সরাসরি

জর্ডানকে উড়িয়ে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

১০: ১৫

আর্জেন্টিনা ৩ - ০ জর্ডান

গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচেও চললো আর্জেন্টিনার জয়যাত্রা। লিওনেল স্কালোনির দল শেষ ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তিন ম্যাচে তিন জয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে ‘জে’ গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। এর মধ্য দিয়ে গ্রুপপর্বে শতভাগ সাফল্য পাওয়া দলগুলোর কাতারে ফ্রান্স ও মেক্সিকোর সঙ্গে নাম লেখাল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

আগেই গ্রুপসেরা হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত হওয়ায় এই ম্যাচে শুরুর একাদশে বড় পরিবর্তন আনেন স্কালোনি। বেঞ্চে ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে মাঠে নেমে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় আর্জেন্টিনা।

প্রথমদিকে জিওভান্নি লো সেলসোর একটি গোল অফসাইডে বাতিল হলেও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ১৯তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জর্ডানের জাল ভেদ করেন লো সেলসো। বাঁ-পায়ের নিখুঁত শটে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেননি তিনি।

প্রথমার্ধের শেষদিকে ভিএআরের হস্তক্ষেপে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। কর্নার ক্লিয়ার করতে গিয়ে আল-রাশদান বুট উঁচু করে নিকোলাস সেনেসির মুখে আঘাত করলে রেফারি মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত বদলে স্পট-কিকের নির্দেশ দেন। সেই সুযোগ থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান লাউতারো মার্তিনেস।

দ্বিতীয়ার্ধে লাউতারোর পাস থেকে লো সেলসো আবারও বল জালে পাঠালেও এবারও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। এরপর ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় জর্ডান। ৬৫ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে এহসান হাদ্দাদের নিচু ক্রসে বদলি খেলোয়াড় মুসা আল-তামারি সহজ টোকায় গোল করে ব্যবধান কমান। সেটিই ছিল চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হজম করা প্রথম গোল।

এর কিছুক্ষণ পরই মাঠে নামেন মেসি। লাউতারো মার্তিনেস, নিকো পাজ ও লো সেলসোর জায়গায় একসঙ্গে নামানো হয় থিয়াগো আলমাদা, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে।

মাঠে নেমেই খেলার ছন্দে মিশে যান মেসি। শেষদিকে বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পেয়ে নিজের চেনা ভঙ্গিতে নিচু শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। জর্ডানের মানবপ্রাচীরের ফাঁক গলে বল পাঠান গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে। এই গোলের মাধ্যমে টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তিও গড়েন তিনি।

শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ করে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ অভিযানেই গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিতে হলো জর্ডানকে। যদিও বিদায়ের ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে একটি গোল করে স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।

০৯: ৪৯

মেসিই শেষ কথা! বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোলের অবিশ্বাস্য রেকর্ড

মেসিই শেষ কথা! বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোলের অবিশ্বাস্য রেকর্ড

ম্যাচের শেষভাগে মাঠে নেমেই আবারও নিজের জাদু দেখালেন লিওনেল মেসি। জর্ডানের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে আরও স্বস্তির অবস্থানে নেন অধিনায়ক।ম্যাচের শেষভাগে মাঠে নেমেই আবারও নিজের জাদু দেখালেন লিওনেল মেসি। জর্ডানের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে আরও স্বস্তির অবস্থানে নেন অধিনায়ক।

ফ্রি-কিক পেয়ে জর্ডানের রক্ষণপ্রাচীরের ভুল অবস্থানকে নিখুঁতভাবে কাজে লাগান তিনি। নিচু শটে বল পাঠিয়ে দেন গোলরক্ষকের ডান পাশের নিচের কোণে। গোলরক্ষক শুধু দাঁড়িয়ে দেখেছেন, বল জালে জড়ানো ঠেকানোর কোনো সুযোগই পাননি।

এই গোলের মাধ্যমে নতুন ইতিহাসও গড়েছেন মেসি। তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়লেন।

বিরতির পর বদলি হিসেবে মাঠে নেমেই ম্যাচের গতিপথে নিজের ছাপ রেখে দেন ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা। গোলের আগে থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ গড়ে তোলা এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে আর্জেন্টিনার খেলায় নতুন মাত্রা যোগ করেন তিনি।

জর্ডান অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তামারির গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এই বিশ্বকাপে প্রথম গোল হজম করায়। তবে মেসির অনবদ্য ফ্রি-কিক সেই ধাক্কা দ্রুতই সামলে দেয় আর্জেন্টিনাকে।

আরেকটি রেকর্ড, আরেকটি অনবদ্য মুহূর্ত—বিশ্বকাপের মঞ্চে মেসি যেন আবারও মনে করিয়ে দিলেন, বড় ম্যাচের বড় নায়ক তিনি নিজেই।

০৯: ৩৯

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ

এ মুহূর্তে দুই দলই দীর্ঘ সময় বলের দখল ধরে রেখে খেলছে। তবে অ্যাটাকে গিয়ে কোনো দলই কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারছে না কিংবা পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছে না।

০৯: ৩৫

ঘুরে দাঁড়ানোর বিশ্বাস জর্ডানের

জর্ডানের ফুটবলাররা এখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছে, এই ম্যাচ থেকে অন্তত কিছু একটা নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারবে। নিজেদের অভিষেক বিশ্বকাপ অভিযানটা সুখস্মৃতি দিয়ে শেষ করার সুযোগ দেখছে তারা।

সম্ভবত সেই বিশ্বাসই ফুটে উঠেছে ড্রিংকস ব্রেকের সময় দলীয় আলোচনায়। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝপথে রেফারি খেলা থামিয়ে হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজাতেই জর্ডানের খেলোয়াড়রা কোচিং স্টাফের সঙ্গে জড়ো হয়ে পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেন।

০৯: ৩৫

মেসি নামতেই সতর্ক জর্ডানের রক্ষণ

মেসি নামতেই সতর্ক জর্ডানের রক্ষণ

মাঠে নামার পর থেকেই খেলার কেন্দ্রে চলে এসেছেন লিওনেল মেসি। মাঝমাঠ থেকে বাম প্রান্তে পাস দিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে বল পা ছোঁয়ামাত্রই তাকে ঘিরে ধরে জর্ডানের একাধিক ডিফেন্ডার। চাপে পড়ে মেসির দেওয়া পাসটি মাঝপথেই ব্যর্থ হয়।

০৯: ২৫

মাঠে নামলেন মেসি

মেসির অপেক্ষার অবসান। ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে অবশেষে মাঠে নামলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

আর্জেন্টিনার বদলি:
লাওতারো মার্তিনেজ, নিকো পাজ ও জিও লো সেলসোকে তুলে মাঠে নামানো হয়েছে থিয়াগো আলমাদা, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও লিওনেল মেসিকে।

০৯: ২১

তামারির গোল, প্রথমবার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জালে বল!

লিওনেল মেসিকে মাঠে নামানোর প্রস্তুতি চলছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই যেন কিছুটা মনোযোগ হারিয়ে ফেলে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। সুযোগটি দারুণভাবে কাজে লাগায় জর্ডান।

ডান প্রান্তে বল পেয়ে অধিনায়ক এহসান হাদ্দাদ নিচু করে বক্সে একটি দ্রুতগতির ক্রস পাঠান। বদলি হিসেবে নামা মুসা আল-তামারি ঠিক সময়ে সেখানে পৌঁছে সহজ এক টোকায় বল জড়িয়ে দেন জালে।

এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো গোল হজম করল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

০৯: ১৮

লাউতারোর আরেকটি মিস!

বাম দিক দিয়ে বক্সের বাইরে বল পেয়ে আবারও গোলের খোঁজে ছিলেন লাউতারো মার্তিনেজ। সুযোগ বুঝে জোরালো শট নেন আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকার। তবে বল ক্রসবারের ওপরের অংশ ছুঁয়ে অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। আরেকটি গোল থেকে বঞ্চিত হন লাউতারো।

০৯: ১৭

আবার অফসাইডে হতাশ লো সেলসো

মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে লাউতারোর উদ্দেশে দারুণ এক থ্রু পাস বাড়ান পারেদেস। দ্রুতগতিতে এগিয়ে এসে গোলরক্ষককে কাটিয়ে যান লাউতারো। তবে শট নেওয়ার মতো কোণ না থাকায় তাড়াহুড়ো না করে তিনি মাঝখানে ফাঁকায় থাকা লো সেলসোর দিকে বল বাড়িয়ে দেন।

লো সেলসো সহজেই বল জালে জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল উদযাপন শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তুললে ভিএআর যাচাইয়ের পরও গোলটি বাতিল হয়। লাউতারোর প্রথম দৌড়টি অফসাইড হওয়ায় আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোল আর স্কোরবোর্ডে যোগ হয়নি।

০৯: ১১

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু!

দ্বিতীয়ার্ধের বাঁশি বাজতেই খেলা শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। এই অর্ধে তারা বাম দিক থেকে ডান দিকে আক্রমণ করছে।

বিরতির সময় জর্ডান দুটি পরিবর্তন এনেছে। মাঠ ছেড়েছেন আজাইজেহ ও ফাখৌরি। তাদের জায়গায় নেমেছেন তামারি ও আলমারদি।

০৯: ০০

প্রথমার্ধ শেষ, মেসিকে ছাড়াই ছন্দে আর্জেন্টিনা

প্রথমার্ধ শেষ, মেসিকে ছাড়াই ছন্দে আর্জেন্টিনা

রেফারির বিরতির বাঁশির সঙ্গে শেষ হলো প্রথমার্ধ। প্রত্যাশামতো পুরো সময় জুড়েই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। লিওনেল মেসি বেঞ্চে থাকলেও মাঠের খেলায় তার অনুপস্থিতির প্রভাব খুব একটা টের পেতে দেয়নি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

শুরু থেকেই জর্ডানকে নিজেদের অর্ধে চেপে ধরে আলবিসেলেস্তেরা। বলের দখল ধরে রেখে ধৈর্যের সঙ্গে আক্রমণ গড়ে তোলার কৌশলে বারবার প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে তারা। ম্যাচের শুরুতেই জুলিয়ান আলভারেসের পাস থেকে জিওভানি লো সেলসো বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

এরপরও আক্রমণের ধার কমায়নি আর্জেন্টিনা। ডান প্রান্ত দিয়ে জুলিয়ানো সিমিওনের দৌড়, মাঝমাঠে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও জিওভানি লো সেলসোর নিয়ন্ত্রণ—সব মিলিয়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করতে থাকে তারা। জর্ডান মূলত নিজেদের অর্ধে গুটিয়ে থেকে রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল।

১৭তম মিনিটে লো সেলসোকে বিপজ্জনক ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন জর্ডানের তাহা। সেই ফ্রি-কিক থেকেই দারুণ বাঁকানো শটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লো সেলসো। বাঁ-পায়ের নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে যায় জালের ওপরের বাঁ কোণে।

পরে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে জর্ডানের আল-রাশদান বুট দিয়ে ফ্যাসুন্দো সেনেসির মুখে আঘাত করেন। মাঠের পাশের মনিটরে দৃশ্য দেখে সিদ্ধান্ত বদলে স্পটকিকের নির্দেশ দেন রেফারি।

পেনাল্টি থেকে স্বভাবসুলভ ঠান্ডা মাথায় গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। গোলরক্ষককে ভুল পথে পাঠিয়ে নিচের বাঁ কোণে বল জড়িয়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান এই স্ট্রাইকার।

প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা ছিল সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তারকারী দল। এখন দেখার বিষয়, দ্বিতীয়ার্ধে লিওনেল স্কালোনি বেঞ্চে থাকা লিওনেল মেসিকে মাঠে নামান কি না। সেটিই এখন ডালাস স্টেডিয়ামে উপস্থিত সমর্থকদের সবচেয়ে বড় অপেক্ষা।

০৯: ০০

বিরতির আগে ওতামেন্ডির মিস

ডান প্রান্ত থেকে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। বক্সে ভেসে আসা বলে মাথা ছোঁয়ান অধিনায়ক নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে তার হেড অল্পের জন্য ডান পাশের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ফলে ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

০৮: ৪৮

বিশ্বকাপে লাউতারোর প্রথম গোল

বিশ্বকাপে লাউতারোর প্রথম গোল

পেনাল্টি নিতে এগিয়ে যান লাউতারো মার্তিনেজ। প্রত্যাশামতো দায়িত্বটা তিনিই নেন। জর্ডানের গোলরক্ষককে ভুল পথে পাঠিয়ে বোকা বানিয়ে নিচের বাঁ কোণে নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।

এর মধ্য দিয়েই বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেলেন আর্জেন্টিনার এই স্ট্রাইকার।

০৮: ৪৮

ভিএআর চেকিং এবং পেনাল্টি

ভিএআরে চলমান। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ক্লিয়ার করার চেষ্টা করতে গিয়ে জর্ডানের মিডফিল্ডার আল-রাশদান তার বুট দিয়ে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার মারকোস সেনেসির মুখে আঘাত করেন। ঘটনাটি পর্যালোচনা করতে রেফারি মনিটরের কাছে যান। রিপ্লে দেখার পর তিনি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন আর্জেন্টিনার পক্ষে।

০৮: ৩০

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে আকাশী-সাদারা

এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জন্য দিনটা যেন একেবারেই স্বাভাবিক। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের দখলে রেখে খেলছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, আর সেই আধিপত্য যে ম্যাচজুড়েই বজায় থাকবে—এমন আভাসও মিলছে।

এদিকে আর্জেন্টিনার একতরফা চাপ সামাল দিতে কৌশলে পরিবর্তন আনার সুযোগ পেল জর্ডান। রেফারির বাঁশিতে ম্যাচে নির্ধারিত হাইড্রেশন বিরতি শুরু হওয়ায় নিজের পরিকল্পনা নতুন করে সাজিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন জর্ডানের কোচ।

০৮: ২৬

লো সেলসোর জাদুকরী ফ্রি-কিক

লো সেলসোর জাদুকরী ফ্রি-কিক

মেসি না থাকলেও আর্জেন্টিনা যে ফ্রি-কিক থেকে গোল করার মতো মানসম্পন্ন ফুটবলার দলে রেখেছে, সেটাই যেন আরও একবার প্রমাণ করলেন জিওভানি লো সেলসো।

ফ্রি-কিকটি পাওয়ার পর গ্যালারিতে থাকা প্রায় প্রতিটি আর্জেন্টাইন সমর্থকেরই হয়তো মনে হয়েছিল, এমন কোণ থেকে শট নিতে হলে বাঁ-পায়ের জাদুকর লিওনেল মেসির উপস্থিতিই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল।

কিন্তু মেসির অনুপস্থিতি অনুভব করতে দেননি লো সেলসো। নিখুঁত দক্ষতায় বলের ওপর পা জড়িয়ে তিনি শট নেন। গোলরক্ষকের বিপরীত দিক দিয়ে বাঁক খেয়ে জর্ডানের গোলপোস্টের ওপরের বাঁ কোণে জড়িয়ে যায় বল। গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না বলটি ঠেকানোর।

০৮: ২১

গোল! মেসি নেই, তবু থামেনি আর্জেন্টিনা

গোল! মেসি নেই, তবু থামেনি আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনা ১ - ০ জর্ডান

ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি শুরুর একাদশে না থাকলেও তার অনুপস্থিতি টের পেতে দিল না বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জিওভানি লো সেলসোর গোলে এগিয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির দল।

০৮: ১৬

জুলিয়ানোর অ্যাটাক, জর্ডানের ডিফেন্স

নিজেদের অর্ধ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত একক দৌড় শুরু করেন জুলিয়ানো সিমিওনে। ডান প্রান্ত ধরে পুরো জর্ডান রক্ষণ ভেঙে তিনি পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েন।

এরপর মাঝখানে সতীর্থের উদ্দেশে বল বাড়ানোর চেষ্টা করেন সিমিওনে। তবে ঠিক সময়ে স্লাইডিং ট্যাকলে সেই আক্রমণ ভেস্তে দেন জর্ডানের ডিফেন্ডার আবুদাহাব। তার নিখুঁত ট্যাকলে নিশ্চিত বিপদ থেকে রক্ষা পায় জর্ডান।

০৮: ১৩

আক্রমণাত্মক হয়ে খেলছে আর্জেন্টিনা

শুরুর দিকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। জর্ডানকে নিজেদের অর্ধেই চেপে রেখেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ডিফেন্স থেকে ধীরে ধীরে বল আদান-প্রদান করে আক্রমণ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে লিওনেল স্কালোনির দল। জর্ডানের রক্ষণে ফাঁক খুঁজে বের করাই এখন আলবিসেলেস্তেদের মূল লক্ষ্য।

০৮: ০৮

অফসাইডের ফাঁদে লো সেলসো

শুরুর বাঁশি বাজার পরই দারুণ এক আক্রমণ গড়ে তোলে আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠ থেকে হুলিয়ান আলভারেজ নিখুঁত পাসে বল বাড়িয়ে দেন জিও লো সেলসোর দিকে। সেলসো বক্সে ঢুকে শান্তভাবে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান। তবে আর্জেন্টিনার উদযাপন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সহকারী রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই অফসাইডের পতাকা তোলেন। ফলে গোলটি বাতিল হয়ে যায় এবং ম্যাচ গোলশূন্যই থাকে।

০৮: ০১

খেলা শুরু...

রেফারির প্রথম বাঁশির সঙ্গে ম্যাচে কিক-অফ করেছে জর্ডান। ডালাস স্টেডিয়ামে বাম দিক থেকে ডান দিকে আক্রমণ শুরু করেছে আল-নাশামারা। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা আজ খেলছে ডান দিক থেকে বাম দিকে।

০৭: ৫৮

কিক-অফের আর মাত্র কয়েক মিনিট!

কিক-অফের আর মাত্র কয়েক মিনিট!

খেলা শুরু হতে চলেছে। খেলোয়াড়রা ইতোমধ্যে ডালাস স্টেডিয়ামে মাঠে প্রবেশ করছেন। লিওনেল মেসি শুরুর একাদশে না থাকায় আর্জেন্টিনাকে মাঠে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি। অন্যদিকে জর্ডানের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন এহসান হাদ্দাদ।

০৭: ৪৯

মেসির নেতৃত্বে ওয়ার্ম আপে আর্জেন্টিনা

ওয়ার্ম-আপের জন্য মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা। দলের বাকি ফুটবলারদের সামনে রেখে অনুশীলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

ডালাস স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে মেসির মুখ ভেসে উঠতেই মুহূর্তের মধ্যে গর্জে উঠছে গ্যালারি। উপস্থিত আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে যেন কেঁপে উঠঠে পুরো স্টেডিয়াম। শুরুর একাদশে না থাকলেও প্রিয় তারকাকে অন্তত কিছু সময় মাঠে দেখতে মুখিয়ে আছেন তারা।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনেই কোচ লিওনেল স্কালোনি জানিয়েছিলেন, মেসি শুরুর একাদশে থাকবেন না, তবে বদলি হিসেবে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই সমর্থকদের আশা, জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচের কোনো এক পর্যায়ে মাঠে দেখা যাবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অধিনায়ককে।

০৭: ২৮

গ্রুপ ‘জে’-এর বর্তমান চিত্র

গ্রুপ ‘জে’-এর বর্তমান চিত্র

২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের নির্ধারিত ৭২ ম্যাচের মধ্যে এখন বাকি আছে মাত্র দুটি। এই দুই ম্যাচের ফলেই নির্ধারিত হবে ‘জে’ গ্রুপের চূড়ান্ত অবস্থান।

গ্রুপের শীর্ষস্থান আগেই নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। লিওনেল স্কালোনির দল ইতোমধ্যে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে এবং আজ আগে থেকেই বিদায় নিশ্চিত হওয়া জর্ডানের বিপক্ষে জিতে গ্রুপ পর্ব তিন ম্যাচেই পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে।

অন্য ম্যাচে মুখোমুখি হবে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া। এই লড়াইয়ের বিজয়ী দল গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে উঠবে। তবে ম্যাচটি ড্র হলে দুই দলই শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেবে।

০৭: ২৮

গ্রুপ পর্বের শেষ মহারণে আর্জেন্টিনা-জর্ডান

বিদায়, গ্রুপ পর্ব...

২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের নির্ধারিত ৭২ ম্যাচের মধ্যে এখন বাকি মাত্র দুটি। এই দুই ম্যাচের ফলেই নির্ধারিত হবে ‘জে’ গ্রুপের চূড়ান্ত অবস্থান।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনার শেষ ৩২ নিশ্চিত হয়ে গেছে আগেই। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এবার বিদায়ী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইতোমধ্যেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া জর্ডানের। টানা তিন জয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করাই হবে লিওনেল স্কালোনির দলের লক্ষ্য।

অন্য ম্যাচে মুখোমুখি হবে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া। এই লড়াইয়ের বিজয়ী দল গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেবে। তবে ড্র হলেও দুই দলই শেষ ৩২ নিশ্চিত করবে।

০৭: ০৪

মেসিকে ছাড়াই নয় পরিবর্তনে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশ

মেসিকে ছাড়াই নয় পরিবর্তনে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশ

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আগেই শেষ ৩২ নিশ্চিত করায় জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনা দলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে রাখা হয়েছে বদলি বেঞ্চে। শুরুর একাদশে তিনি নেই।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে যে একাদশ খেলেছিল, সেখান থেকে মোট নয়টি পরিবর্তন এনেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আগের ম্যাচের একাদশ থেকে কেবল গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ এবং স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেজই নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন।

এদিকে, চলতি বিশ্বকাপে এবারই প্রথম শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন হুলিয়ান আলভারেজ।

আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশ (৪-৪-২):
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (গোলরক্ষক), জিওভানি সিমেওনে, নিকোলাস ওতামেন্দি, মার্কোস সেনেসি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, জিওভানি লো সেলসো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নিকো পাস, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্তিনেজ।

জর্ডানের শুরুর একাদশ (৩-৪-৩):
আবু লাইলা (গোলরক্ষক), নাসিব, আল-আরাব, আবুদাহাব, হাদ্দাদ, আল-রাশদান, রাওয়াবদেহ, তাহা, আজাইজেহ, ওলওয়ান, ফাখৌরি।

০৭: ০৪

আজ বিশ্রামে মেসি

আজ বিশ্রামে মেসি

মেসি নেই!

জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে সবচেয়ে বড় অনুপস্থিতির নাম লিওনেল মেসি। তবে প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনির ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলন শুনেছেন যারা, তাদের কাছে এই সিদ্ধান্ত মোটেও অপ্রত্যাশিত ছিল না।

এরই মধ্যে ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তাই স্কালোনি হয়তো নিকো পাস ও জুলিয়ানো সিমেওনের মতো তরুণদের শুরুর একাদশে সুযোগ দিয়ে তাদের পরীক্ষা করে দেখতে চান। তবে দল যে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে, সেটিও পরিষ্কার করেছেন তিনি।

স্কালোনির ভাষায়, ‘জর্ডান ভালো প্রতিপক্ষ। আমরা তাদের মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছি না। আগের ম্যাচের কিছু বিষয় বদলানোর চেষ্টা করব, তবে লক্ষ্য একই থাকবে—বল নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করা।’

অন্যদিকে, টানা দুটি লড়াকু পারফরম্যান্স সত্ত্বেও অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার কাছে হেরে আগেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে জর্ডানের। দুই ম্যাচেই সুযোগ তৈরি করেও গোলের সামনে ব্যর্থতা তাদের ভুগিয়েছে। তবু বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দেখিয়ে বিশ্বমঞ্চে স্মরণীয় একটি পারফরম্যান্স উপহার দিতে চাইবে জর্ডান।

০৭: ০৪

স্বাগতম!

ডালাস স্টেডিয়ামে ‘জে’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও জর্ডান। দৈনিক আমার দেশ-এর লাইভ ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। সর্বশেষ আপডেটে পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।