প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আলো ছড়িয়েছিলেন এইডেন মার্করাম। দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে নিজেকে চেনালেন কুইন্টন ডি কক। তাতে ৭ উইকেটের বড় জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৪ উইকেটে ২২১ রানের সংগ্রহ হেসেখেলে পার হয়ে গেছে প্রোটিয়ারা। আগামীকাল জোহানেসবার্গে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ।
রান তাড়ায় নেমে মূল কাজটা করে দেন ডি কক। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন রায়ান রিকেলটন। ১০ ছক্কা ও ৬টি চারে ৪৯ বলে ১১৫ রানের ইনিংস খেলেন ডি কক। রিকেলটনের ব্যাট থেকে এসেছে ৩৬ বলে অপরাজিত ৭৭। দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ বলে দুজনের ১৬২ রানের জুটি গড়ে দিয়েছে প্রোটিয়াদের জয়ের ভিত। এই ম্যাচে সাবেক সতীর্থ ফাফ ডু প্লেসিকে ছাড়িয়ে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন ডি কক। ৪৩০ ম্যাচে ৪১৬ ইনিংসে ডি ককের রান এখন ১২ হাজার ১১৩। মজার বিষয়, ডি কক তার দুটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিই পেয়েছেন সেঞ্চুরিয়নে। দুটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং দুবারই ২২০+ রান তাড়া করতে হলো। প্রায় তিন বছরের ব্যবধানে দুটি সেঞ্চুরিই পেলেন ৪৩ বলে!
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শিমরান হেটমায়ারের ৪২ বলে ৭৫ ও শেরফান রাদারফোর্ডের ২৪ বলে ৫৭ রানের কল্যাণে বড় পুঁজি পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্র্যান্ডন কিংয়ের ব্যাট থেকে এসেছে ৩০ বলে ৪৯। হারের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ বলেন, ‘ব্যাটিং ভালোই হয়েছে। কিন্তু সেঞ্চুরিয়নের কন্ডিশন বোলিংয়ের জন্য খুব কঠিন।’
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ২০ ওভারে ২২১/৪ (হেটমায়ার ৭৫, রাদারফোর্ড ৫৭*, কিং ৪৯, রোমারিও ১৭*; মহারাজ ২/২২, রাবাদা ১/৩৫, ইয়ানসেন ১/৩৯)।
দক্ষিণ আফ্রিকা : ১৭.৩ ওভারে ২২৫/৩ (ডি কক ১১৫, রিকেলটন ৭৭*, মার্করাম ১৫; আকিল ২/৪১, ফোর্ড ১/৩৪)।
ফল : দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : কুইন্টন ডি কক।
সিরিজ : ৩ ম্যাচের সিরিজে ২-০-তে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

