২৮০/৩ (৮৬ ওভার)
৭ টেস্ট ও ১৩ ইনিংস পর সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মুশফিকুর রহিম। এটা তার ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। গলে তৃতীয়বার খেলতে নেমে মুশফিকের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ১৩ ইনিংস পর ১৭৬ বল খেলে মুশফিক সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস-২৪৭/৩ (৭৮ ওভার)
৩৬৬ বলে ডাবল সেঞ্চুরি জুটি পূর্ণ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ ডাবল সেঞ্চুরি জুটি।
বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে এটি ১৫তম ডাবল সেঞ্চুরি জুটি। চতুর্থ উইকেট জুটিতে এটা তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি জুটি। আগের ১৪ ডাবল সেঞ্চুরি জুটিতে ৬ টিতে আছে মুশফিকুর রহিমের নাম। শান্তর নাম আছে দুইটি ডাবল সেঞ্চুরি জুটিতে। দেশের বাইরে এটি বাংলাদেশের পঞ্চম ডাবল সেঞ্চুরি জুটি।

১১ ম্যাচ আর ২০ ইনিংস পর সেঞ্চুরির দেখা পেলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আজকের এই সেঞ্চুরি শান্তর ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি। এর আগে ২০২৩ সালে সিলেটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির দেখা পান শান্ত। সেটা ছিল ২০২৩-২৫ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। ওই ম্যাচে শান্তর সেঞ্চুরিতে ভর করে নিউজিল্যান্ডকে হারায় বাংলাদেশ।
এই সেঞ্চুরি করার পথে ২০২ বলে ১১ চার ও এক ছক্কা হাঁকান তিনি। খেলেছেন ১৪২ ডট বল।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ২০০/৩ (৬৩ ওভার)
পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে দুই টেস্টেই একটি করে ১৫০-এর বেশি রানের জুটি পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর লম্বা প্রতীক্ষার পর এমন বড় জুটি আসল বাংলাদেশি ব্যাটারদের ব্যাটে। শান্ত ও মুশফিক এই জুটিতে এখন পর্যন্ত যোগ করেছেন ১৫৫ রান। তাদের ব্যাটে ভর করে প্রথম দিনটা দারুণভাবে শেষ করতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
১৫৫ রানের জুটি গড়া শান্ত ও মুশফিক এখনও আছেন ক্রিজে। মুশফিক ৭২ ও শান্ত ৮২ রানে অপরাজিত আছেন।
টেস্টে এই নিয়ে ৩৭তম বারের মতো ১৫০ ছা্ড়ানো জুটির দেখা পেল বাংলাদেশ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ টিই করেছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬ টি পাকিস্তানের বিপক্ষে।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস-১৮২/৩ (৫৮ ওভার)
প্রথম সেশন তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ দ্বিতীয় সেশনে হারায়নি একটি উইকেটও। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের দারুণ দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ এখন আশায় আছে বড় ইনিংস গড়ার। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে মুশফিক ৬৬ ও শান্ত ৭০ রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ১৫০/৩ (৪৯ ওভার)
রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ১৯১ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম। ওই দারুণ ইনিংসের পর ১৩ ইনিংসে ছিল না কোনো ফিফটি। ফলে তাকে নিয়ে হয়েছে তুমুল সমালোচনা। লঙ্কায় নিজের পয়মন্ত ভেন্যুতে ফিরেই যেন রান করার নেশা পেয়ে বসেছে মুশফিককে। দেখেশুনে ব্যাট চালিয়ে নিজের ইনিংস সাজিয়েছেন মুশফিক। তাতে পেয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৮তম ফিফটির দেখা। এই ফিফটি করতে মিস্টার ডিপেন্ডঅ্যাবল খেলেছেন ৮৪ বল।
এর ঠিক এক বল আগে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ফিফটি করতে শান্ত খেলেন ১০৭ বল। এটি শান্তর ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ ফিফটি।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ১৩৪/৩ (৪৩ ওভার)
গলে মুশফিকুর রহিম পেয়েছিলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির দেখা। যে গলে দারুণ রেকর্ড গড়েছেন মুশফিক, সেখানেই ফের আশা দেখাচ্ছেন মুশফিক। শান্তকে সঙ্গে নিয়ে দলের প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দিয়েছেন। পাশাপাশি শান্তকে সঙ্গে নিয়ে শেষ দেড় বছরে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে চতুর্থ উইকেটের সেরা জুটিটাও গড়েছেন। দুজন মিলে চতুর্থ উইকেটে যোগ করেছেন ৮৯ রান।
গত বছর রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। এরপর খেলা ১৩ ইনিংসে কোনোটাতেই রান ৪০-এর উপরে নিতে পারেননি। অবশেষে গলে এসে ৪০-এর বাধা ভাঙতে পারলেন মুশফিক।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ১০৫/৩ (৩২ ওভার)
দ্বিতীয় সেশনের চতুর্থ ওভারে (৩২তম ওভার) এসে দলীয় শতক পূর্ণ করল বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম চার হাঁকিয়ে দলীয় শতক পূর্ণ করেন। আসিথা ফার্নান্দোর করা একটু আউট সাইড অফে থাকা বলটার লেন্থ আগেই বুঝে নেন মুশফিক। ফলে একটু আগে ব্যাট চালিয়ে মিড উইকেট দিয়ে চার হাঁকান। তাতেই বাংলাদেশের সংগ্রহ স্পর্শ করে ১০০। এক বল বিরতি দিয়ে মুশফিক ফের চার হাঁকান। তাতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩২ ওভারে ৩ উইকেটে ১০৫ রান। শান্ত-মুশফিক জুটিতে সংগ্রহ ৯৬ বলে ৬০ রান। মুশফিক অপরাজিত ৩৫ রানে আর শান্ত ২৬ রানে।

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৯০/৩ ( ২৮ ওভার)
নাজমুল হোসেন শান্ত- ২৩, মুশফিকুর রহিম- ২০
প্রথম ঘণ্টায় ব্যাট হাতে বাংলাদেশি ব্যাটাররা খেই হারিয়ে বসেন শ্রীলঙ্কান স্পিনারদের সামনে। নতুন বলে লঙ্কান বোলারদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে একের পর এক প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তিন টপ অর্ডার ব্যাটার। তাতে মনে হচ্ছিল হয়তো মুহূর্তেই গুটিয়ে যাবে বাংলাদেশের ইনিংস। কিন্তু ম্যাচের দ্বিতীয় ঘণ্টায় অধিনায়ক শান্ত ও অভিজ্ঞ মুশফিক দারুণভাবে সামলেছেন স্পিন। তাতে আর বিপদ বাড়েনি। খানিকটা স্বস্তি নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দুইজন মিলে চতুর্থ উইকেটে ৭১ বলে যোগ করেন ৪৫ রান।
লঙ্কায় উড়াল দেওয়ার আগে ওপেনার এনামুল হক বিজয় ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান নতুন শুরু করতে চান। তবে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বারবারই ব্যর্থ হওয়া বিজয় দেখা পেয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাকের। আসিথা ফার্নান্দোর বলে আউট হন তিনি। যে লেন্থে তিনি আউট হয়েছেন সেই দূর্বলতা বুঝে বারবারই ওই লেন্থে বল করে গেছেন আসিথা। তাতেই আউট হন বিজয়। অন্যদিকে সাদমান-মমিনুলও আউট হয়েছেন আউটসাইড অফ স্ট্যাম্পের বাইরে থাকা বলে। পার্থক্য শুধু বোলারে। বিজয় আউট পেসারের বলে আর সাদমান-মমিনুল আউট স্পিনারের বলে। তাদেরকেও লম্বা সময় ধরে একই চ্যানেলে বল করে আউট করেছেন অভিষিক্ত থারিন্দু রত্নানায়েকে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৯০/৩ ( ২৮ ওভার)
এনামুল হক বিজয়, সাদমান ইসলাম ও মমিনুল হক- টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারই আউট স্লিপে ক্যাচ তুলে। টপ অর্ডারের এই তিনজনের কেউই বড় করতে পারেননি ইনিংস। তাতে খানিকটা বিপদেই পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। দুজনে মিলে চতুর্থ উইকেট জুটিতে যোগ করেছেন ৪৫ রান। শান্ত অপরাজিত আছেন ২৩ রানে আর মুশফিক অপরাজিত ২০ রানে।
গল টেস্টে মেহেদি হাসান মিরাজকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। ফলে বাড়তি একজন ব্যাটার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। তবুও প্রথম সেশনে এমন ব্যর্থতা দেখতে হলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ টেস্টে ওপেনিং জুটিতে ১১৮ রান যোগ করেন সাদমান ইসলাম ও এনামুল হক বিজয়। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ওপেনিং কিংবা টপ অর্ডারে বলার মতো কোনো সাফল্য নেই বাংলাদেশের। লঙ্কাতেও সেই চরিত্রে বদল আসেনি। স্কোরবোর্ডে ৪৫ রান তুলতে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ৩ ব্যাটার।
২০২৪ সাল থেকে টপ অর্ডারে সাদা পোশাকে মাত্র ১৩ বার ৫০ রানের জুটি দেখেছে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের এই ব্যর্থতা এড়িয়ে গলে এখন বাংলাদেশ কতটা সফল হতে পারে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

বাংলাদেশ- ৫৪/৩, ২০ ওভার
ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করা মমিনুলও ফিরেছেন ড্রেসিংরুমে। তিনিও ফিরেছেন অভিষিক্ত থারিন্দুর বলে স্লিপে ক্যাচ তুলে। স্লিপে তার ক্যাচ নিয়েছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। আউটসাইড অফে থাকা বলটি কাট করতে চেয়েছিলেন মমিনুল। তাতেই স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ফেরার আগে তার ব্যাটে এসেছে ২৯ রান। ৩৩ বলে এই ইনিংস খেলে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের ইনিংস আর বড় করতে পারেননি।
লঙ্কান সাব্যসাচী বোলাররা ভোগাতে পারে- এমন কথা হয়েছিল ঢাকায় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, ভিডিও দেখেই প্রস্তুতি নিতে হবে। সাব্যসাচী বোলারই যখন বাংলাদেশকে ভোগাচ্ছে- তখন খানিকটা স্পষ্ট করে বলাই যায়, ধারণা ভুল ছিল না।
সাদমান ফিরলেন প্যাভিলিয়নে। ৫৩ বলে ১৪ রান করেছেন তিনি। অভিষিক্ত থারিন্দু রত্নানায়েকের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। খানিকটা নিচু হয়ে টার্ন করা বল সাদমানের ব্যাটে লেগে স্লিপে চলে যায়।
ঢাকায় প্রস্তুতি ম্যাচে বেশ আগ্রাসী দেখা গিয়েছিল সাদমানকে। লঙ্কায় সেই ধারা দেখাতে পারেননি সাদমান। বরং, আগের মতোই খেলেছেন।
বাংলাদেশ- ১০ ওভারে ১ উইকেটে ২২ রান
১০ম ওভারে থারিন্দু রত্নানায়েকের বলে মমিনুল হকের বিপক্ষে লেগ বিফোরের জোরালো আবেদন ছিল শ্রীলঙ্কার ফিল্ডারদের। তবে সেই আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ারের অ্যালেক্স রফ। পরে রিভিউ নিলেও সেটি ব্যর্থ হয়। লেগ বিফোরের আবেদন করলেও বল মমিনুলের ব্যাটে স্পর্শ করে আঘাত হানে প্যাডে।
অভিষিক্ত স্পিনার থারিন্দু রত্নানায়েকেকে বোলিংয়ে এনেছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। একদম দিনের শুরুতেই লঙ্কান অধিনায়কের স্পিনার দিয়ে বোলিং করানোর সিদ্ধান্তই বলে দেয়, গলের উইকেটে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্পিনারদের দাপট বাড়বে।
উল্লেখ্য যে থারিন্দু রত্নানায়েকে সাব্যসাচী স্পিনার। দুই হাতেই বোলিং করতে পারেন। এই ম্যাচের একাদশে থাকা কামিন্দু মেন্ডিসও দুই হাতে বোলিং করতে পারেন। অর্থাৎ, দুই সাব্যসাচী স্পিনার নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলছে শ্রীলঙ্কা।

এনামুল হক বিজয়- ০ (১০)
বাংলাদেশ- ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৮ রান
অফ স্ট্যাম্পের বাইরে বল দিয়ে বারবারই বিজয়কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন আসিথা ফার্নান্দো। বারবারই একই লেন্থে আসা বল সামনে এগিয়ে ফরোয়ার্ড ডিফেন্সের চেষ্টা করেছেন। তাতেই বল ব্যাটের কোণায় লেগে চলে যায় উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিসের হাতে। তাতে রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন বিজয়।
শুরু থেকেই উইকেটে বেশ নড়বড়ে ছিলেন বিজয়। সেই রেশ কাটিয়ে ওঠার আগেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন। তিনে নেমেছেন মমিনুল হক।

বাংলাদেশ- ৪ ওভারে ৫ রান
গুঞ্জন ছিল ওপেনিংয়ে খেলবেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে শুরু করবেন ইনিংস। শেষ পর্যন্ত আর ওপেনিংয়ে আসেননি শান্ত।
তার জায়গায় সুযোগ পান এনামুল হক বিজয়। তবে তার শুরুটা মোটেও ভালো নয়। এখন পর্যন্ত ৭ বল খেলা বিজয় উইকেটে আছেন বেশ নড়বড়ে অবস্থায়। অন্যদিকে শুরুটা বেশ ভালোভাবেই করেছেন সাদমান।
অসুস্থতার কারণে মিরাজ খেলতে পারছেন না গল টেস্ট। ফলে একজন বাড়তি ব্যাটার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে একাদশে আছেন দুইজন করে পেসার ও স্পিনার। গলে লঙ্কানদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদের সুযোগ হয়নি। বাংলাদেশ দুই পেসার নিয়ে একাদশ সাজালেও প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কার একাদশেও আছে দুই পেসার।
বাংলাদেশ একাদশ-
সাদমান ইসলাম, এনামুল হক বিজয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, জাকের আলী, তাইজুল ইসলাম, নাহিদ রানা, হাসান মাহমুদ, নাঈম হাসান।
শ্রীলঙ্কা একাদশ-
পাথুম নিশাঙ্কা, লাহিরু উদারা, দীনেশ চান্দিমাল, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, কামিন্দু মেন্ডিস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, কুশল মেন্ডিস, মিলান রত্নানায়েকে, থারিন্দু রত্নানায়েকে, প্রবাথ জয়াসুরিয়া, আসিথা ফার্নান্দো।
শ্রীলঙ্কায় পৌঁছানোর পর থেকে জ্বরে ভুগছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ফলে দলের সঙ্গে দুই অনুশীলন সেশনে ছিলেন না। গতকাল জানা গিয়েছিল, তাকে নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট। শেষ পর্যন্ত মিরাজকে ছাড়াই মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল।
একাদশে না থাকা মিরাজ দলের সঙ্গে হোটেল থেকে মাঠেও যাননি। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সবশেষ তথ্য এখনও জানায়নি বিসিবি।

দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে গলে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
টসের আগে সকালে আকাশ ছিল মেঘলা। এমন আবহাওয়ায় আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে শান্ত বলেন, 'শুকনো উইকেট'। বাংলাদেশ অধিনায়কের মতো লঙ্কান কাপ্তান ধনঞ্জয়া ডি সিলভাও আগে ব্যাটিং নিতে চেয়েছিলেন। তবে টস ভাগ্য পক্ষে না আসায় লঙ্কানদের আগে বোলিং করতে হচ্ছে।