আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান। এ নিয়ে যখন চারদিকে আলোচনা, তখনই আইসিসির ভূমিকা নিয়ে সরাসরি দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ খাজা। নতুন আইসিসির দাবিও তুলেছেন তিনি। তার এক টুইট এবং খ্যাতনামা বিশ্লেষক ও ক্রীড়া সাংবাদিক ওমর কুরাইশির মন্তব্য নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে আইসিসির নিরপেক্ষতা ও নীতিগত অবস্থানকে।
পাকিস্তানের অবস্থানকে অনেকেই ‘পরস্পরবিরোধী’ বলে সমালোচনা করলেও ওমর কুরাইশি বলছেন, এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রাজনৈতিক বাস্তবতারই প্রতিফলন—যা আইসিসি নিজেই নীরবে ডেকে এনেছে। কুরাইশির মতে, অতীতে ভারত সরকারের প্রতি আইসিসির পক্ষপাতিত্বই আজকের অবস্থানের জন্য দায়ী। কুরাইশির ভাষায়, ‘এই নজিরটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পার্থক্য শুধু এটুকু—এবার সিদ্ধান্তটি পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে এসেছে।’
পাকিস্তানের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কুরাইশি বলেন, ‘বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত একইসঙ্গে বাস্তববাদী ও নীতিগত। কারণ, বিশ্বকাপ একটি বহুপাক্ষিক টুর্নামেন্ট। এটি কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়। এতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখছে। কিন্তু একটা দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে; যতদিন নিয়ম সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য না হবে, ততদিন পাকিস্তানের অবস্থান পুরোপুরি যৌক্তিক ও প্রতিরক্ষাযোগ্যই থাকবে।’
এর আগে এক রিটুইটে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ লেখেন, ‘ক্রিকেটের নতুন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রয়োজন, যাতে ভদ্রলোকের খেলাটির স্পিরিট বজায় থাকে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের রাজনৈতিক স্বার্থের কাছে জিম্মি হয়ে আছে আইসিসি।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

