
বাংলাদেশ- ২৪৭ ও ১১৫/৬ (৩৮.৪ ওভার)
শ্রীলঙ্কা- ৪৫৮/১০
থারিন্দু রত্নানায়েকের বলে ক্যাচ আউটের আবেদন ছিল শ্রীলঙ্কার। আম্পায়ার সেই আবেদনে সাড়া দেননি। তাতে রিভিউ নেয় লঙ্কানরা। তখন দেখা যায়, মেহেদি হাসান মিরাজ ক্যাচ আউট না হলেও হয়েছেন লেগ বিফোরের ফাঁদে। ব্যক্তিগত ১১ রানে ফেরেন তিনি। তার আউটের পর তৃতীয় দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করেন আম্পায়ারা। তৃতীয় দিনশেষে অপরাজিত আছেন লিটন দাস। তিনি ছাড়া আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার উইকেটে নেই।
শ্রীলঙ্কার হয়ে দুইটি করে উইকে নেন প্রবাথ জয়াসুরিয়া ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। এ ছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেছেন আসিথা ফার্নান্দো ও থারিন্দু রত্নানায়েকে।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ১০৩/৫ (৩৪.৪ ওভার)
৫ম ব্যাটার হিসেবে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। উইকেটে বল ঘুরছে, তাতেই মূলত আউট হয়েছেন তিনি। প্রবাথ জয়াসুরিয়ার বল টার্ন করে ব্যাট হয়ে মুশফিকের স্ট্যাম্পে আঘাত করে। ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় তার রান ছিল ২৬।
টপ অর্ডারের চার ব্যাটার বড় ইনিংস খেলার আগেই ফিরেছেন প্যাভিলিয়নে। প্রথম ইনিংসেও এমন ব্যর্থ হয়েছিল বাংলাদেশি ব্যাটাররা। এখন অপেক্ষা লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমের বড় জুটি। ৫ম উইকেটে তাদের টিকে থাকার উপর নির্ভর করছে আর কতদূর এগোবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ৭১/৪ (২৩.২ ওভার)
কলম্বোর উইকেটে তৃতীয় দিন থেকেই ঘুরছে বল। সেই সুযোগ বাংলাদেশ যেমন কাজে লাগিয়েছে, ঠিক তেমনি কাজে লাগাচ্ছে শ্রীলঙ্কাও। প্রবাথ জয়াসুরিয়ার শিকার হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ফেরা আগে তার ব্যাটে এসেছে ১৯ রান।

শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ইনিংস- ৬৪/৩ (১৯ ওভার)
লঙ্কান অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ডি সিলভার বলে স্লিপে ক্যাচ তুলে আউট হয়েছেন মমিনুল হক। ফেরার আগে তার ব্যাটে এসেছে মাত্র ১৫ রান। হালকা টার্ন করে যাওয়া বল তার ব্যাটে লেগে স্লিপে থাকা কামিন্দু মেন্ডিসের হাতে চলে যায়। তাতেই আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মমিনুল। শ্রীলঙ্কা সিরিজটা মোটেও ভালো কাটেনি তার জন্য।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস- ৩১/২ (৮.৩ ওভার)
দুই বলের ব্যবধানে আউট হলেন বিজয় ও সাদমান ইসলাম। প্রবাথ জয়াসুরিয়ার বলে উইকেটের পেছনে লাহিরু উদারাকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাদমান। ফেরার আগে তার ব্যাটে আসে ১২ রান।
এখন জুটি গড়ার অপেক্ষায় মমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তাদের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ কতদূর এগোয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস-৩১/১ (৬.৫ ওভার)
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টে চার ইনিংসের তিনবারই আসিথা ফার্নান্দোর বলে আউট হয়েছেন এনামুল হক বিজয়। আগের দুইবার অফস্ট্যাম্পের খানিকটা বাইরের বলে আউট করলেও আজ বাউন্সারে পরাস্ত করেছেন। আগের দুইবার শূন্য রানে আসিথার বলে আউট হলেও এবার তিনি আউট হয়েছেন ১৯ রান করে। এই আউটের পর চা বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
২১১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম ও এনামুল হক বিজয়ের উপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের শুরুটা কিভাবে হয়। দারুণ কিছু হবে এমনটাই আশা সবার।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৪৫৮/১০ (১১৬.৫ ওভার)
কুশল মেন্ডিসের বিদায়ের ওভারেই আউট হন আসিথা ফার্নান্দো। তাতে ২১১ রানের লিড নিয়ে ৪৫৮ রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা। ক্যারিয়ারে ১৭তম বারের মতো ফাইফারের দেখা পেয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফাইফারের মালিক তিনি। এ ছাড়া তিন উইকেট নিয়েছেন আরেক স্পিনার নাঈম হাসান। দ্বিতীয় দিনে বল হাতে সময়টা ভালো না কাটলেও তৃতীয় দিনে দারুণ বোলিংয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৫৮ রান করেন পাথুম নিশাঙ্কা। এ ছাড়া দীনেশ চান্দিমাল করেন ৯৩ রান এবং কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে আসে ৮৪ রান।
দুই রান নিতে চেয়েছিলেন কুশল মেন্ডিস। তবে সিদ্ধান্তটা ঠিক ছিল না। ডিপ কাভার থেকে ইবাদত হোসেন উইকেটরক্ষক লিটন দাসের কাছে বল পাঠিয়ে দেন। তাতেই রান আউট হন তিনি। ফেরার আগে কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে আসে ৮৪ রান।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৪২৯/৮ (১১২ ওভার)
তাইজুল ইসলামের বলে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টা করেছিলেন থারিন্দু রত্নানায়েকে। কাও কর্নারে থাকা এনামুল হক বিজয় ওই বল তালুবন্দি করতে ভুল করেননি। তাতে ১০ রানে আউট হয়ে ফিরতে হয় থারিন্দুকে।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৪০৬/৭ (১০৫ ওভার)
লঙ্কানদের হয়ে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা সোনাল দিনুশা বুঝতে পারেননি নাঈম হাসানের বলের ফ্লাইট। তাতে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তিনি। ফেরার আগে তার ব্যাটে আসে মোটে ১১ রান। দিনুশাকে ফিরিয়ে ম্যাচে নিজের তৃতীয় উইকেট শিকার করলেন নাঈম।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৪০১/৬ (১০৩ ওভার), লিড- ১৫৪
দ্বিতীয় দিনের ব্যর্থতা তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে খানিকটা কাটিয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। বল হাতে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে লঙ্কানদের বেশ বিপদে ফেলেছিল বাংলাদেশি বোলাররা। তবে বিপরীতে স্বাগতিক ব্যাটাররা ব্যাট চালিয়েছেন ওয়ানডে ধাঁচে। বিশেষ করে কামিন্দু মেন্ডিস ও কুশল মেন্ডিস তো খেলেছেন ওয়ানডে ধাঁচে। তাতে প্রথম সেশনে ২৫ ওভারে ৪.৪৪ রানরেটে স্কোরবোর্ডে ১১১ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৩৮৪/৬ (৯৯ ওভার), লিড-১৩৭
৯৩তম ওভারের চতুর্থ বলে নাহিদ রানার করা বল কামিন্দু মেন্ডিসের ব্যাটে লেগে স্ট্যাম্পে আঘাত হানলেও বেল না পড়ায় আউট হননি। তবে নাঈম হাসানের করা আর্ম ডেলিভারি ভেতরে ঢুকে আঘাত করেছে স্ট্যাম্পে। তাতে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন কামিন্দু মেন্ডিস। ওয়ানডে স্টাইলে খেলা কামিন্দু মেন্ডিস ৪১ বলে করেছেন ৩৩ রান। ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে যোগ করেন ৫৯ বলে ৪৯ রান।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৩৭৭/৫ (৯৫.৩ ওভার)
৩০ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে খানিকটা বিপদেই পড়েছিল শ্রীলঙ্কা। এ সময়ের মধ্যে প্যাভিলিয়নে ফেরেন পাথুম নিশাঙ্কা-ধনঞ্জয়া ডি সিলভার মতো ব্যাটাররা। তাতে মনে হচ্ছিল হয়তো দ্রুতই গুটিয়ে যাবে লঙ্কানরা। না- তেমন কিছু হয়নি। স্বাগতিকদের হয়ে উইকেটে লড়ছেন কামিন্দু মেন্ডিস ও কুশল মেন্ডিস। দুই মেন্ডিস খেলছেন ওয়ানডে স্টাইলে। ৬ষ্ঠ উইকেটে তারা দুজনে যোগ করেছেন ৪২ রান।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৩৩৫/৫ (৮৯ ওভার)
দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকেলে নাইটওয়াচ ম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন প্রবাথ জয়াসুরিয়া। তৃতীয় দিনের সকালে আউট হয়েছেন তিনি। ফেরার আগে তার ব্যাটে আসে ১০ রান। নাহিদ রানার বলে উইকেটের পেছনে স্লিপে ক্যাচ তুলে আউট হন।
প্রথম সেশনে এই নিয়ে তৃতীয় উইকেট হারালো শ্রীলঙ্কা।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৩১৪/৪ (৮৬ ওভার)
তাইজুল ইসলামের বলে লেগ বিফোর আউটের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন লঙ্কান স্পিনার ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। রিভিউ নিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। রিভিউ হেরে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়েছে তাকে। ফেরার আগে তার ব্যাটে এসেছে ১০ বলে ৭ রান।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৩০৬/৩ (৮৪ ওভার)
টানা দুই ম্যাচে ১৫০-র উপরে রান করা পাথুম নিশাঙ্কা আউট হয়েছেন তাইজুল ইসলামের বলে। এক্সট্রা কাভারে এনামুল হক বিজয় ক্যাচ তালুবন্দি করেন। ফেরার সময় পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে নিশাঙ্কাকে স্ট্যান্ডিং অভিয়েশন দিয়েছে। ড্রেসিংরুম থেকে শুরু করে পুরো স্টেডিয়ামই তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান দেয়। ফেরার আগে নিশাঙ্কার ব্যাটে আসে ২৫৪ বলে ১৫৮ রান।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ৩০০/২ (৮২ ওভার)
ইবাদত হোসেনের বল ডিপ থার্ড ম্যানে ঠেলে দিয়ে দৌড়ে ডাবল নিয়ে গলের পর কলম্বোতেও ১৫০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন শ্রীলঙ্কান ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। ২৪১ বলে ১৫০ রান করেন তিনি। বাংলাদেশি বোলারদের একরকম পাড়ার বোলার বানিয়ে ওয়ানডে গতিতে রান তুলছেন এই ওপেনার।
টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে এখন সবচেয়ে বেশি ডিসমিসালের মালিক লিটন দাস। মুশফিকুর রহিমের ১১৩ ডিসমিসাল টপকে লিটনের ডিসমিসাল সংখ্যা এখন ১১৪। নাঈম হাসানের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ ধরে দীনেশ চান্দিমালকে আউট করার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসালের মালিক হন লিটন। মুশফিক-লিটন ছাড়া বাংলাদেশের হয়ে আর কোনো উইকেটরক্ষক ১০০’র বেশি ডিসমিসাল করতে পারেননি।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস- ২৯০/২ (৭৮ ওভার), লিড ৪৩ রান
দিনের শুরুতে ২৭ রান যোগ করে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনে বল হাতে পায়নি বলার মতো কোনো সাফল্য। সারাদিনে মাত্র শ্রীলঙ্কার দুই ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নে ফেরাতে পেরেছে। বিপরীতে গল টেস্টের পর কলম্বোতেও সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। ১৪৬ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিন শুরু করবেন এই ব্যাটার। এ ছাড়া তার সঙ্গী হিসেবে আছেন নাইট ওয়াচম্যান প্রবাথ জয়াসুরিয়া। দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম ও নাঈম হাসান।